ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নলডাঙ্গায় হ/ত্যাচেষ্টার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেপ্তার, চাপাতি উদ্ধার নলডাঙ্গায় হালতি বিলের অভয়াশ্রমে মাছ শিকার, ২৬ জনকে জরিমানা শাজাহানপুরে মুড়ি কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা, ধ্বংস ১০০ কেজি শিল্প লবণ রাআইকন ২০২৬-এর এইচটিএ প্রদর্শনীতে চ্যাম্পিয়ন বাউয়েটের টিম রেজিলিক্স পুঠিয়ায় হরিচাঁদ মিঠাই ভান্ডারের পঞ্চম শাখার উদ্বোধন ঝিনাইগাতীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ৪০ পরিবার পেল ঢেউটিন রাণীনগরে গণছিনতাই: দুইজন গ্রেপ্তার, হাসুয়া-মোবাইল-টাকা উদ্ধার রাণীনগরে ‘ভুয়া কাজী’ আখ্যা দিয়ে সংবাদ সম্মেলন, পাল্টা দাবি মোজাফ্ফরের নাটোরে ট্রাক-অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সং:/র্ষে অ্যাম্বুলেন্স চালক নিহত শ্রীবরদীতে নি/খোঁজ যুবকের ম/রদেহ পুকুরে, সঙ্গী যুবক আটক

মোহনপুরে কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কাজের কিছুদিনেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ইট

এম এম মামুনঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬ ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

Mohonpur road news

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোহনপুরে কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কাজের কিছুদিনেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ইট

রাজশাহীর মোহনপুরে কাবিখা, কাবিটা (খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ) এবং টিআর প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে অনেক প্রকল্পেই মানসম্মত কাজ হয়নি। ফলে কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার ইট উঠে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে রাস্তা দেবে গিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের একটি কাবিটা প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বাকশিমইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সইপাড়া আবুলের ভিটা থেকে বাক্কারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও ইট সোলিংয়ের জন্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সভাপতি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণে পর্যাপ্ত মাটি ও বালির ব্যবহার না করে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করায় অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশ দেবে গেছে এবং ইট উঠে যেতে শুরু করেছে। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নাম, বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন কমিটির তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের কথা থাকলেও অনেক প্রকল্পে কাজ শেষ হওয়ার পর সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি অভিযোগ করেন, প্রথম কিস্তির বিল উত্তোলনের সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে প্রতি লাখে ১০ হাজার টাকা এবং কম্পিউটার অপারেটরকে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করেননি।

এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল বলেন, প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অধিকাংশ প্রকল্পের বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনেক প্রকল্পে ত্রুটি ধরা পড়েছে। যেসব প্রকল্পে সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর কাজ পুনরায় সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিল দেওয়া হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোহনপুরে কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কাজের কিছুদিনেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ইট

আপডেট সময় : ০৪:২১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মোহনপুরে কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, কাজের কিছুদিনেই উঠে যাচ্ছে রাস্তার ইট

রাজশাহীর মোহনপুরে কাবিখা, কাবিটা (খাদ্যশস্য ও নগদ অর্থ) এবং টিআর প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যাপক অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হলেও বাস্তবে অনেক প্রকল্পেই মানসম্মত কাজ হয়নি। ফলে কাজ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার ইট উঠে যাচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে রাস্তা দেবে গিয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি মোহনপুর উপজেলার বাকশিমইল ইউনিয়নের একটি কাবিটা প্রকল্প পরিদর্শনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় বাকশিমইল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সইপাড়া আবুলের ভিটা থেকে বাক্কারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার ও ইট সোলিংয়ের জন্য ৫ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পটির সভাপতি ছিলেন স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা নির্মাণে পর্যাপ্ত মাটি ও বালির ব্যবহার না করে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করায় অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তার বিভিন্ন অংশ দেবে গেছে এবং ইট উঠে যেতে শুরু করেছে। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।

এছাড়া সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নাম, বরাদ্দ ও বাস্তবায়ন কমিটির তথ্যসংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপনের কথা থাকলেও অনেক প্রকল্পে কাজ শেষ হওয়ার পর সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন প্রকল্প সভাপতি অভিযোগ করেন, প্রথম কিস্তির বিল উত্তোলনের সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে প্রতি লাখে ১০ হাজার টাকা এবং কম্পিউটার অপারেটরকে ২ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। তবে এ অভিযোগের পক্ষে তারা কোনো প্রামাণ্য তথ্য উপস্থাপন করেননি।

এ বিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি সদস্য মো. মোস্তফা কামাল বলেন, প্রকল্পের নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়েছে।

অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অধিকাংশ প্রকল্পের বিল এখনো পরিশোধ করা হয়নি। অনেক প্রকল্পে ত্রুটি ধরা পড়েছে। যেসব প্রকল্পে সমস্যা রয়েছে, সেগুলোর কাজ পুনরায় সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বিল দেওয়া হবে না।