পুলিশ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: আইজিপি
- আপডেট সময় : ০৭:৩৬:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৯৮ বার পড়া হয়েছে

পুলিশ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: আইজিপি
সারদায় ৪১তম ক্যাডেট ব্যাচের এসআইদের সমাপনী কুচকাওয়াজে প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ মোকাবিলায় দক্ষতা অর্জনের আহ্বান
বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির বলেছেন, একজন পুলিশ সদস্যের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করা।
বুধবার (৮ এপ্রিল) বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় ৪১তম ক্যাডেট ব্যাচের শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইজিপি বলেন, বর্তমান বিশ্বে অপরাধের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধ, সাইবার ক্রাইম ও জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় পুলিশ কর্মকর্তাদের শিক্ষা, সততা, দক্ষতা ও সচেতনতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক অপরাধ দমনে পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে।
তিনি আরও বলেন, “তোমরা আজ শুধু একটি চাকরিতে যোগ দিচ্ছ না, বরং একটি মহান সেবামূলক পেশায় আত্মনিয়োগ করছো। যে পেশার মূলমন্ত্র হলো—সেবাই ধর্ম। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের বিপদে সহায়তা করা এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠা করার মূল্যবোধ ধারণ করেই তোমাদের এগিয়ে যেতে হবে।”
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে সর্বদা পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে। একই সঙ্গে প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞানকে বাস্তবক্ষেত্রে প্রয়োগ করে নিজেদের সবসময় আধুনিক ও আপডেটেড রাখারও আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে আইজিপি শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের অভিবাদন গ্রহণ করেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। পরে তিনি বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী শিক্ষানবিশ সাব-ইন্সপেক্টরদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
উল্লেখ্য, দুই বছর মেয়াদি প্রশিক্ষণ শেষে ২০৯ জন সাব-ইন্সপেক্টরকে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রবেশনারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের লক্ষ্যে সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে বিদায় জানানো হয়। তাঁদের মধ্যে পাঁচজন নারী সদস্য রয়েছেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ অতিরিক্ত আইজিপি আজিজুর রহমানসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




















