শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলায় ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে
- আপডেট সময় : ০৮:১৪:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে ১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারির মামলায় ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে
মোহাম্মদ দুদু মল্লিক, শেরপুর প্রতিনিধিঃ
শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ জন বিসিআইসি সার ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শেরপুরের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির আত্মসমর্পণকারী আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। পরে বিকেলে তাদের জেলা কারাগারে নেওয়া হয়। বিষয়টি আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রেও প্রতিফলিত হয়েছে।
কারাগারে পাঠানো ব্যক্তিরা হলেন, বিসিআইসি সার ডিলার ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলারদের পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই শেরপুর সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সরকারি বরাদ্দের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে ১৫ জন সার ডিলারসহ মোট ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, অধিক মুনাফার আশায় সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এতে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং কৃষকদের সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
মামলার তদন্তে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার বিক্রির রেজিস্টার, ক্যাশ মেমো ও অন্যান্য নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে অনিয়মের প্রাথমিক তথ্য পাওয়ার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে এ ঘটনায় ১৫ ডিলার ও তাদের পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছিল কৃষি বিভাগ।
এর আগে আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মঙ্গলবার তারা শেরপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
শেরপুর জেলা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



















