কার্ড দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করা আচরণবিধির লঙ্ঘন—পঞ্চগড়ে সারজিস আলম
- আপডেট সময় : ০২:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬ ১৯২ বার পড়া হয়েছে

কার্ড দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করা আচরণবিধির লঙ্ঘন—পঞ্চগড়ে সারজিস আলম
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মূখ্য সংগঠকের
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কার্ড দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করে ভোট চাইছেন, যা নির্বাচন আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন—এমন অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক ও পঞ্চগড়-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
সারজিস আলম বলেন, “বিএনপি বেগম খালেদা জিয়ার শোকবার্তার নামে যে লিফলেট ঘরে ঘরে বিতরণ করেছে, সেটি মূলত সহানুভূতি আদায় করে ভোট চাওয়ার আরেকটি কৌশল। বিষয়টি নিয়ে আমরা অভিযোগ করিনি। কিন্তু গতকাল কড়াইল বস্তিতে একটি অনুষ্ঠানে তারেক রহমান একটি তথাকথিত কার্ড দেখিয়ে বলছেন—এটা দিয়ে এই হবে, সেটা দিয়ে সেই হবে। এটি নির্বাচন আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।”
তিনি বলেন, “একজন দলীয় প্রধানের এভাবে এমন একটি কার্ড দেখিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করার অধিকার নেই, যার কোনো বাস্তব অস্তিত্ব নেই এবং তারা আদৌ সরকার গঠন করতে পারবে কি না—তারও নিশ্চয়তা নেই। এরপরও তিনি এভাবে ভোট চাইছেন।”
সারজিস আলম আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা ভোটার ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হুমকি দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “ভয়ের রাজনীতি এই বাংলাদেশে আর চলবে না। এক বছর চার মাস আগে এই দমন-পীড়নের রাজনীতির পরিণতি দেশ দেখেছে।”
তিনি জানান, এ বিষয়ে তারা মৌখিকভাবে অভিযোগ দিয়েছেন এবং প্রয়োজনে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হবে। “ভোট চাইতে পারি, কিন্তু না দিলে দেখে নেব—এ ধরনের ভাষা আমরা কোনোভাবেই প্রত্যাশা করি না,” বলেন তিনি।
সারজিস আলম বলেন, “ছোটখাটো রাজনৈতিক দলের সামান্য আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে আমরা অভিযোগ করিনি। কিন্তু যদি ভোটার, আমাদের কর্মী-সমর্থক কিংবা ১০ দলীয় জোটের কাউকে ভয় দেখানো হয়, তাহলে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বাধ্য হব।”
তিনি আরও বলেন, “একটি দল দমন-পীড়ন করবে আর অন্যরা নাটক দেখবে—সে সময় শেষ। বিএনপির যে কার্ড দিয়ে তেল, চাল, ডাল দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে কি জনগণকে অক্ষম করে রাখার পরিকল্পনা করা হচ্ছে? আমরা একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই এবং সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”



















