ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় সাড়ে ৭ কিলোমিটার রেলপথে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে গরু চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যু মিরপুরে ৭-৮ দিন ধরে কক্ষে পড়ে ছিল বৃদ্ধার পচাগলা মরদেহ, তিন সন্তান উচ্চপদস্থ ও প্রতিষ্ঠিত ঝিনাইগাতীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে জলাবদ্ধতা নিরসন ও রাস্তা উন্মুক্তের দাবিতে মানববন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগের ঘটনায় রাঙামাটিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দুর্গাপুরে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের জানালার থাইগ্লাস কেটে দুর্ধর্ষ চুরি রাজশাহী মেডিকেলে এক শিশুর হামের পরই ধরা পড়ল ডেঙ্গু, আইসিইউতে ভর্তি সিংড়ায় ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন মামাতো ফুপাতো ভাই নিহত বাগাতিপাড়ায় চোর ধরতে গিয়ে চোরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত “শফি” খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

অবশেষে সারদায় প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫ ২২৮ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবশেষে সারদায় প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ১৬৭তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মনোজ্ঞ প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান ভূঞা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী টিআরসিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, নবীন পুলিশ সদস্যরা তাদের কর্মক্ষেত্রে তাদের মেধা, মনন ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। মাদক, সন্ত্রাস বন্ধে আইনের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে রাখবেন আপনারা জনগনের সেবক। তাই জনদরিদী পুলিশি দায়িত্ব পালন করে জনবান্ধব পুলিশে নিজেদের রুপান্তরিত করবেন।
সমাপনী কুচকাওয়াজে ৩৩৪ জন টিআরসি অংশ নেন। এদের মধ্যে সাজ্জাদুল ইসলাম (পিএ/৫৪৪) বেস্ট টিআরসি হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে বেস্ট একাডেমিক হিসেবে সুমন আলী (পিএ/৫৪২), বেস্ট ইন ফিল্ড এক্টিভিটিজ এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে পৌরব চন্দ্র রায় (পিএ/১৪৫) নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে কোর্স ডিরেক্টর পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমনসহ অন্য ঊর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ২৪ জুন ৩৪৪ জন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের ছয়মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০ ডিসেম্বর। আর ১৯ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ৯ ডিসেম্বর ‘অনিবার্য কারণবশত’ এই কুচকাওয়াজ স্থগিত করে দেওয়া হয়।এরপর গত ৩ জানুয়ারি প্রশিক্ষণরত ৮ পুলিশ কনস্টেবলকে অব্যাহতি দিয়ে একাডেমি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রশিক্ষণরত অন্য পুলিশ কনস্টেবলেরাও আতঙ্কে ছিলেন। অবশেষে রোববার প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ হওয়ায় তারা স্বস্তি পেয়েছেন।
এদিকে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর একাডেমিতে ৮২৩ জন ক্যাডেট উপপরিদর্শকের (এসআই) এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গেল বছরের ৪ নভেম্বর প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনও প্রশিক্ষণ শেষ হয়নি। গত ২৬ নভেম্বর সমাপনী কুচকাওয়াজের জন্য দিন ঠিক করা হলেও পরে স্থগিত করে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে সম্প্রতি চার দফায় মোট ৩২১ জন ক্যাডেট এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ ডিসেম্বর ৮ জনের কাছে ব্যাখা তলবের পর তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। অব্যাহতি পাওয়া এসআইদের বিরুদ্ধে নাস্তা না খেয়ে বিশৃঙ্খলা এবং প্রশিক্ষণ চলাকালে হই চই করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ব্যাচে এখন ৫০২ জন এসআই ‘টিকে আছেন’।

এদিকে ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৭১ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারের (এএসপি) এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গেল বছরের ২০ অক্টোবর প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই প্রশিক্ষণ এখনও শেষ হয়নি। গত ২০ অক্টোবর এএসপিদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের রাতে হঠাৎ করে এই পাসিং আউট অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেওয়া হয়। এরপর ২৪ নভেম্বর আবারও সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের দিন ঠিক করা হলেও ১৮ নভেম্বর স্থগিত করা হয়। এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর ব্যাচের ৭১ এএসপির মধ্যে ২৫ জনের কাছে কৈফিয়ত তলবের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ‘প্যারেডে দৌড় না দিয়ে এলোমেলোভাবে হাঁটা’র অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের জবাব দিতে তিন দিন সময় দেওয়া হয়। এএসপিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিত জবাব দিয়েছেন। তাদের ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি।

একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে পুলিশ সদস্যরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত হন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজের সুযোগ পান। এরও এক বছর পর তাদের চাকরি স্থায়ী হয়। প্রশিক্ষণের মেয়াদ শেষেও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার এমন নজির পুলিশ একাডেমিতে এবারই প্রথম। প্রশিক্ষণ চলাকালেও একটি ব্যাচ থেকে ৩২১ জন এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অবশেষে সারদায় প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০২:৪৯:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

