ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিয়ানীবাজারে যুবকের হাত বাঁ//ধা ঝু-ল-ন্ত লা/শ উদ্ধার, হ//ত্যার অভিযোগ পরিবারের ঠাকুরগাঁওয়ে মা’দকাস’ক্ত স্বামীর নি”র্যা”ত”নে অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধূর মৃ//ত্যু/র অভিযোগ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু

পঞ্চগড়ে বেড়েছে টমেটোর দাম তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লোকসান

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫ ২৮১ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে বেড়েছে টমেটোর দাম তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লোকসান

পঞ্চগড়ে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে বাণিজ্যিকভাবে টমেটোর চাষ শুরু হয়। শুরুতেই কৃষক দের কাছে ধরা দেয় ব্যাপক সফলতা। সফলতা দেখে টমেটো চাষে ঝুঁকেছেন আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের কৃষকেরাও। ফলে গ্রীষ্মকালে এলাকায় কৃষকের জমিতে টমেটো বাগানে রূপ নিয়েছে।

চাষিরা জানান, ১ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করতে সার, বীজ ও শ্রমিকসহ খরচ হয় ২৫-২৭ হাজার টাকা। এবার বিঘাপ্রতি ফলন হয়েছে ১০০-২০০ মণ। এবার কৃষকের জমি থেকে প্রতি মণ টমেটো বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৫০০-৬০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার থেকে ১৬’শত টাকা ধরে। উৎপাদন খরচ বাদে প্রতি বিঘায় টমেটো বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

প্রতি বছর বিঘাপ্রতি ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখছেন জেলার প্রান্তিক কৃষকরা। একারণে দিন দিন অন্য ফসল ছেড়ে টমেটো চাষের দিকে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা। তবে গ্রামগুলোয় টমেটো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর মৌসুমের শেষদিকে বিপুল পরিমাণ টমেটো নষ্ট হয়। জেলায় টমেটো সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার থাকলে বা স্থানীয়ভাবে কোনো প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে উঠলে এত বিপুল পরিমাণ টমেটো নষ্ট হতো না।

ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতি মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে টমেটো ব্যবসায়ীরা এসে জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় আড়ত ভাড়া নেন। স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় তাঁরা প্রতিদিন চাষিদের খেত থেকে কাঁচা টমেটো কিনে আড়তে সংরক্ষণ করেন। পরে আড়তে রাখা টমেটো পাকা পর্যন্ত শ্রমিকদের দিয়ে কয়েকবার বাছাই করে ক্রেরেট ভরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। প্রতিটি ক্রেরেট ২৬ কেজি টমেটো ধরে। শুরু থেকেই পঞ্চগড়ের টমেটো ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে শেষ মৌসুমে অনেকটাই দাম বেড়েছে।

বর্তমানে ১ ক্রেরেট টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৪০০ টাকা তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লাখ লাখ টাকা লস হবে। কারণ এখন দাম বাড়লেও আমাদের আরোতে তেমন টমেটো নেই। পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুবোধ চন্দ্র রায় বলেন, এবছর জেলায় ৭৩৮ হেক্টর জমিতে টমেটোর চাষ হয়েছে। টমেটোর ভালো ফলন এবং চাষিরা লাভবান হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে বেড়েছে টমেটোর দাম তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লোকসান

আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

পঞ্চগড়ে বেড়েছে টমেটোর দাম তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লোকসান

পঞ্চগড়ে ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে বাণিজ্যিকভাবে টমেটোর চাষ শুরু হয়। শুরুতেই কৃষক দের কাছে ধরা দেয় ব্যাপক সফলতা। সফলতা দেখে টমেটো চাষে ঝুঁকেছেন আশেপাশের কয়েকটি গ্রামের কৃষকেরাও। ফলে গ্রীষ্মকালে এলাকায় কৃষকের জমিতে টমেটো বাগানে রূপ নিয়েছে।

চাষিরা জানান, ১ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করতে সার, বীজ ও শ্রমিকসহ খরচ হয় ২৫-২৭ হাজার টাকা। এবার বিঘাপ্রতি ফলন হয়েছে ১০০-২০০ মণ। এবার কৃষকের জমি থেকে প্রতি মণ টমেটো বিক্রি হয়েছে সর্বনিম্ন ৫০০-৬০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১ হাজার থেকে ১৬’শত টাকা ধরে। উৎপাদন খরচ বাদে প্রতি বিঘায় টমেটো বিক্রি হয়েছে প্রায় ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

প্রতি বছর বিঘাপ্রতি ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভের মুখ দেখছেন জেলার প্রান্তিক কৃষকরা। একারণে দিন দিন অন্য ফসল ছেড়ে টমেটো চাষের দিকে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা। তবে গ্রামগুলোয় টমেটো সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর মৌসুমের শেষদিকে বিপুল পরিমাণ টমেটো নষ্ট হয়। জেলায় টমেটো সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার থাকলে বা স্থানীয়ভাবে কোনো প্রক্রিয়াকরণ কারখানা গড়ে উঠলে এত বিপুল পরিমাণ টমেটো নষ্ট হতো না।

ব্যবসায়ীরা বলেন, প্রতি মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে টমেটো ব্যবসায়ীরা এসে জেলা সদরের বিভিন্ন এলাকায় আড়ত ভাড়া নেন। স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ীর সহযোগিতায় তাঁরা প্রতিদিন চাষিদের খেত থেকে কাঁচা টমেটো কিনে আড়তে সংরক্ষণ করেন। পরে আড়তে রাখা টমেটো পাকা পর্যন্ত শ্রমিকদের দিয়ে কয়েকবার বাছাই করে ক্রেরেট ভরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করেন। প্রতিটি ক্রেরেট ২৬ কেজি টমেটো ধরে। শুরু থেকেই পঞ্চগড়ের টমেটো ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রি হয় ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা। তবে শেষ মৌসুমে অনেকটাই দাম বেড়েছে।

বর্তমানে ১ ক্রেরেট টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২ থেকে ১৪০০ টাকা তবুও ব্যবসায়ীরা বলছেন লাখ লাখ টাকা লস হবে। কারণ এখন দাম বাড়লেও আমাদের আরোতে তেমন টমেটো নেই। পঞ্চগড় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক সুবোধ চন্দ্র রায় বলেন, এবছর জেলায় ৭৩৮ হেক্টর জমিতে টমেটোর চাষ হয়েছে। টমেটোর ভালো ফলন এবং চাষিরা লাভবান হয়েছে।