ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে পেঁয়াজের বাজারে নজিরবিহীন দরপতন, চরম সংকটে কৃষক সাপাহার সীমান্তে নারী-শিশুসহ ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ বড়াইগ্রামে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগাতিপাড়ার অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সামগ্রী বিক্রির বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে শেয়ালের কামড়ে শিশুসহ আহত ৯, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল: দেবীগঞ্জের পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বদলি, গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি বাগাতিপাড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা লালপুরে প্রশাসনিক জটিলতায় বিপাকে ইটভাটা শিল্প, ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজশাহীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি

রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন পছন্দ হয়নি, ‘জুলাই যোদ্ধারা’ বসে পড়লেন রেললাইনে

এম এম মামুন:
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫ ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন পছন্দ হয়নি, ‘জুলাই যোদ্ধারা’ বসে পড়লেন রেললাইনে

রাজশাহী থেকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ’ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকাগামী বিশেষ ট্রেন নিয়ে চরম অসন্তোষ ও বিক্ষোভের ঘটনায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্বে ট্রেন দুটি ছেড়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে যাত্রা করার কথা ছিল ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ ট্রেনটির। কিন্তু ট্রেনটি যাত্রা উপযোগী নয় দাবি করে প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সকাল সোয়া ৭টার দিকে তারা স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেন এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দেন। বিক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিশেষ ট্রেন পছন্দ না হওয়ায় তাঁদের একাংশ রেললাইনের ওপরে বসে পড়েন। কেউ আবার শুয়ে পড়েন। তাঁরা বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো আন্তনগর ট্রেনে করে ঢাকা যেতে চাইছিলেন। বিশেষ ট্রেনটিতে ছিল লোকাল ট্রেনের বগি। এ নিয়ে যাঁরা ট্রেনে উঠে পড়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা অন্যদের তোপের মুখে টিকতে না পেরে রেললাইন ছেড়ে দেন। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ৩৫ জন আন্দোলনকারীকে আলাদাভাবে সিল্কসিটি ট্রেনে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছাত্র-জনতার জন্য ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯১ টাকা ভাড়া দিয়ে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। এই ট্রেনে ৫৪৮টি আসন আছে। বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রীদের ওঠার কথা। রাজশাহী থেকে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ওই ট্রেনে ঢাকায় গেছেন। ট্রেনটি সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্টেশনে গিয়ে লোকাল ট্রেনের বগি দেখে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হন। তাঁরা আন্তনগর বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো ট্রেনের দাবি করেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করে, যে রকম ট্রেন দেওয়া হয়েছে, সে রকম ভাড়াই সরকারের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেন নিতে হলে আরও বেশি ভাড়া দিতে হতো। কিন্তু আন্দোলনকারীরা ওই ট্রেনে উঠতে নারাজ। তাঁরা ট্রেনের সামনে বসে পড়েন। অনেকেই শুয়ে পড়েন।

এদিকে বেশির ভাগ ছাত্র-জনতা ট্রেনের উঠে পড়েছিলেন। তাঁরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। শেষে পর্যন্ত ট্রেনে উঠে পড়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীরা পেরে ওঠেননি। তাঁরা তখন রেললাইন থেকে উঠে পাশের সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন। বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৭টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। সেটি ৮টা ১৩ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। এ কারণে সিল্কসিটি ট্রেনটিও নির্ধারিত সময় রাজশাহী থেকে ছাড়া সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি ৪৫ মিনিট বিলম্বে সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে রাজশাহী থেকে ছেড়ে যায়।
স্টেশনমাস্টার শহীদুল আলম বলেন, সরকার যেমন ভাড়া দিয়েছে, কর্তৃপক্ষ সে রকম ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। এখন তাঁদের কয়েকজন এসে আন্তনগর বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো ট্রেন দাবি করে বসলেন। এ নিয়ে ট্রেন ছাড়তে খানিকটা দেরি হয়েছে। পরে যাঁরা বিশেষ ট্রেনে যাননি, তাঁদের ৩৫ জনকে আন্তনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘সরকার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই ট্রেনগুলো নিয়েছে। তাদেরই একটি ট্রেন এটি। এটি স্থানীয়ভাবে ভাড়া করা নয়।’

ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতা আনতে আট জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে সরকার। এসব ট্রেনে করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্র-জনতাকে দুপুরের মধ্যে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। আবার কর্মসূচি শেষে এসব ট্রেনে করে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। ৮ জোড়া ট্রেনের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন পছন্দ হয়নি, ‘জুলাই যোদ্ধারা’ বসে পড়লেন রেললাইনে

আপডেট সময় : ১০:১৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহীতে বিশেষ ট্রেন পছন্দ হয়নি, ‘জুলাই যোদ্ধারা’ বসে পড়লেন রেললাইনে

