ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নর-সুন্দর শ্রমিক ইউনিয়নে সভাপতি পদে দুই সহোদর ভাইয়ের লড়াই গোদাগাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত লোকসানের ধাক্কায় রাজশাহীতে বন্ধ হচ্ছে পোলট্রি খামার পঞ্চগড়ে তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৬ শুরু নাটোরে শিল্পপতির একমাত্র ছেলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত, দাফন সম্পূর্ণ ঝিনাইগাতীতে ‘পার্টনার কংগ্রেস-২০২৬’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত বড়াইগ্রামে সংযোগের দুই দিনের মাথায় ৩ ট্রান্সফরমার চুরি, সেচ সংকটে বড়াইগ্রামের কৃষক সিংড়ায় বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ এগ্রো’র কর্মচারীর মৃত্যু, চালক আহত রায়গঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ি পঞ্চগড়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু সারওয়ার বকুল গ্রেপ্তার

মাথার খুলি ও মগজ বিহীন শিশুর জন্ম

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১ ৯৩৯ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে মাথার খুলি ও মগজ বিহীন এক শিশুর জন্ম হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর বাজারের আনোয়ার ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টি সেন্টার নামে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ওই শিশুর জন্ম হয়। জন্মগ্রহণ করা ওই শিশুর বাবা-মা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বৃ-কাশো গ্রামের বাসিন্দা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃ-কাশো গ্রামের কৃষক এমদাদুল হকের স্ত্রী নাসরিন বেগম তার দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য ওই ক্লিনিকে আসেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সোহেল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটি জন্ম নেয়। জন্মগ্রহণের পরেই দেখা যায়, মাথার খুলি ও মগজ নেই। তবে শিশুটির মা ও শিশু সুস্থ্যভাবে এখনও বেঁচে আছেন।
শিশুটির বাবা এমদাদুল হক জানান, তিনি পেশায় কৃষক। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য তার স্ত্রীকে ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সদ্য জন্মগ্রহণ করা দ্বিতীয় পুত্র সন্তানের নাম এখনও রাখা হয়নি। তার মাথার খুলি ও মগজ নেই। উন্নত চিকিৎসা করলে হয়তো তার শিশু বাচ্চা এই পৃথীবিতে বেঁচে থাকবে। কিন্তু উন্নত চিকিৎসা করার মত তার সামথর্য নেই। তার অভাব অনটনের সংসার। তাই সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সোহেল জানান, মাথার খুলি ও মগজবিহীন যে শিশুটি জন্মগ্রহণ করেছে সেটি একটি রোগ। এই রোগের নাম এনেনসেফালি। তার অপারেশন জীবনে তিনি এমন অনেক শিশু দেখেছেন। এটি মুলত জীন ও হরমোনের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। তবে এই শিশুগুলো বেঁচে থাকে না। তারপরও অনেক চেষ্টা করা হয় শিশুকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। বাকিটুকু মহান আল্লাহ পাকের ইচ্ছা। তবে উন্নত চিকিৎসা করালে বাঁচানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মাথার খুলি ও মগজ বিহীন শিশুর জন্ম

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ নভেম্বর ২০২১

নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের গুরুদাসপুরে মাথার খুলি ও মগজ বিহীন এক শিশুর জন্ম হয়েছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর বাজারের আনোয়ার ক্লিনিক এ্যান্ড ডায়াগনস্টি সেন্টার নামে একটি বেসরকারী হাসপাতালে ওই শিশুর জন্ম হয়। জন্মগ্রহণ করা ওই শিশুর বাবা-মা উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বৃ-কাশো গ্রামের বাসিন্দা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃ-কাশো গ্রামের কৃষক এমদাদুল হকের স্ত্রী নাসরিন বেগম তার দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য ওই ক্লিনিকে আসেন। শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে ক্লিনিকের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সোহেল সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে শিশুটি জন্ম নেয়। জন্মগ্রহণের পরেই দেখা যায়, মাথার খুলি ও মগজ নেই। তবে শিশুটির মা ও শিশু সুস্থ্যভাবে এখনও বেঁচে আছেন।
শিশুটির বাবা এমদাদুল হক জানান, তিনি পেশায় কৃষক। তাদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। দ্বিতীয় সন্তান প্রসবের জন্য তার স্ত্রীকে ক্লিনিকে ভর্তি করেন। সদ্য জন্মগ্রহণ করা দ্বিতীয় পুত্র সন্তানের নাম এখনও রাখা হয়নি। তার মাথার খুলি ও মগজ নেই। উন্নত চিকিৎসা করলে হয়তো তার শিশু বাচ্চা এই পৃথীবিতে বেঁচে থাকবে। কিন্তু উন্নত চিকিৎসা করার মত তার সামথর্য নেই। তার অভাব অনটনের সংসার। তাই সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম সোহেল জানান, মাথার খুলি ও মগজবিহীন যে শিশুটি জন্মগ্রহণ করেছে সেটি একটি রোগ। এই রোগের নাম এনেনসেফালি। তার অপারেশন জীবনে তিনি এমন অনেক শিশু দেখেছেন। এটি মুলত জীন ও হরমোনের সমস্যার কারণে হয়ে থাকে। তবে এই শিশুগুলো বেঁচে থাকে না। তারপরও অনেক চেষ্টা করা হয় শিশুকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য। বাকিটুকু মহান আল্লাহ পাকের ইচ্ছা। তবে উন্নত চিকিৎসা করালে বাঁচানোর সম্ভাবনা রয়েছে।