অবশেষে সারদায় প্রশিক্ষণার্থী কনস্টেবলদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত

সব ধরনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ১৬৭তম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১২ জানুয়ারি) সকালে পুলিশ একাডেমির প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মনোজ্ঞ প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুলিশ একাডেমির অধ্যক্ষ মাসুদুর রহমান ভূঞা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। তিনি কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরে বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী টিআরসিদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন তিনি।

এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, নবীন পুলিশ সদস্যরা তাদের কর্মক্ষেত্রে তাদের মেধা, মনন ও দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে। মাদক, সন্ত্রাস বন্ধে আইনের সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখে ন্যায়নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। মনে রাখবেন আপনারা জনগনের সেবক। তাই জনদরিদী পুলিশি দায়িত্ব পালন করে জনবান্ধব পুলিশে নিজেদের রুপান্তরিত করবেন।
সমাপনী কুচকাওয়াজে ৩৩৪ জন টিআরসি অংশ নেন। এদের মধ্যে সাজ্জাদুল ইসলাম (পিএ/৫৪৪) বেস্ট টিআরসি হিসেবে নির্বাচিত হন। এছাড়া বিষয়ভিত্তিক শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারীদের মধ্যে বেস্ট একাডেমিক হিসেবে সুমন আলী (পিএ/৫৪২), বেস্ট ইন ফিল্ড এক্টিভিটিজ এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে পৌরব চন্দ্র রায় (পিএ/১৪৫) নির্বাচিত হন। অনুষ্ঠানে কোর্স ডিরেক্টর পুলিশ সুপার তানভীর সালেহীন ইমনসহ অন্য ঊর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ২৪ জুন ৩৪৪ জন ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের ছয়মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০ ডিসেম্বর। আর ১৯ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু ৯ ডিসেম্বর ‘অনিবার্য কারণবশত’ এই কুচকাওয়াজ স্থগিত করে দেওয়া হয়।এরপর গত ৩ জানুয়ারি প্রশিক্ষণরত ৮ পুলিশ কনস্টেবলকে অব্যাহতি দিয়ে একাডেমি থেকে বের করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রশিক্ষণরত অন্য পুলিশ কনস্টেবলেরাও আতঙ্কে ছিলেন। অবশেষে রোববার প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ হওয়ায় তারা স্বস্তি পেয়েছেন।
এদিকে ২০২৩ সালের ৫ নভেম্বর একাডেমিতে ৮২৩ জন ক্যাডেট উপপরিদর্শকের (এসআই) এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গেল বছরের ৪ নভেম্বর প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখনও প্রশিক্ষণ শেষ হয়নি। গত ২৬ নভেম্বর সমাপনী কুচকাওয়াজের জন্য দিন ঠিক করা হলেও পরে স্থগিত করে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে সম্প্রতি চার দফায় মোট ৩২১ জন ক্যাডেট এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সবশেষ গত ২৯ ডিসেম্বর ৮ জনের কাছে ব্যাখা তলবের পর তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। অব্যাহতি পাওয়া এসআইদের বিরুদ্ধে নাস্তা না খেয়ে বিশৃঙ্খলা এবং প্রশিক্ষণ চলাকালে হই চই করার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই ব্যাচে এখন ৫০২ জন এসআই ‘টিকে আছেন’।

এদিকে ২০২৩ সালের ২১ অক্টোবর ৪০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৭১ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপারের (এএসপি) এক বছর মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। গেল বছরের ২০ অক্টোবর প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই প্রশিক্ষণ এখনও শেষ হয়নি। গত ২০ অক্টোবর এএসপিদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আগের রাতে হঠাৎ করে এই পাসিং আউট অনুষ্ঠান স্থগিত করে দেওয়া হয়। এরপর ২৪ নভেম্বর আবারও সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের দিন ঠিক করা হলেও ১৮ নভেম্বর স্থগিত করা হয়। এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর ব্যাচের ৭১ এএসপির মধ্যে ২৫ জনের কাছে কৈফিয়ত তলবের চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ‘প্যারেডে দৌড় না দিয়ে এলোমেলোভাবে হাঁটা’র অভিযোগ আনা হয়েছে। তাদের জবাব দিতে তিন দিন সময় দেওয়া হয়। এএসপিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিত জবাব দিয়েছেন। তাদের ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত আসেনি।

একাডেমিতে মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে পুলিশ সদস্যরা পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে সংযুক্ত হন এবং মাঠ পর্যায়ে কাজের সুযোগ পান। এরও এক বছর পর তাদের চাকরি স্থায়ী হয়। প্রশিক্ষণের মেয়াদ শেষেও প্রশিক্ষণ চালিয়ে যাওয়ার এমন নজির পুলিশ একাডেমিতে এবারই প্রথম। প্রশিক্ষণ চলাকালেও একটি ব্যাচ থেকে ৩২১ জন এসআইকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।