ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাবি শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে উত্তাল রাজশাহী, রেল যোগাযোগ বন্ধ ঝিনাইগাতীর লুবনা গ্রীণ ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার পঞ্চগড়ে ৩৩ বেকার যুবককে বিজিবির বৈদ্যুতিক ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ আটোয়ারী সেটেলমেন্ট অফিসে দালালের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ, হয়রানির শিকার জমির মালিকরা সংস্কারের অভাবে বেহাল রুহিয়ার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, ঝুঁকিতে কালভার্ট শেরপুর জেলা যুবদলের সভাপতি আতা, সম্পাদক শওকত ঝিনাইগাতীতে নিহত নারায়ন কোচের পরিবারকে দুধাল গাভী উপহার ভেড়ামারায় অপহরণের পর ধ/র্ষ/ণের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণীর মৃ/ত্যু মোহনপুরে মাদকবিরোধী সচেতনতা সমাবেশ, র‌্যালি ও লিফলেট বিতরণ রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্লাড কেয়ার ফাউন্ডেশনের মাসব্যাপী কর্মসূচি

চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৬২ বার পড়া হয়েছে

চাটমোহরে আবাসিক মিটারে ভূতুরে বিল

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা!

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ
চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা। পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একটি আবাসিক ভবনের মিটারে সেপ্টেম্বর মাসের ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঐ ভবনে কেউ বসবাস না করলেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫শত ৮৭ টাকা। আর ব্যবহার হয়েছে ৯০ হাজার ১ শত ৫০ ইউনিট।

বিল প্রস্তুত কারক আসমা ও এ জিএম অর্থ এর স্বাক্ষর সম্বলিত বিলটি ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা হাতে পান। কিন্তু মিটার মালিকের পরিবার জানান গত ৬ মাসে পরিবারের কোন সদস্যই থাকেন না ওই বাড়িতে। এরকম ভৌতিক বিল পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ সমিতির অফিসে নতুন কোন বিষয় না। কারো নজরদারী না থাকায় এসকল ঘটনা ঘটলেও পবিস-১ প্রশাসন নিরব ভুমিকা প্রদর্শন করে। জোর করেই দোষ চাপানো হয় গ্রাহকের ঘাড়ে। এই অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, অদক্ষ অপারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ বিল তৈরির ফলে বিদ্যুৎ বিলের কপিতে নাম, পিতার নাম, মোবাইল নং ভুলে ভরা। তারা মিটার রিডিং না করে অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেন। এ জিএম অর্থর এই বিল ক্রসচেক করার স্বাক্ষর থাকলেও তিনি কিছুই করেন না। এছাড়া মিটারে কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার দেখিয়ে বছর শেষে হাতিয়ে নেয় অবিরিক্ত টাকা। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৩ লক্ষ গ্রাহক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন না না সময়।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার অধীর কুমার সরকারের জিরো পয়েন্ট বাড়ীর ৪৭৬৬ নং হিসাবের সেপ্টেম্বর-২২ মাসের বিদ্যুৎ বিল দায়িত্বরত লোকের কাছে দিয়ে চলে যান। এসময় পরিবারের লোকজন বিদ্যুৎ বিলের পরিমান দেখে আতকে উঠেন। মিটার রিডার রেজাউলকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি দেখছি বলে এই বিলের কপিটি নিয়ে নিতে চান। পরে রাতে আবারো নতুন করে প্রিন্ট দেওয়া হয় এই বিল। সকালে এজিএম অর্থকে দিয়ে জোর পূর্বক আগের বিল নিয়ে নতুন বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন মিটার রিডার।
এসকল বিষয় নিয়ে ভূক্তোভগীসহ এলাকাবাসী চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অদক্ষ লোকবল আর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানান সমিতির সদস্যরা।

বিল প্রস্তুতকারী আসমা খাতুন ভূল স্বীকার করে জানান, মানুষই ভুল করে। কাজ করতে গেলে একটু ভুল হতেই পারে। নিউজটি না প্রকাশের জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।
এ বিষয়ে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আকমল হোসেন জানান, বিলটি কেউ ক্রসচেক করলে এমনটি হতো না। যদি কারো কোন দোষ থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা!

