ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ক্যান্সার আক্রান্ত নারীকে ধ র্ষ ণ চেষ্টার মামলার পলাতক আসামি ঢাকায় আটক প্রথমবারের মতো রাণীনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মান্দায় খালে গোসলের সময় পানিতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে বাগাতিপাড়ায় ৩০ লাখ টাকার বেশি ঋণের চেক বিতরণ বাগাতিপাড়ায় একদিনে আওয়ামী লীগের সাবেক তিন নেতা আটক রাণীনগরে এক মঞ্চে সাত কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ লালপুরে নানাবাড়ির পানি নিষ্কাশনের ডোবায় পড়ে শিশু রাফসান’র মৃত্যু রাজশাহীতে কলাবাগান থেকে তিন বস্তা গাঁজা উদ্ধার; জড়িতদের শনাক্তে অভিযান চলছে সিংড়ায় স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে শ্লী/ল/তা/হা/নি/র চেষ্টা, গণ-ধো’লা’ইয়ের পর অটোরিকশাচালককে পুলিশে সোপর্দ

বাগাতিপাড়ায় অর্ধ শত বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি মাদরাসা, মানবেতর জীবন শিক্ষক-কর্মচারীদের

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগাতিপাড়ায় অর্ধ শত বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি মাদরাসা, মানবেতর জীবন শিক্ষক-কর্মচারীদের

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পেরোলেও এমপিওভুক্ত হয়নি জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসার। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় বেতন জোটেনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের। বেতন ছাড়াই অবসরে গেছেন অনেক শিক্ষক-কর্মচারী। আবার নতুন শিক্ষক যোগদানও করেছেন প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু অদ্যাবধি মেলেনি বেতন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে বেতন ভাতাদী না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বর্তমানে কর্মরত ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের জয়ন্তিপুরে স্থাপিত হয় জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসাটি। প্রথমে এটি ফুরকানিয়া মাদরাসা হিসেবে ও পরে এবতেদায়ী এবং সবশেষে দাখিল মাদরাসায় উন্নীত হয়। শর্তপূরনের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের নামে জমি বরাদ্দ, অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি, আসবাবপত্র ও নিয়মিত পাঠদান প্রক্রিয়া চালু থাকলেও বিনা পারিশ্রমিকে শ্রম দিতে হচ্ছে দীর্ঘ দিন থেকে। সবশেষ দু দফা এমপিওভুক্তির তালিকায় তাদের নাম আসেনি। প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় সবাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর মধ্যে কেউ কেউ মুদি দোকান, টিউশনি করে বা বিকল্প উপায়ে সংসার চালাচ্ছেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় একটি সরকারি কলেজ ও একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। আর বেসরকারী পর্যায়ে ৮টি মাদ্রাসা, ৪৩টি মাধ্যমিক ও ১৪টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্নাঙ্গভাবে, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিন্ম মাধ্যমিক থেকে উচ্চ স্তর এবং কিছু প্রতিষ্ঠান হাইস্কুল থেকে কলেজে উন্নীত করে এমপিও ভুক্তির অপেক্ষা করছে।

জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেডেন্ট রবিউল ইসলাম বলেন, অর্ধ শত বছর পূর্বে স্থাপিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি থেকে অনেক শিক্ষক অবসরে গেছেন। তাঁরা সারা জীবন বিনা পয়সায় শ্রম দিয়ে খালি হাতে বিদায় নিয়েছেন। একদিন এমপিওভুক্ত হবে এ আশায় বারবারই নতুনভাবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু তাদের কেউ বেতন পাননা। তিনি আরও বলেন, বেতন না পেয়ে চাকরি করছি বলে নিজেকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করাও লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগাতিপাড়ায় অর্ধ শত বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি মাদরাসা, মানবেতর জীবন শিক্ষক-কর্মচারীদের

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বাগাতিপাড়ায় অর্ধ শত বছরেও এমপিওভুক্ত হয়নি মাদরাসা, মানবেতর জীবন শিক্ষক-কর্মচারীদের

নাটোরের বাগাতিপাড়ায় প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পেরোলেও এমপিওভুক্ত হয়নি জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসার। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় বেতন জোটেনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের। বেতন ছাড়াই অবসরে গেছেন অনেক শিক্ষক-কর্মচারী। আবার নতুন শিক্ষক যোগদানও করেছেন প্রতিষ্ঠানটিতে। কিন্তু অদ্যাবধি মেলেনি বেতন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে বেতন ভাতাদী না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বর্তমানে কর্মরত ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের জয়ন্তিপুরে স্থাপিত হয় জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসাটি। প্রথমে এটি ফুরকানিয়া মাদরাসা হিসেবে ও পরে এবতেদায়ী এবং সবশেষে দাখিল মাদরাসায় উন্নীত হয়। শর্তপূরনের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানের নামে জমি বরাদ্দ, অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি, আসবাবপত্র ও নিয়মিত পাঠদান প্রক্রিয়া চালু থাকলেও বিনা পারিশ্রমিকে শ্রম দিতে হচ্ছে দীর্ঘ দিন থেকে। সবশেষ দু দফা এমপিওভুক্তির তালিকায় তাদের নাম আসেনি। প্রতিষ্ঠানটিতে ১৫ জন শিক্ষক-কর্মচারী কর্মরত আছেন। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় সবাই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এর মধ্যে কেউ কেউ মুদি দোকান, টিউশনি করে বা বিকল্প উপায়ে সংসার চালাচ্ছেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় একটি সরকারি কলেজ ও একটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় রয়েছে। আর বেসরকারী পর্যায়ে ৮টি মাদ্রাসা, ৪৩টি মাধ্যমিক ও ১৪টি কলেজ রয়েছে। এর মধ্যে বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পূর্নাঙ্গভাবে, কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিন্ম মাধ্যমিক থেকে উচ্চ স্তর এবং কিছু প্রতিষ্ঠান হাইস্কুল থেকে কলেজে উন্নীত করে এমপিও ভুক্তির অপেক্ষা করছে।

জয়ন্তিপুর দাখিল মাদরাসার সুপারিনটেডেন্ট রবিউল ইসলাম বলেন, অর্ধ শত বছর পূর্বে স্থাপিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি থেকে অনেক শিক্ষক অবসরে গেছেন। তাঁরা সারা জীবন বিনা পয়সায় শ্রম দিয়ে খালি হাতে বিদায় নিয়েছেন। একদিন এমপিওভুক্ত হবে এ আশায় বারবারই নতুনভাবে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে দায়িত্বপালন করেছেন। কিন্তু তাদের কেউ বেতন পাননা। তিনি আরও বলেন, বেতন না পেয়ে চাকরি করছি বলে নিজেকে অন্যের কাছে উপস্থাপন করাও লজ্জার ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।