সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন
- আপডেট সময় : ০২:২৩:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের অর্ধশত গ্রামে ঈদুল আজহা উদযাপন
সাদ্রা দরবার শরীফে প্রধান জামায়াতে শত শত মুসল্লির অংশগ্রহণ, ১৯২৮ সাল থেকে চলে আসছে এ প্রথা
সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার প্রায় অর্ধশত গ্রামে আজ (২৭ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফ-কে কেন্দ্র করে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর, বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; মতলব উপজেলার পাঁচানি, বাহেরচর পাঁচানি, সাড়ে পাঁচানি, দেওয়ানকান্দি, উত্তর নেদামদী, আংশিক লুতুরদি, আমিয়াপুর, এনায়েতনগর ও মাথাভাঙাসহ কচুয়া এবং শাহরাস্তি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঈদুল আজহার জামায়াত ও কোরবানি অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে প্রথম ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবারের পীর জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানি। পরে সকাল ৯টায় সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে দ্বিতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আরিফ চৌধুরী।
পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের টোরামুন্সীরহাট বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৮টায় ঈদের প্রধান জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান। এছাড়া টোরা ঈদগাহ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা মাঠে সকাল সাড়ে ৮টায় আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা মো. বরকত উল্যাহ।
মতলব উত্তর উপজেলার দেওয়ানকান্দি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলানা আরিফুল ইসলাম।
সাদ্রা দরবার শরীফের ঈদ জামায়াত কমিটির সদস্য আহমেদ রেজা চৌধুরী বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি জামায়াতে অংশ নেন। এতে ঈদের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এদিকে সাদ্রা দরবার শরীফের পীরজাদা ড. বাকীবিল্লাহ মিশকাত চৌধুরী বলেন, “প্রতিবছরের মতো এবারও সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল আজহার জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোরবানির পশু ক্রয়সহ সকল প্রস্তুতি আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে।”
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯২৮ সালে মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন। এরপর থেকে তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একই দিনে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।



