রাজশাহী থেকে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ’ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকাগামী বিশেষ ট্রেন নিয়ে চরম অসন্তোষ ও বিক্ষোভের ঘটনায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় বিলম্বে ট্রেন দুটি ছেড়ে গেছে। এতে বিপাকে পড়েন যাত্রীরা। মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে যাত্রা করার কথা ছিল ‘জুলাই যোদ্ধা’দের জন্য বরাদ্দকৃত বিশেষ ট্রেনটির। কিন্তু ট্রেনটি যাত্রা উপযোগী নয় দাবি করে প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সকাল সোয়া ৭টার দিকে তারা স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নেন এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন আটকে দেন। বিক্ষোভের মুখে শেষ পর্যন্ত বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে এবং সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি ৮টা ২৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিশেষ ট্রেন পছন্দ না হওয়ায় তাঁদের একাংশ রেললাইনের ওপরে বসে পড়েন। কেউ আবার শুয়ে পড়েন। তাঁরা বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো আন্তনগর ট্রেনে করে ঢাকা যেতে চাইছিলেন। বিশেষ ট্রেনটিতে ছিল লোকাল ট্রেনের বগি। এ নিয়ে যাঁরা ট্রেনে উঠে পড়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা অন্যদের তোপের মুখে টিকতে না পেরে রেললাইন ছেড়ে দেন। পরে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ৩৫ জন আন্দোলনকারীকে আলাদাভাবে সিল্কসিটি ট্রেনে পাঠানোর ব্যবস্থা করে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছাত্র-জনতার জন্য ৪ লাখ ৮৫ হাজার ৯১ টাকা ভাড়া দিয়ে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়। এই ট্রেনে ৫৪৮টি আসন আছে। বিভিন্ন স্টেশন থেকে যাত্রীদের ওঠার কথা। রাজশাহী থেকে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী ওই ট্রেনে ঢাকায় গেছেন। ট্রেনটি সকাল ৭টা ২০ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু স্টেশনে গিয়ে লোকাল ট্রেনের বগি দেখে নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি ক্ষুব্ধ হন। তাঁরা আন্তনগর বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো ট্রেনের দাবি করেন। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করে, যে রকম ট্রেন দেওয়া হয়েছে, সে রকম ভাড়াই সরকারের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে। আন্তনগর এক্সপ্রেস ট্রেন নিতে হলে আরও বেশি ভাড়া দিতে হতো। কিন্তু আন্দোলনকারীরা ওই ট্রেনে উঠতে নারাজ। তাঁরা ট্রেনের সামনে বসে পড়েন। অনেকেই শুয়ে পড়েন।

এদিকে বেশির ভাগ ছাত্র-জনতা ট্রেনের উঠে পড়েছিলেন। তাঁরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়। শেষে পর্যন্ত ট্রেনে উঠে পড়া ব্যক্তিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীরা পেরে ওঠেননি। তাঁরা তখন রেললাইন থেকে উঠে পাশের সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে ওঠেন। বিশেষ ট্রেনটি সকাল ৭টা ২০ মিনিটে ছাড়ার কথা ছিল। সেটি ৮টা ১৩ মিনিটে রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যায়। এ কারণে সিল্কসিটি ট্রেনটিও নির্ধারিত সময় রাজশাহী থেকে ছাড়া সম্ভব হয়নি। ট্রেনটি ৪৫ মিনিট বিলম্বে সকাল ৮টা ২৫ মিনিটে রাজশাহী থেকে ছেড়ে যায়।
স্টেশনমাস্টার শহীদুল আলম বলেন, সরকার যেমন ভাড়া দিয়েছে, কর্তৃপক্ষ সে রকম ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে। এখন তাঁদের কয়েকজন এসে আন্তনগর বনলতা ও সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মতো ট্রেন দাবি করে বসলেন। এ নিয়ে ট্রেন ছাড়তে খানিকটা দেরি হয়েছে। পরে যাঁরা বিশেষ ট্রেনে যাননি, তাঁদের ৩৫ জনকে আন্তনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনে বিশেষ ব্যবস্থায় পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘সরকার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই ট্রেনগুলো নিয়েছে। তাদেরই একটি ট্রেন এটি। এটি স্থানীয়ভাবে ভাড়া করা নয়।’

ঐতিহাসিক জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে ছাত্র-জনতা আনতে আট জোড়া ট্রেন ভাড়া করেছে সরকার। এসব ট্রেনে করে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ছাত্র-জনতাকে দুপুরের মধ্যে ঢাকায় নিয়ে আসা হবে। আবার কর্মসূচি শেষে এসব ট্রেনে করে তাঁদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া হবে। ৮ জোড়া ট্রেনের জন্য প্রায় ৩০ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে। বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।