ঢাকা ০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তিন দিনের টানা বর্ষণে পানিতে ভাসছে চট্টগ্রাম, জনজীবন বিপর্যস্ত বাগাতিপাড়ায় খালের মাটি নিয়ে বিএনপির দুই নেতার দ্বন্দ্ব, মারধরের অভিযোগ বাগাতিপাড়ায় সাড়ে ২৪ লাখ টাকার ড্রেন প্রকল্প নিয়ে প্রশ্ন, সরকারি অর্থ অপচয়ের আশঙ্কা ক্যান্সার আক্রান্ত নারীকে ধ র্ষ ণ চেষ্টার মামলার পলাতক আসামি ঢাকায় আটক প্রথমবারের মতো রাণীনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন মান্দায় খালে গোসলের সময় পানিতে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে বাগাতিপাড়ায় ৩০ লাখ টাকার বেশি ঋণের চেক বিতরণ বাগাতিপাড়ায় একদিনে আওয়ামী লীগের সাবেক তিন নেতা আটক রাণীনগরে এক মঞ্চে সাত কর্মসূচির উদ্বোধন ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ

মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩ ২৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ ‘সাম্মাম’ ফল চাষে সফল

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধঃ
মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ! মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ দেখতে অনেকটা তরমুজের মতো। বাংলাদেশে অনেকেই এই ফলটিকে ‘রকমেলন’ নামে চেনেন। দেশের মাটিতে এ ফল চাষ করে লাভবান হয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল। ৭৫ শতক জমিতে সাম্মাম ফলের আবাদ করে এখন পর্যন্ত তিনি দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছেন। নতুন জাতের এ ফল উৎপাদনের খবর পেয়ে দেখতে আসছেন আশপাশের কৃষক ও দর্শনার্থীরা। অনেকেই নতুন জাতের এ ফল খেয়ে দেখছেন, আবার কেউবা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
ঠাকুরগাঁও জেলায় ‘সাম্মাম’ নামের এই ফলটির চাষ সচরাচর চাষ করতে দেখা যায় না। তবে নতুন জাতের এই ফলটি চাষ করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের শিমুলবাড়ি গ্রামে বাসিন্দা কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তরমুজ চাষের মত করেই তৈরি করা হয়েছে সারিবদ্ধ মাটির ঢিপি। দুর দেখে যে কেউ দেখলে মনে করবেন এটা তরমুজ খেত। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা গেল এটি তরমুজ সাদৃশ্য নতুন জাতের ‘সাম্মাম ফল’। মাটির উপরে মালচিং বিছিয়ে ‘শাম্মাম’ ফলের চারা রোপণ করা হয়েছে সেখানে। আর ছিদ্রকরা মালচিং এর ফাকা দিয়ে গজিয়ে উঠেছে ‘সাম্মাম’ ফলের গাছ। সাম্মাম ফলের চাষী কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল বাংলা এফ এম কে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ তরমুজ চাষ করে আসছেন। তবে সম্প্রতী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউবে মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ চাষ দেখতে পান তিনি। এ থেকেই সাম্মাম ফল চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন মোন্নাফ।

চুয়াডাঙ্গার এক পরিচিত কৃষকের কাছ থেকে মোন্নাফ আলী মন্ডল সাম্মাম ফলের বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর সেসব বীজ থেকে তিনি বাড়িতে চারা তৈরি করেন। মোন্নাফ আলী বাংলা এফ এম কে বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রাথমিক ভাবে ৭৫ শতক জমিতে সাম্মাম ফলের চারাগুলো রোপন করা হয়। তরমুজের মত করে মাটিতেই এই ফলের চাষ করা হয়। জমিতে রোপণের দেড় মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তিন মাসের মধ্যেই পরিপক্ক হয় মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’।

তিনি বলেন, সাম্মান ফলের বীজ, চারা তৈরি, জমি চাষ, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ আনুষঙ্গিক প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা খচর হয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ফলটি বাজারজাত করা শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন বাজারে এসব বিক্রি করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সাম্মাম ফল বিক্রি করা হয়েছে। খেতে যে পরিমাণ ফল রযেছে এ থেকে আরও দুই লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি। এ ফলের চাষ অত্যন্ত লাভজনক বলে জানান, কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল।

কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল বলেন, সাম্মাম বা রক মেলন ফলটি সর্বনি¤œ ৫০০ গ্রাম থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। ফলটি প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হয় বাজারে। আর আমি পাইকারি ভাবে বিক্রি করছি ৬০-৮০ টাকা দরে।
আগে ঢাকার কারওয়ান বাজারে নিয়ে ‘সাম্মাম’ ফলটি বিক্রি করেছি। এখন ক্ষেত থেকেই ঢাকার পাইকার এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশে এই ফলের বাজার সম্প্রসারণ হলে দেশের কৃষকরা এটি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

খোঁজ পেয়ে মোন্নাফ আলী মন্ডলের সাম্মাম ফলের বাগান দেখতে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে এসেছেন আব্দুল্লাহ আল সুমন। তিনি বলেন, ইউটিউবে অনেক ভিডিও দেখেছি মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ এর। কখনো কল্পনাও করতে পারিনি এই ফলটি আমাদের ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে হবে। আজ নিজের চোখে সাম্মাম ফলটি দেখলাম এবং খেয়েও দেখালাম। এটি অনেক সুস্বাদু ও মজাদার।
পীরগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে আসার সিরাজুল ইসলাম বলেন, মানুষের মুখে শুনতে পেয়ে মোন্নাফ ভাইয়ের সাম্মাম খেতে আসলাম। এখান থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে সাড়ে ৩ কেজি ওজনের ৪টি সাম্মাম ফল কিনলাম। এতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৮০ টাকা।

স্থানীয় কৃষক জয়নাল হক বলেন, মোন্নাফ আলী মন্ডল সবসময় নতুন জাতের ফল চাষ করে থাকেন। এবারও সে মরুভূমির একটি ফল চাষ করেছেন। তার খেতে ফলনও ভালো হয়েছে। আমরা তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছি কিভাবে এটি চাষ করা যায়। সামনের মওসুমে আমরাও এইট ফলটি চাষ করবো।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বাংলা এফ এম কে বলেন, কৃষকরা এই ফলটির চাষ সম্প্রসারণ করলে তারা যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। তেমন অন্যদিকে পুষ্টির চাহিদা পুরনে ও বাজারে নতুন ফলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশে ‘সাম্মাম’ ফলটি অনেক জনপ্রিয়। আমাদের দেশে এটি নতুন আসলেও সুপার শপ গুলোতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আর ঠাকুরগাঁওয়ের আবহাওয়া ‘সাম্মাম’ চাষে উপযোগী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের এই বিষয়ে যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ!

আপডেট সময় : ০৬:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ!

নাজমুল হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধঃ
মরুভূমির সাম্মাম ফল চাষে সফল ঠাকুরগাঁওয়ের মোন্নাফ! মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ দেখতে অনেকটা তরমুজের মতো। বাংলাদেশে অনেকেই এই ফলটিকে ‘রকমেলন’ নামে চেনেন। দেশের মাটিতে এ ফল চাষ করে লাভবান হয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল। ৭৫ শতক জমিতে সাম্মাম ফলের আবাদ করে এখন পর্যন্ত তিনি দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছেন। নতুন জাতের এ ফল উৎপাদনের খবর পেয়ে দেখতে আসছেন আশপাশের কৃষক ও দর্শনার্থীরা। অনেকেই নতুন জাতের এ ফল খেয়ে দেখছেন, আবার কেউবা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বাড়িতে।
ঠাকুরগাঁও জেলায় ‘সাম্মাম’ নামের এই ফলটির চাষ সচরাচর চাষ করতে দেখা যায় না। তবে নতুন জাতের এই ফলটি চাষ করেছেন ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার খনগাঁও ইউনিয়নের শিমুলবাড়ি গ্রামে বাসিন্দা কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তরমুজ চাষের মত করেই তৈরি করা হয়েছে সারিবদ্ধ মাটির ঢিপি। দুর দেখে যে কেউ দেখলে মনে করবেন এটা তরমুজ খেত। কিন্তু কাছে যেতেই বোঝা গেল এটি তরমুজ সাদৃশ্য নতুন জাতের ‘সাম্মাম ফল’। মাটির উপরে মালচিং বিছিয়ে ‘শাম্মাম’ ফলের চারা রোপণ করা হয়েছে সেখানে। আর ছিদ্রকরা মালচিং এর ফাকা দিয়ে গজিয়ে উঠেছে ‘সাম্মাম’ ফলের গাছ। সাম্মাম ফলের চাষী কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল বাংলা এফ এম কে বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ তরমুজ চাষ করে আসছেন। তবে সম্প্রতী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউবে মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ চাষ দেখতে পান তিনি। এ থেকেই সাম্মাম ফল চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন মোন্নাফ।

