ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী পুতুল তেঁতুলিয়ায় ৫৮ বস্তা অবৈধ সার জব্দ, জরিমানা ৪৫ হাজার টাকা রায়গঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে ২০০ গাছের চারা বিতরণ পঞ্চগড়ে প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্র পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক, শিশুদের সঙ্গে কাটালেন সময় রাণীশংকৈলে তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কমিউনিটি আউটরিচ প্রোগ্রাম বগুড়ার শেরপুরে দুই বেকারিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সামাজিক নিরাপত্তার সুবিধা পেতে প্রকৃত যোগ্যদের অগ্রাধিকার দিতে হবে- পুতুল লালপুরে পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, তিনজনের কারাদণ্ড পঞ্চগড়ে এমপি-প্রতিমন্ত্রীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ১৫ রামেকে ডেঙ্গুতে তরুণের মৃত্যু, একদিনে ভর্তি ২১

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার ও রাকসু জিএসের উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

এম এম মামুনঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার ও রাকসু জিএসের উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার-এর মধ্যে উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। রাতে সেই বাগ্‌বিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সূত্র জানায়, জরুরি কাজে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে যান রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, রেজিস্ট্রার ‘বিএনপি নেতা’দের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। এরপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করে ফাইল সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

আম্মার অভিযোগ করেন, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের একটি ফাইল উপাচার্যের স্বাক্ষরের পরও রেজিস্ট্রার দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি বিষয়টি জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ও তাকে “গেট আউট” বলে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।
তিনি দাবি করেন, রেজিস্ট্রার নিয়মিতভাবেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ওইদিনও তাঁকে তেড়ে আসেন।

অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ বলেন, “চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল কার্যকর করার কাজ চলছিল। সেই সময় এনসিপি রাজশাহী মহানগরের নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। আম্মার অপেক্ষা না করে হঠাৎ ঢুকে পড়ে ও অশোভন আচরণ করে।”
তিনি আরও বলেন, “রাকসুর জিএসের এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ভিডিওতে তার অশালীন আচরণের প্রমাণ রয়েছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক মোবাশ্বের রাজ জানান, “সৌজন্য সাক্ষাতের সময় বিএনপির কেউ সেখানে ছিল না। পিএস ভুলবশত আমাদের বিএনপি ভেবেছিল, এখান থেকেই ভুল-বোঝাবুঝি শুরু হয়।”

এদিকে, রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “আম্মার ও শিক্ষক একে অপরকে ধমকাচ্ছেন, কিন্তু সেখানে বিএনপির কেউ ছিল না। বিএনপির নাম টেনে বিভ্রান্তি ছড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার ও রাকসু জিএসের উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ০২:২৮:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রেজিস্ট্রার ও রাকসু জিএসের উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার-এর মধ্যে উত্তপ্ত বাগ্‌বিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৯ নভেম্বর) দুপুরে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। রাতে সেই বাগ্‌বিতণ্ডার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সূত্র জানায়, জরুরি কাজে রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে যান রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, রেজিস্ট্রার ‘বিএনপি নেতা’দের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত। এরপর তিনি ভেতরে প্রবেশ করে ফাইল সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়।

আম্মার অভিযোগ করেন, চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের একটি ফাইল উপাচার্যের স্বাক্ষরের পরও রেজিস্ট্রার দপ্তরে আটকে রাখা হয়েছিল। তিনি বিষয়টি জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার উত্তেজিত হয়ে ওঠেন ও তাকে “গেট আউট” বলে কক্ষ থেকে বের হয়ে যেতে বলেন।
তিনি দাবি করেন, রেজিস্ট্রার নিয়মিতভাবেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ওইদিনও তাঁকে তেড়ে আসেন।

অধ্যাপক ড. ইফতেখারুল আলম মাসউদ বলেন, “চিকিৎসা মনোবিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল কার্যকর করার কাজ চলছিল। সেই সময় এনসিপি রাজশাহী মহানগরের নেতারা সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। আম্মার অপেক্ষা না করে হঠাৎ ঢুকে পড়ে ও অশোভন আচরণ করে।”
তিনি আরও বলেন, “রাকসুর জিএসের এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ভিডিওতে তার অশালীন আচরণের প্রমাণ রয়েছে।”

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজশাহী মহানগর আহ্বায়ক মোবাশ্বের রাজ জানান, “সৌজন্য সাক্ষাতের সময় বিএনপির কেউ সেখানে ছিল না। পিএস ভুলবশত আমাদের বিএনপি ভেবেছিল, এখান থেকেই ভুল-বোঝাবুঝি শুরু হয়।”

এদিকে, রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, “আম্মার ও শিক্ষক একে অপরকে ধমকাচ্ছেন, কিন্তু সেখানে বিএনপির কেউ ছিল না। বিএনপির নাম টেনে বিভ্রান্তি ছড়ানো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”