ঢাকা ০১:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিয়ানীবাজারে যুবকের হাত বাঁ//ধা ঝু-ল-ন্ত লা/শ উদ্ধার, হ//ত্যার অভিযোগ পরিবারের ঠাকুরগাঁওয়ে মা’দকাস’ক্ত স্বামীর নি”র্যা”ত”নে অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধূর মৃ//ত্যু/র অভিযোগ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ২০

ঝিনাইগাতি (শেরপুর) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১২:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ২০

ঝিনাইগাতিতে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মিনি স্টেডিয়াম

শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ঝিনাইগাতি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রাসেল, ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মঞ্চে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই অনুষ্ঠানের চেয়ারে বসে থাকেন। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল নির্ধারিত সময়েও অনুষ্ঠানস্থলে না পৌঁছানোয় বিএনপির আগত নেতাকর্মীরা বসার সুযোগ পাননি। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়িতে রূপ নেয় এবং মুহূর্তেই পুরো অনুষ্ঠানস্থল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি একে অপরকে দায়ী করেছে। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ২০

আপডেট সময় : ১২:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

শেরপুর-৩ আসনে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত অন্তত ২০

ঝিনাইগাতিতে চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মিনি স্টেডিয়াম

শেরপুর-৩ (ঝিনাইগাতি ও শ্রীবরদী) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের নিয়ে আয়োজিত নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে ঝিনাইগাতি উপজেলা মিনি স্টেডিয়ামে সংঘর্ষের এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঝিনাইগাতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রাসেল, ঝিনাইগাতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মঞ্চে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান শুরুর অপেক্ষায় ছিলেন।

এ সময় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের নেতাকর্মীরা আগে থেকেই অনুষ্ঠানের চেয়ারে বসে থাকেন। অপরদিকে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল নির্ধারিত সময়েও অনুষ্ঠানস্থলে না পৌঁছানোয় বিএনপির আগত নেতাকর্মীরা বসার সুযোগ পাননি। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়িতে রূপ নেয় এবং মুহূর্তেই পুরো অনুষ্ঠানস্থল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।

ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সংঘর্ষের ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি একে অপরকে দায়ী করেছে। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।