চুয়াডাঙ্গার এক পরিচিত কৃষকের কাছ থেকে মোন্নাফ আলী মন্ডল সাম্মাম ফলের বীজ সংগ্রহ করেন। এরপর সেসব বীজ থেকে তিনি বাড়িতে চারা তৈরি করেন। মোন্নাফ আলী বাংলা এফ এম কে বলেন, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে প্রাথমিক ভাবে ৭৫ শতক জমিতে সাম্মাম ফলের চারাগুলো রোপন করা হয়। তরমুজের মত করে মাটিতেই এই ফলের চাষ করা হয়। জমিতে রোপণের দেড় মাসের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। তিন মাসের মধ্যেই পরিপক্ক হয় মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’।

তিনি বলেন, সাম্মান ফলের বীজ, চারা তৈরি, জমি চাষ, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ আনুষঙ্গিক প্রায় এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা খচর হয়েছে। মাত্র তিন মাসের মধ্যে ফলটি বাজারজাত করা শুরু হয়েছে। ঢাকার বিভিন্ন বাজারে এসব বিক্রি করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুই লক্ষ ৫০ হাজার টাকার সাম্মাম ফল বিক্রি করা হয়েছে। খেতে যে পরিমাণ ফল রযেছে এ থেকে আরও দুই লক্ষ টাকার ফল বিক্রি করতে পারবো বলে আশা করছি। এ ফলের চাষ অত্যন্ত লাভজনক বলে জানান, কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল।

কৃষক মোন্নাফ আলী মন্ডল বলেন, সাম্মাম বা রক মেলন ফলটি সর্বনি¤œ ৫০০ গ্রাম থেকে ৪ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়। ফলটি প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হয় বাজারে। আর আমি পাইকারি ভাবে বিক্রি করছি ৬০-৮০ টাকা দরে।
আগে ঢাকার কারওয়ান বাজারে নিয়ে ‘সাম্মাম’ ফলটি বিক্রি করেছি। এখন ক্ষেত থেকেই ঢাকার পাইকার এসে কিনে নিয়ে যাচ্ছে। তবে দেশে এই ফলের বাজার সম্প্রসারণ হলে দেশের কৃষকরা এটি চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবে।

খোঁজ পেয়ে মোন্নাফ আলী মন্ডলের সাম্মাম ফলের বাগান দেখতে ঠাকুরগাঁও শহর থেকে এসেছেন আব্দুল্লাহ আল সুমন। তিনি বলেন, ইউটিউবে অনেক ভিডিও দেখেছি মরুভূমির ফল ‘সাম্মাম’ এর। কখনো কল্পনাও করতে পারিনি এই ফলটি আমাদের ঠাকুরগাঁওয়ের মাটিতে হবে। আজ নিজের চোখে সাম্মাম ফলটি দেখলাম এবং খেয়েও দেখালাম। এটি অনেক সুস্বাদু ও মজাদার।
পীরগঞ্জ উপজেলা শহর থেকে আসার সিরাজুল ইসলাম বলেন, মানুষের মুখে শুনতে পেয়ে মোন্নাফ ভাইয়ের সাম্মাম খেতে আসলাম। এখান থেকে ৮০ টাকা কেজি দরে সাড়ে ৩ কেজি ওজনের ৪টি সাম্মাম ফল কিনলাম। এতে খরচ হয়েছে মাত্র ২৮০ টাকা।

স্থানীয় কৃষক জয়নাল হক বলেন, মোন্নাফ আলী মন্ডল সবসময় নতুন জাতের ফল চাষ করে থাকেন। এবারও সে মরুভূমির একটি ফল চাষ করেছেন। তার খেতে ফলনও ভালো হয়েছে। আমরা তার কাছ থেকে পরামর্শ নিচ্ছি কিভাবে এটি চাষ করা যায়। সামনের মওসুমে আমরাও এইট ফলটি চাষ করবো।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বাংলা এফ এম কে বলেন, কৃষকরা এই ফলটির চাষ সম্প্রসারণ করলে তারা যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন। তেমন অন্যদিকে পুষ্টির চাহিদা পুরনে ও বাজারে নতুন ফলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। তিনি জানান, বিভিন্ন দেশে ‘সাম্মাম’ ফলটি অনেক জনপ্রিয়। আমাদের দেশে এটি নতুন আসলেও সুপার শপ গুলোতে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আর ঠাকুরগাঁওয়ের আবহাওয়া ‘সাম্মাম’ চাষে উপযোগী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে কৃষকদের এই বিষয়ে যথাযথ সহায়তা প্রদান করা হবে।