রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বিএনপি নেতাকে জরিমানা
- আপডেট সময় : ০৮:৩২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীতে আ.লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা: বিএনপি নেতাকে জরিমানা
এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড
রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় বিএনপির এক নেতাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাকে এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক মো. সাদ্দাম হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সাজ্জাদ হোসেন রাজশাহী নগরীর বেলুয়া খোলাবোনা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি হরিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৩ আগস্ট রাজশাহী মহানগরীর দামকুড়া থানায় সাজ্জাদ হোসেন একটি মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন কসবা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং অস্ত্রের মুখে হুমকি ও মারধর করা হয়।
এ মামলায় হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলে রেজভী আল হাসান মুঞ্জিল, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান বাদলসহ ১৩ জনকে আসামি করা হয়।
তবে আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণে দেখা যায়, ঘটনার দিন অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সাজ্জাদ হোসেন রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী ছিলেন। ফলে তার দায়ের করা মামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের আদালত পরিদর্শক আব্দুর রফিক জানান, ঘটনার সময় কারাগারে অবস্থান করেও বাইরে হামলার অভিযোগ এনে মামলা করায় আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে জরিমানা করেছেন। এছাড়া এ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করা দুই আসামিকে জরিমানার অর্থ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, সাত দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে ব্যাংক চালানের কপি জমা দিতে হবে। অন্যথায় বাদীকে এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
এ বিষয়ে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, আদালতের রায়ে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে কারাভোগ করতে হবে। তিনি স্বীকার করেন, ঘটনার সময় তিনি কারাগারে ছিলেন এবং বিষয়টি তার মনে না থাকায় মামলা করেছিলেন।




















