ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, রাতে কাজের অভিযোগ অ/স্ত্র নিয়ে পুঠিয়ার সাবেক মেয়রকে খুঁজতে গিয়ে তা/ণ্ড/বে/র অভিযোগ পুঠিয়ায় প্রকাশ্যে মাদক বাণিজ্যের অভিযোগ, আতঙ্কে এলাকাবাসী আরএমপিতে পাঁচ ওসিসহ ১১ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি বাগাতিপাড়ায় র‍্যাবের অভিযানে ৪৩ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজশাহী মেডিকেলে হামের উপসর্গে শিশুর মৃত্যু নলডাঙ্গায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে আ/গু/ন, পু/ড়ে মারা গেল ৬ ছাগলের বাচ্চা মান্দায় পাচারকালে ৪৫ বস্তা রাসায়নিক সার আটক রাজশাহীতে পত্রিকা অফিসে আগুন, পুড়ে গেছে ১৬ বছরের সংরক্ষিত কপি রাজশাহী নগরীতে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৫৪ হাজার ১৪৪ শিশু, শুরু ২০ এপ্রিল

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ২০৫ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন করেছে টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ীরা। শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পঞ্চগড়-নীলফামারী’র টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ীদের ব্যানারে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বক্তব্য দেন জেলা সদরের চাকলাহাটের টমেটো ব্যবসায়ী রাসেল আলী, দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জের হাসিবুল আলম রিজু, সদরের হাড়িভাসার আহমদ দুলু, চাকলাহাটের রিয়াজুল ইসলাম ও গোলাম হোসেন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, মৌসুমের শেষে এসে ব্যবসায়ীরা অধিক দামে কৃষকদের কাছ থেকে কাঁচা টমেটো কিনেছে। যার বিক্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। বাজারে দামও বেশ ভাল ছিল। কিন্তু ভারত থেকে এলসি টমেটো আসার পর থেকে টমেটোর দাম অনেক কমে গেছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের টমেটো বিক্রয় করতে পারছে না। এ কারণে কৃষকদের কাছ থেকে বাকিতে কেনা টমেটোর দাম এবং শ্রমিকদের মজুরী প্রদান করতে পারছেন না। তাদের দাবি মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য ভারত থেকে এলসির টমেটো আনা বন্ধ হলে পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার উৎপাদিত টমেটো বিক্রয় শেষ হয়ে যাবে। আর এলসি বন্ধ না হলেও ব্যবসায়ী ও টমেটো চাষীরা বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখিন হবে।

সদর উপজেলার চাকলাহাটের ব্যবসায়ী রাসেল আলী জানান, মৌসূম শেষ হওয়ায় আমরা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতিমন টমেটো এক হাজার চারশ টাকা থেকে পাঁচশ টাকা দরে কিনেছিলেন। এই টমেটো পাঁকিয়ে প্রতি ক্রেট (২৫ কেজি) এক হাজার চারশ থেকে পাঁচশ টাকা দরে বিক্রয় করছিলাম। কিন্তু ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে টমেটো আসার পর থেকে প্রতি ক্যারেট টমেটোর দাম নেমে এসেছে পাঁচ থেকে ছয়শ টাকায়। এতে করে আমার একারই ক্ষতি হয়েছে ২৫ লাখ টাকার মত। আমি এখন চাষীদের ও শ্রমিকদের টাকা দিতে পারছি না। টাকা দিতে তারা আমাকে বেইজ্জত করছে। ভারত থেকে টমেটো আসা বন্ধ না হলে কোন জায়গা থেকে ঋণ অথবা বাড়ির জমি বিক্রয় করে আমাকে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৩:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন

ভারত থেকে আমদানীকৃত এলসি টমেটো আনা স্থগিতের দাবিতে পঞ্চগড়ে মানববন্ধন করেছে টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ীরা। শনিবার দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে পঞ্চগড়-নীলফামারী’র টমেটো চাষী ও ব্যবসায়ীদের ব্যানারে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় বক্তব্য দেন জেলা সদরের চাকলাহাটের টমেটো ব্যবসায়ী রাসেল আলী, দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জের হাসিবুল আলম রিজু, সদরের হাড়িভাসার আহমদ দুলু, চাকলাহাটের রিয়াজুল ইসলাম ও গোলাম হোসেন প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, মৌসুমের শেষে এসে ব্যবসায়ীরা অধিক দামে কৃষকদের কাছ থেকে কাঁচা টমেটো কিনেছে। যার বিক্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে। বাজারে দামও বেশ ভাল ছিল। কিন্তু ভারত থেকে এলসি টমেটো আসার পর থেকে টমেটোর দাম অনেক কমে গেছে। এতে করে ব্যবসায়ীরা তাদের টমেটো বিক্রয় করতে পারছে না। এ কারণে কৃষকদের কাছ থেকে বাকিতে কেনা টমেটোর দাম এবং শ্রমিকদের মজুরী প্রদান করতে পারছেন না। তাদের দাবি মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য ভারত থেকে এলসির টমেটো আনা বন্ধ হলে পঞ্চগড় ও নীলফামারী জেলার উৎপাদিত টমেটো বিক্রয় শেষ হয়ে যাবে। আর এলসি বন্ধ না হলেও ব্যবসায়ী ও টমেটো চাষীরা বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখিন হবে।

সদর উপজেলার চাকলাহাটের ব্যবসায়ী রাসেল আলী জানান, মৌসূম শেষ হওয়ায় আমরা কৃষকদের কাছ থেকে প্রতিমন টমেটো এক হাজার চারশ টাকা থেকে পাঁচশ টাকা দরে কিনেছিলেন। এই টমেটো পাঁকিয়ে প্রতি ক্রেট (২৫ কেজি) এক হাজার চারশ থেকে পাঁচশ টাকা দরে বিক্রয় করছিলাম। কিন্তু ভারত থেকে এলসির মাধ্যমে টমেটো আসার পর থেকে প্রতি ক্যারেট টমেটোর দাম নেমে এসেছে পাঁচ থেকে ছয়শ টাকায়। এতে করে আমার একারই ক্ষতি হয়েছে ২৫ লাখ টাকার মত। আমি এখন চাষীদের ও শ্রমিকদের টাকা দিতে পারছি না। টাকা দিতে তারা আমাকে বেইজ্জত করছে। ভারত থেকে টমেটো আসা বন্ধ না হলে কোন জায়গা থেকে ঋণ অথবা বাড়ির জমি বিক্রয় করে আমাকে তাদের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।