চট্টগ্রাম ওপেন তায়কোয়ানডোতে রাজশাহী দোজাংয়ের ১২ পদক জয়
- আপডেট সময় : ০৮:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম ওপেন তায়কোয়ানডোতে রাজশাহী দোজাংয়ের ১২ পদক জয়
নিউজ ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম ওপেন তায়কোয়ানডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এ দারুণ সাফল্য অর্জন করেছে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাং। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বয়স শ্রেণিতে অংশ নিয়ে পুরুষ ও নারী বিভাগে মোট ১২টি পদক জিতেছে দলটি। এর মধ্যে রয়েছে ৬টি স্বর্ণ ও ৬টি রৌপ্য পদক।
চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার (সিজেকেএস) জিমনেসিয়ামে দুই দিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সহযোগিতায় আয়োজিত টুর্নামেন্টে দেশের সাত জেলার ২৯টি ক্লাবের ৪৮০ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেন।
পুরুষ বিভাগে তিনটি স্বর্ণ ও তিনটি রৌপ্য
পুরুষ বিভাগে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের খেলোয়াড়েরা একাধিক ইভেন্টে পদক জিতেছেন। অনূর্ধ্ব-৭ বয়স শ্রেণিতে প্রিন্স আদনান একক পুমসে ও কিওরোগী-উভয় ইভেন্টেই স্বর্ণপদক অর্জন করেন।
অনূর্ধ্ব-৯ বয়স শ্রেণিতে আহনাফ ইসলাম কিওরোগীতে স্বর্ণ এবং একক পুমসেতে রৌপ্যপদক জেতেন। অন্যদিকে, অনূর্ধ্ব-১৪ বয়স শ্রেণিতে মো. আবির আহমেদ পরশ একক পুমসেতে স্বর্ণ ও কিওরোগীতে রৌপ্যপদক অর্জন করেন।
নারী বিভাগেও ছয় পদক
নারী বিভাগেও সাফল্য ধরে রেখেছে রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের খেলোয়াড়েরা। অনূর্ধ্ব-৭ বয়স শ্রেণিতে ফাহমিদা হক ইরা একক পুমসে ও কিওরোগী-দুই ইভেন্টেই স্বর্ণপদক জয় করেন।
অনূর্ধ্ব-১৭ বয়স শ্রেণিতে মারিন আশরাফী একক পুমসেতে স্বর্ণ এবং কিওরোগীতে রৌপ্যপদক অর্জন করেন। এ ছাড়া অনূর্ধ্ব-১৪ বয়স শ্রেণিতে জাফরিন জারা একক পুমসে ও কিওরোগী-উভয় ইভেন্টে রৌপ্যপদক জেতেন।
উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিরা
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিজেকেএস অ্যাডহক কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন এবং পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল নোমান।
দুই দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার ফাইনাল শেষে সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান ইসরাফিল খসরু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ তায়কোয়ানডো ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল ইসলাম রানা।
রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের এ অর্জনে কোচ, খেলোয়াড় ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।

