আপডেট সময় : ১২:১৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা!

চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধিঃ
চাটমোহরে ফাঁকা বাড়ীতে বিদ্যুৎ বিল ১১লক্ষাধিক টাকা। পাবনার চাটমোহর পৌর সদরের একটি আবাসিক ভবনের মিটারে সেপ্টেম্বর মাসের ভূতুরে বিদ্যুৎ বিল আসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঐ ভবনে কেউ বসবাস না করলেও বিদ্যুৎ বিল এসেছে ১১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫শত ৮৭ টাকা। আর ব্যবহার হয়েছে ৯০ হাজার ১ শত ৫০ ইউনিট।

বিল প্রস্তুত কারক আসমা ও এ জিএম অর্থ এর স্বাক্ষর সম্বলিত বিলটি ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তারা হাতে পান। কিন্তু মিটার মালিকের পরিবার জানান গত ৬ মাসে পরিবারের কোন সদস্যই থাকেন না ওই বাড়িতে। এরকম ভৌতিক বিল পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ সমিতির অফিসে নতুন কোন বিষয় না। কারো নজরদারী না থাকায় এসকল ঘটনা ঘটলেও পবিস-১ প্রশাসন নিরব ভুমিকা প্রদর্শন করে। জোর করেই দোষ চাপানো হয় গ্রাহকের ঘাড়ে। এই অফিসের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, অদক্ষ অপারেটর দ্বারা বিদ্যুৎ বিল তৈরির ফলে বিদ্যুৎ বিলের কপিতে নাম, পিতার নাম, মোবাইল নং ভুলে ভরা। তারা মিটার রিডিং না করে অফিসে বসেই বিদ্যুৎ বিল তৈরি করেন। এ জিএম অর্থর এই বিল ক্রসচেক করার স্বাক্ষর থাকলেও তিনি কিছুই করেন না। এছাড়া মিটারে কম বিদ্যুৎ ব্যাবহার দেখিয়ে বছর শেষে হাতিয়ে নেয় অবিরিক্ত টাকা। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রায় ৩ লক্ষ গ্রাহক ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন না না সময়।

গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মিটার রিডার কাম ম্যাসেঞ্জার অধীর কুমার সরকারের জিরো পয়েন্ট বাড়ীর ৪৭৬৬ নং হিসাবের সেপ্টেম্বর-২২ মাসের বিদ্যুৎ বিল দায়িত্বরত লোকের কাছে দিয়ে চলে যান। এসময় পরিবারের লোকজন বিদ্যুৎ বিলের পরিমান দেখে আতকে উঠেন। মিটার রিডার রেজাউলকে ডেকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি দেখছি বলে এই বিলের কপিটি নিয়ে নিতে চান। পরে রাতে আবারো নতুন করে প্রিন্ট দেওয়া হয় এই বিল। সকালে এজিএম অর্থকে দিয়ে জোর পূর্বক আগের বিল নিয়ে নতুন বিল চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন মিটার রিডার।
এসকল বিষয় নিয়ে ভূক্তোভগীসহ এলাকাবাসী চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অদক্ষ লোকবল আর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করার অনুরোধ জানান সমিতির সদস্যরা।

বিল প্রস্তুতকারী আসমা খাতুন ভূল স্বীকার করে জানান, মানুষই ভুল করে। কাজ করতে গেলে একটু ভুল হতেই পারে। নিউজটি না প্রকাশের জন্যও অনুরোধ করেন তিনি।
এ বিষয়ে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ-১ এর জেনারেল ম্যানেজার মোঃ আকমল হোসেন জানান, বিলটি কেউ ক্রসচেক করলে এমনটি হতো না। যদি কারো কোন দোষ থাকে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।