ঢাকা ০৭:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নলডাঙ্গায় বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ ও যৌন উত্তেজক ওষুধ জব্দ, ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতাকে জরিমানা বাগাতিপাড়ায় গৃহবধূকে সং/ঘব/দ্ধ ধ/র্ষ/ণ মামলার প্রধান আসামি আসলাম গ্রেপ্তার মান্দায় দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ঐচ্ছিক তহবিলের অর্থ বিতরণ গোদাগাড়ীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন রাণীশংকৈলে ট্রাক্টরের ধাক্কায় স্কুল শিক্ষার্থী রাণী নিহত, চালক আটক বাগাতিপাড়ায় ৩০ জুনের মধ্যে রোপণ হবে সাড়ে ১২ হাজার চারা রাজশাহীতে ছিনতাই মামলার মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ রায়গঞ্জে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাণীনগরে মেধা ও বিজ্ঞান উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত লালপুরে তিনটি গাঁজার গাছ উদ্ধার, মাদক আইনে মামলা

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়:
  • আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

২০২৬ সালের নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—পঞ্চগড়ে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আগামী ২০২৬ সালের নির্বাচনই হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ধাপ। আগামীর নির্বাচন নির্ধারণ করবে—আমরা কি ২০২৬ থেকে পিছনের দিকে ফিরে যাবো, নাকি আবার গণঅভ্যুত্থানের মতো সামনের দিকে এগিয়ে একটি ন্যায্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাবো।”

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে বলেন, “চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি না? দখলদারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে কি না? মিথ্যা মামলা বাণিজ্য, হুমকি ও হয়রানির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নেবো কি না?”

তিনি বলেন, এই লড়াই মূলত চব্বিশের গণআন্দোলনকে পূর্ণতা দেওয়ার লড়াই। “যারা দিনের বেলা মানুষের পক্ষে কথা বলে আর রাতের আঁধারে মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ করে নেয়—তাদের বয়কট করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আর রাতে দলীয় চাটুকার বসিয়ে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে, যারা নির্বাচনের আগে দু’মাস জনদরদি আর পরে সাড়ে চার বছর হারিকেন জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না—তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান।”

শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন, “যারা শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিকই বানিয়ে রাখে, অথচ নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে পাঠায়—এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বলে কিন্তু গোপনে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে—তাদের বিরুদ্ধেও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার মহান আল্লাহ আমাদের সামনে এমন একটি সুযোগ এনে দিয়েছেন। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কি না, আমরা জানি না। তাই এই আমানতের যেন কোনো খেয়ানত না হয়।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া, রূপসা থেকে পাটুরিয়া—এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারে একটাই ধ্বনি উঠবে—১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

আপডেট সময় : ০৩:২৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আগামীর দেশ হবে ১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ : সারজিস আলম

২০২৬ সালের নির্বাচন কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ—পঞ্চগড়ে নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, “আগামী ২০২৬ সালের নির্বাচনই হবে আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।”

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম বলেন, “চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান ছিল বাংলাদেশ গড়ার প্রথম ধাপ। আগামীর নির্বাচন নির্ধারণ করবে—আমরা কি ২০২৬ থেকে পিছনের দিকে ফিরে যাবো, নাকি আবার গণঅভ্যুত্থানের মতো সামনের দিকে এগিয়ে একটি ন্যায্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই চালিয়ে যাবো।”

তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন তুলে বলেন, “চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে কি না? দখলদারদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো হবে কি না? মিথ্যা মামলা বাণিজ্য, হুমকি ও হয়রানির রাজনীতির বিরুদ্ধে আমরা অবস্থান নেবো কি না?”

তিনি বলেন, এই লড়াই মূলত চব্বিশের গণআন্দোলনকে পূর্ণতা দেওয়ার লড়াই। “যারা দিনের বেলা মানুষের পক্ষে কথা বলে আর রাতের আঁধারে মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ করে নেয়—তাদের বয়কট করতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “যারা দিনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে আর রাতে দলীয় চাটুকার বসিয়ে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে, যারা নির্বাচনের আগে দু’মাস জনদরদি আর পরে সাড়ে চার বছর হারিকেন জ্বালিয়েও খুঁজে পাওয়া যায় না—তাদের বিরুদ্ধেই আমাদের অবস্থান।”

শ্রমিকদের প্রসঙ্গ টেনে সারজিস আলম বলেন, “যারা শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিকই বানিয়ে রাখে, অথচ নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে পাঠায়—এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে।”

তিনি বলেন, “যারা প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বলে কিন্তু গোপনে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে—তাদের বিরুদ্ধেও জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

বক্তব্যের শেষদিকে তিনি বলেন, “স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার মহান আল্লাহ আমাদের সামনে এমন একটি সুযোগ এনে দিয়েছেন। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কি না, আমরা জানি না। তাই এই আমানতের যেন কোনো খেয়ানত না হয়।”

তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “টেকনাফ থেকে তেতুঁলিয়া, রূপসা থেকে পাটুরিয়া—এক লক্ষ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারে একটাই ধ্বনি উঠবে—১০ দলীয় ঐক্যমতের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।”