ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিয়ানীবাজারে যুবকের হাত বাঁ//ধা ঝু-ল-ন্ত লা/শ উদ্ধার, হ//ত্যার অভিযোগ পরিবারের ঠাকুরগাঁওয়ে মা’দকাস’ক্ত স্বামীর নি”র্যা”ত”নে অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধূর মৃ//ত্যু/র অভিযোগ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু

জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে

শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাশেদ খান

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের!

রাবি প্রতিনিধিঃ
জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের! নারী ক্রেতা ও সেলিম হোসেন নামে দোকানিকে দোকান ঘরে বন্দি করে জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাবি ছাত্রলীগ শাখার একাংশের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনের এক মুদি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

দোকানদার সেলিম অভিযোগ করে বলেন, এক নারী ক্রেতা তার দোকানের ভিতরে মোবাইলে রিচার্জ করতে আসলে দরজার সাঁটার নামিয়ে দিয়ে ছাত্রলীগের কিছু নেতা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে তাদের একজন বক্স থেকে টাকা তুলে নেয়। অভিযুক্তরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাশেদ খান। তিনি ওই দোকানীর ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইবিএ শাখা ছাত্রলীগের আবু সিনহা ও হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল আলম সোহাগ জড়িত বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতারা দোকানদার সেলিমের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মুদি দোকানদার সেলিম হোসেন বলেন, মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য এক নারী আমার দোকানে আসেন। এসময় দোকানের দরজা খোলা থাকায় ওই নারী তার দোকানের একটু ভেতরে প্রবেশ করেন। এমতাবস্থায় ছাত্রলীগের কয়েকজন সেখানে চলে আসেন এবং রাশেদ ও সোহাগ দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান। সেখানে সিনহা নামেরও একজন ছিলো বলে তিনি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ হবিবুর রহমান হল ক্যান্টিনে কর্মরত একজন মহিলা ফোনে রিচার্জ করতে আসে সেলিমের কাছে। দোকানের দরজা খোলা থাকায় তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। এমতাবস্থায় শহীদ হবিবুর হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল আলম সোহাগসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মাহিলা প্রবেশ করায় দোকানের স্যাটারের ঝাপ নামিয়ে দেন।

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সভাপতি রাশেদ বলেন, আমি দুপুরে খাওয়ার জন্য হলের নিচে আসি। আসার পর দেখি ওই দোকানের সামনে হট্টগোল চলছে। দোকানের ভেতর মেয়ে থাকা সিনহা ও সোহাগ মিলে দোকানিকে আটকে রেখেছে। আমি সেখানে যাওয়ার ১ মিনিটের মধ্যে সহকারী প্রক্টর এসে তাদের নিয়ে যায়। আমি কোনো টাকা নেইনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল ইসলাম সোহাগ বলেন, দুপুরে হলের সামনে অবস্থিত দোকানে এক মহিলার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় সেলিম হোসেন ধরা পড়ে। এতে অনেকের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠে। আমি এককভাবে কিছুই করিনি। তাছাড়া দোকানের টাকা নেয়ার বিষয়ে আমি জানি না।

আইবিএ শাখা ছাত্রলীগের আবু সিনহা বলেন, আমি চারুকলা থেকে খাওয়া-দাওয়া করে আসছিলাম। এসে দেখি ওইখানে দোকানদারকে নারীসহ আটকিয়ে রাখছে। পরে প্রক্টর এসে তাদেরকে নিয়ে গেলেন। টাকা নেওয়ার ব্যাপারে কিছু জানি না।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, দুপুরে হলের সামনের দোকানে আপত্তিকর ঘটনার খবর পেলে ঘটনাস্থলে যায় প্রক্টরিয়াল টিম। এবিষয়ে প্রক্টরিয়াল টিম সত্যতা যাচাই-বাছাই করছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ মুহুর্তেই টাকার বিষয়ে কেউ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্তা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের!

