রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের
- আপডেট সময় : ০৪:৩৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬ ১৫১ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের
রাজশাহীতে এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে বক্তব্য; সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়নের দাবি
রাজশাহীতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজশাহীর টিটিসি মাঠে আয়োজিত এনসিপির বিভাগীয় ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “আমরা ১২ মার্চের জন্য অপেক্ষা করছি। ওই দিন সংসদের অধিবেশন রয়েছে। আমরা শুনছি সেখানে ফ্যাসিস্টের দোসররা বক্তব্য দেবে। কিন্তু আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই—কোনো ফ্যাসিস্টের দোসরের বক্তব্য শোনার জন্য আমরা সংসদে যাচ্ছি না।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ এই নির্বাচনে সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছে। সেই সংস্কার বাস্তবায়নের জন্যই আমরা ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে যাচ্ছি। উচ্চকক্ষ গঠন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনসহ সংস্কারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতেই সংসদে যাব।”
ঢাকা-১১ আসনের এই সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, “অবিলম্বে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তারের আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। গণভোটে পাওয়া ‘হ্যাঁ’ রায়ের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।”
ইফতার অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী, সারজিস আলম, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহসম্পাদক শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক।
এনসিপির রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন-এর সভাপতিত্বে এবং মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মোবাশ্বের আলী-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাইন উদ্দিন, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মাহিন সরকার, তাহসিন রিয়াজ, সাইফ মুস্তাফিজ, যুবশক্তির আহ্বায়ক তারিকুল ইসলাম এবং নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিভাগের আট জেলার এনসিপি, যুবশক্তি ও নারীশক্তির প্রায় দুই হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।



















