ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিয়ানীবাজারে যুবকের হাত বাঁ//ধা ঝু-ল-ন্ত লা/শ উদ্ধার, হ//ত্যার অভিযোগ পরিবারের ঠাকুরগাঁওয়ে মা’দকাস’ক্ত স্বামীর নি”র্যা”ত”নে অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধূর মৃ//ত্যু/র অভিযোগ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু

বাগাতিপাড়ায় নবজাতকের দাফনের পরদিন মায়ের দাফন!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩ ২৩৪ বার পড়া হয়েছে

নাটোরের বাগাতিপাড়ার খবর

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগাতিপাড়ায় নবজাতকের দাফনের পরদিন মায়ের দাফন!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রান্না করতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হওয়ার চারদিন পর মারা গেছেন গৃহবধু উর্মি বেগম। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত উর্মি বেগম উপজেলার বাটিকামারি (হাজীপাড়া) গ্রামের কৃষক রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব ইসলাম মিঠু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধু উর্মি বেগম অগ্নিদগ্ধের সময় সাড়ে নয় মাসের অত্মসত্ত্বা ছিলেন এবং সোমবার (১১ ডিসেম্বর) শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সেই নবজাতকটি জন্মের কিছু সময় মারা যায়। পরে নবজাতকের মরদেহ বাড়িতে এনে সোমবার রাতেই দাফন করা হয়। এরপর পরই সোমবার দিবাগত ভোর রাতে মারা যান উর্মি বেগম। প্রায় ২৪ ঘন্টার ব্যাবধানে মঙ্গলবার রাত আটার দিকে দাফন করা হয় নবজাতকের মা উর্মির মরদেহ।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে রান্না ঘরে খড়ির চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রান্না করতে যান গর্ভবতী উর্মি বেগম। রান্না করার একপর্যায়ে তার পরিধেয় কাপড়ে আগুন লেগে তা শরীরে লেগে যায়। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিনি চিৎকার করতে থাকেন। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে শরীর ঝলসে যাওয়া অবস্থায় উর্মিকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোররাতে তিনি মারা যান। এর আগে তিনি সোমবার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সেই কন্যা সন্তানটিও সোমবার মারা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগাতিপাড়ায় নবজাতকের দাফনের পরদিন মায়ের দাফন!

আপডেট সময় : ০৪:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

বাগাতিপাড়ায় নবজাতকের দাফনের পরদিন মায়ের দাফন!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় রান্না করতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হওয়ার চারদিন পর মারা গেছেন গৃহবধু উর্মি বেগম। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) ভোরে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত উর্মি বেগম উপজেলার বাটিকামারি (হাজীপাড়া) গ্রামের কৃষক রুবেল হোসেনের স্ত্রী।

বাগাতিপাড়া উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহাবুব ইসলাম মিঠু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গৃহবধু উর্মি বেগম অগ্নিদগ্ধের সময় সাড়ে নয় মাসের অত্মসত্ত্বা ছিলেন এবং সোমবার (১১ ডিসেম্বর) শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। কিন্তু সেই নবজাতকটি জন্মের কিছু সময় মারা যায়। পরে নবজাতকের মরদেহ বাড়িতে এনে সোমবার রাতেই দাফন করা হয়। এরপর পরই সোমবার দিবাগত ভোর রাতে মারা যান উর্মি বেগম। প্রায় ২৪ ঘন্টার ব্যাবধানে মঙ্গলবার রাত আটার দিকে দাফন করা হয় নবজাতকের মা উর্মির মরদেহ।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নিজ বাড়িতে রান্না ঘরে খড়ির চুলায় আগুন জ্বালিয়ে রান্না করতে যান গর্ভবতী উর্মি বেগম। রান্না করার একপর্যায়ে তার পরিধেয় কাপড়ে আগুন লেগে তা শরীরে লেগে যায়। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে তিনি চিৎকার করতে থাকেন। তার চিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে শরীর ঝলসে যাওয়া অবস্থায় উর্মিকে উদ্ধার করে প্রথমে বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে সেখান থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ভোররাতে তিনি মারা যান। এর আগে তিনি সোমবার একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সেই কন্যা সন্তানটিও সোমবার মারা যায়।