ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পূজার মৌসুমেও মন্দা জামনগরের শাঁখার ব্যবসায়, দুশ্চিন্তাই শাঁখারী পল্লীর কারিগররা দফা বাড়তে বাড়তে এক দফা কেন, প্রশ্ন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দেশকে মরুভূমির হাত থেকে রক্ষায় খাল খননের উদ্যোগ- পানি প্রতিমন্ত্রী নাটোরে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা ও র‌্যালি লালপুরে নিজ ঘর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার নলডাঙ্গায় মাদকবিরোধী অভিযানে জুনিয়র জাতীয় ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় অর্ণব গ্রেপ্তার পঞ্চগড়ে ২২৮ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর মধ্যে টিফিন বাটি বিতরণ রাণীশংকৈলে নারী ও কন্যাশিশুর সুরক্ষায় র‌্যালি, আলোচনা ও পুরস্কার বিতরণ বাগাতিপাড়ায় পাওয়ার টিলারের বকেয়া আদায়ে মাইকিং করে ‘হালখাতা’ লালপুরে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ দুইজন আটক, একজনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা

পঞ্চগড়ে এখনো জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা

উমর ফারুক, পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫ ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে এখনো জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা

আর মাত্র ঈদের তিন দিন বাকি। তিনদিন পরেই আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিমদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব এটি। মুসলমানদের জন্য পবিত্র ও আনন্দের দিন ঈদুল আজহা। যে কোনো উৎসবে নতুন পোশাকের চাহিদা থাকে সবারই। এই ঈদে পশু কোরবানি দিতেই বেশি টাকা ব্যয় করা হয়ে থাকে। তবে পরিবারের সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী শপিং করা হয়ে থাকে। তবে ঈদের আর খুব বেশি সময় না থাকলেও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শপিংমলে নেই ক্রেতার চাপ।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, এবারের ঈদে বেচাকেনা একেবারেই প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। টানা বৃষ্টির কারণে গত দুইদিন শপিংমলে ছিল না তেমন ক্রেতা উপস্থিতি। এতে করে বিপাকে পড়েছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। পঞ্চগড়ের বেশ কয়েকটি শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, কোনো দোকানেই তেমন ভিড় নেই। সাধারণ সময়ের মতোই ক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়। বিভিন্ন শপিং মলে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবুও বিক্রি বাড়েনি। দোকানিরা জানান, ঈদুল আজহার সময় সাধারণত ঈদুল ফিতরের তুলনায় কেনাকাটার চাপ কম থাকে। কোরবানির খরচ মাথায় রেখে অনেকেই পোশাক বা অন্যান্য পণ্যে অতিরিক্ত খরচ করতে চান না। তবে এ বছর সেই প্রবণতাও আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

একজন ক্রেতা তার চার বছরের মেয়ের জন্য জামা কিনতে আসেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য কী কিনেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রোজার ঈদে সবার জন্য কিনেছি। এখন তো আবার সবার জন্য বাজেট করা যাবে না। সংসারের খরচ যেভাবে বেড়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম অবস্থা। ঈদে যে বোনাস পেয়েছি তা কোরবানি দিতে আর বাড়িতে যাওয়া-আসায় শেষ হয়ে যাবে।’ এক দোকানের কর্মচারী বলেন, ‘এই মার্কেটে বেচা-বিক্রি তেমন নেই। একসময় খুব ভালো বিক্রি হলেও এখন তেমন একটা হয় না। তাছাড়া এমনিতেও কোরবানির ঈদে রোজার ঈদের মতো বিক্রি হয় না।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে এখনো জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা

আপডেট সময় : ০৪:০৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

পঞ্চগড়ে এখনো জমে ওঠেনি ঈদের কেনাকাটা

আর মাত্র ঈদের তিন দিন বাকি। তিনদিন পরেই আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলিমদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব এটি। মুসলমানদের জন্য পবিত্র ও আনন্দের দিন ঈদুল আজহা। যে কোনো উৎসবে নতুন পোশাকের চাহিদা থাকে সবারই। এই ঈদে পশু কোরবানি দিতেই বেশি টাকা ব্যয় করা হয়ে থাকে। তবে পরিবারের সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী শপিং করা হয়ে থাকে। তবে ঈদের আর খুব বেশি সময় না থাকলেও পঞ্চগড়ের বিভিন্ন শপিংমলে নেই ক্রেতার চাপ।

বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, এবারের ঈদে বেচাকেনা একেবারেই প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। টানা বৃষ্টির কারণে গত দুইদিন শপিংমলে ছিল না তেমন ক্রেতা উপস্থিতি। এতে করে বিপাকে পড়েছেন দোকান মালিক ও কর্মচারীরা। পঞ্চগড়ের বেশ কয়েকটি শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, কোনো দোকানেই তেমন ভিড় নেই। সাধারণ সময়ের মতোই ক্রেতার উপস্থিতি দেখা যায়। বিভিন্ন শপিং মলে ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়াতে বড় ছাড় দেওয়া হয়েছে। তবুও বিক্রি বাড়েনি। দোকানিরা জানান, ঈদুল আজহার সময় সাধারণত ঈদুল ফিতরের তুলনায় কেনাকাটার চাপ কম থাকে। কোরবানির খরচ মাথায় রেখে অনেকেই পোশাক বা অন্যান্য পণ্যে অতিরিক্ত খরচ করতে চান না। তবে এ বছর সেই প্রবণতাও আরও প্রকট হয়ে উঠেছে।

একজন ক্রেতা তার চার বছরের মেয়ের জন্য জামা কিনতে আসেন। পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য কী কিনেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রোজার ঈদে সবার জন্য কিনেছি। এখন তো আবার সবার জন্য বাজেট করা যাবে না। সংসারের খরচ যেভাবে বেড়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতেই হিমশিম অবস্থা। ঈদে যে বোনাস পেয়েছি তা কোরবানি দিতে আর বাড়িতে যাওয়া-আসায় শেষ হয়ে যাবে।’ এক দোকানের কর্মচারী বলেন, ‘এই মার্কেটে বেচা-বিক্রি তেমন নেই। একসময় খুব ভালো বিক্রি হলেও এখন তেমন একটা হয় না। তাছাড়া এমনিতেও কোরবানির ঈদে রোজার ঈদের মতো বিক্রি হয় না।’