সীতাকুণ্ডে শ্বা’সনালী কা/টা অবস্থায় উদ্ধার ৭ বছরের শিশু ইরার মৃ/ত্যু, গ্রেপ্তার ১
- আপডেট সময় : ০৪:২৬:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬ ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

সীতাকুণ্ডে শ্বা’সনালী কা/টা অবস্থায় উদ্ধার ৭ বছরের শিশু ইরার মৃ/ত্যু, গ্রেপ্তার ১
সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত; বিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলার স্বীকারোক্তি পুলিশের কাছে
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পাহাড়ি এলাকা থেকে শ্বাসনালী কাটা অবস্থায় উদ্ধার সাত বছরের শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। মঙ্গলবার ভোরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এ তার মৃত্যু হয়।
পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত বাবু শেখ (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে সীতাকুণ্ড মডেল থানা-য় আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুর ১২টার দিকে সীতাকুণ্ডের কুমিরা ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবুর বাড়ি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মধ্য পুলুপাড়া গ্রামে। তিনি কুমিরা এলাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
নিহত জান্নাতুল নাইমা ইরা কুমিরা ইউনিয়নের মাস্টাপাড়ার মনিরুল ইসলাম ও রোকেয়া বেগম দম্পতির মেয়ে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নাজির আহমেদ খান জানান, জিজ্ঞাসাবাদে বাবু স্বীকার করেছে যে, শিশুটির পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব বিরোধ ছিল। প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করে গত রোববার সকালে বাড়ির পাশ থেকে চকলেট কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে নিয়ে যায়। বাসে করে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে সীতাকুণ্ড বাস স্ট্যান্ডে নামিয়ে পরে হেঁটে সীতাকুণ্ড বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ইকোপার্ক-এর ভেতর ৩-৪ কিলোমিটার দূরের পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যায়।
সেখানে ধর্ষণের চেষ্টা করলে শিশুটি চিৎকার করে এবং ঘটনা জানিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ সময় ছুরি দিয়ে তার গলায় আঘাত করে বাবু। পরে মৃত ভেবে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় পাহাড়ি সড়ক দিয়ে নামার সময় স্থানীয় শ্রমিকরা শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ইকোপার্কের সিসিটিভি ক্যামেরায় শিশুটির হাত ধরে বাবু শেখকে হেঁটে যেতে দেখা যায়। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ তাকে শনাক্ত করে আটক করে।
পুলিশ জানায়, গত রোববার শিশুটির মা অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। শিশুটির মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হবে এবং বাবুকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

















