বিয়ের প্রলোভনে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে রেস্টুরেন্ট মালিক!
- আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২৫ বার পড়া হয়েছে

বিয়ের প্রলোভনে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে রেস্টুরেন্ট মালিক!
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
বিয়ের প্রলোভনে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ করে রেস্টুরেন্ট মালিক! নাটোরের গুরুদাসপুরে বিয়ের প্রলোভনে দশম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে সাইফুল ইসলাম নামের ৪৫ বছর বয়সী এক রেস্টুরেন্ট মালিকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয়রা।
রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার পৌর সদরের চাঁচকৈড় বাজারে এ ঘটনা ঘটে। আটকৃত সাইফুল ইসলাম কাচারিপাড়া মহল্লার মৃত-মহির উদ্দিন মোল্লার ছেলে এবং চাঁচকৈড় বাজারের কুটুমবাড়ি রেস্টুরেন্টের পরিচালক। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর খালু বাদি হয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।
স্কুল ছাত্রীর খালু মনিরুজ্জামান বলেন, গুরুদাসপুর পৌরসভার কর্মকার পাড়ায় তার ভাইরার বাড়ি। চাঁচকৈড় বাজারে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলামের কুটুমবাড়ি নামে একটি রেস্টুরেন্ট আছে। তার ভাইরার মেয়ে পৌরশহরের একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। রেস্টুরেন্টে মাঝে মাঝে খেতে যেতো সে। সেখান থেকেই রেস্টুরেন্ট মালিক সাইফুলের সাথে সক্ষতা তৈরি হয় স্কুল তার। পরবর্তীতে বিয়ের কথা বলে তার ভাইরার মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে সাইফুল। মাঝে মাঝে নগদ টাকা, নতুন পোষাক উপহারও দিতো সে। সাইফুল বিয়ের কথাবার্তা বলার জন্য চলতি বছরের গত জুলাই মাসের ৩০ তারিখে চাঁচকৈড় শ্রমিক অফিসের দ্বোতলায় ডেকে নেয় স্কুল ছাত্রীকে। কথা বলার একপর্যায় সাইফুল জোড়পুর্বক তার ভাইরার মেয়েকে ধর্ষণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ সেপ্টেম্বর রোববার সকালে শ্রমিক অফিসের দ্বোতলায় সাইফুল তার ভাইরার মেয়েকে ডেকে পুনরায় ধর্ষণ করার জন্য চেষ্টা করলে দুজনের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। একপর্যায় স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে সাইফুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। সাইফুল ইসলামের কঠোর বিচার দাবি করেন মনিরুজ্জামান।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাঃ মনোয়ারুজ্জামান জানান, সকালে খবর পেয়ে পুলিশ সাইফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর খালু মনিরুজ্জামান থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করলে ওই মামলায় সাইফুলকে আটক দেখিয়ে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়।






