আপডেট সময় : ১১:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ অগাস্ট ২০২২

জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের!

রাবি প্রতিনিধিঃ
জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রাবি ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে; মিথ্যা দাবি ছাত্রলীগের! নারী ক্রেতা ও সেলিম হোসেন নামে দোকানিকে দোকান ঘরে বন্দি করে জোরপূর্বক ক্যাশবক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে রাবি ছাত্রলীগ শাখার একাংশের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনের এক মুদি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

দোকানদার সেলিম অভিযোগ করে বলেন, এক নারী ক্রেতা তার দোকানের ভিতরে মোবাইলে রিচার্জ করতে আসলে দরজার সাঁটার নামিয়ে দিয়ে ছাত্রলীগের কিছু নেতা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে তাদের একজন বক্স থেকে টাকা তুলে নেয়। অভিযুক্তরা হলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাশেদ খান। তিনি ওই দোকানীর ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা তুলে নিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইবিএ শাখা ছাত্রলীগের আবু সিনহা ও হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল আলম সোহাগ জড়িত বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতারা দোকানদার সেলিমের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মুদি দোকানদার সেলিম হোসেন বলেন, মোবাইলে রিচার্জ করার জন্য এক নারী আমার দোকানে আসেন। এসময় দোকানের দরজা খোলা থাকায় ওই নারী তার দোকানের একটু ভেতরে প্রবেশ করেন। এমতাবস্থায় ছাত্রলীগের কয়েকজন সেখানে চলে আসেন এবং রাশেদ ও সোহাগ দোকানের ক্যাশবাক্স থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যান। সেখানে সিনহা নামেরও একজন ছিলো বলে তিনি জানান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ হবিবুর রহমান হল ক্যান্টিনে কর্মরত একজন মহিলা ফোনে রিচার্জ করতে আসে সেলিমের কাছে। দোকানের দরজা খোলা থাকায় তিনি ভেতরে প্রবেশ করেন। এমতাবস্থায় শহীদ হবিবুর হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল আলম সোহাগসহ কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতাকর্মী মাহিলা প্রবেশ করায় দোকানের স্যাটারের ঝাপ নামিয়ে দেন।

অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সভাপতি রাশেদ বলেন, আমি দুপুরে খাওয়ার জন্য হলের নিচে আসি। আসার পর দেখি ওই দোকানের সামনে হট্টগোল চলছে। দোকানের ভেতর মেয়ে থাকা সিনহা ও সোহাগ মিলে দোকানিকে আটকে রেখেছে। আমি সেখানে যাওয়ার ১ মিনিটের মধ্যে সহকারী প্রক্টর এসে তাদের নিয়ে যায়। আমি কোনো টাকা নেইনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ হবিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সামিউল ইসলাম সোহাগ বলেন, দুপুরে হলের সামনে অবস্থিত দোকানে এক মহিলার সাথে আপত্তিকর অবস্থায় সেলিম হোসেন ধরা পড়ে। এতে অনেকের সাথে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠে। আমি এককভাবে কিছুই করিনি। তাছাড়া দোকানের টাকা নেয়ার বিষয়ে আমি জানি না।

আইবিএ শাখা ছাত্রলীগের আবু সিনহা বলেন, আমি চারুকলা থেকে খাওয়া-দাওয়া করে আসছিলাম। এসে দেখি ওইখানে দোকানদারকে নারীসহ আটকিয়ে রাখছে। পরে প্রক্টর এসে তাদেরকে নিয়ে গেলেন। টাকা নেওয়ার ব্যাপারে কিছু জানি না।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, দুপুরে হলের সামনের দোকানে আপত্তিকর ঘটনার খবর পেলে ঘটনাস্থলে যায় প্রক্টরিয়াল টিম। এবিষয়ে প্রক্টরিয়াল টিম সত্যতা যাচাই-বাছাই করছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এ মুহুর্তেই টাকার বিষয়ে কেউ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্তা নেয়া হবে।