ঢাকা ০৬:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঠাকুরগাঁওয়ে বুকসমান পানি পেরিয়ে সন্তানের কাঁধে মায়ের লাশ, সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার ঝড় নাটোরে সরকারি গাড়িচালক সমিতির বার্ষিক বনভোজন ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালপুরে নিজের ক/ন্যাশি’শুকে ধ র্ষ ণে র অভিযোগে বাবা আটক! নলডাঙ্গার পাটুলে চার্জার গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ, প্রাণ গেল মোটরসাইকেল চালকের তিন মাস ধরে অচল রামেকের সিটি স্ক্যান মেশিন, চরম ভোগান্তিতে রোগীরা করতোয়া নদীতে নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির বরকলে ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী বাগাতিপাড়ায় ৩৬৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার আটোয়ারীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে কালীমন্দিরে ভাঙচুর, সাম্প্রদায়িক গুজব ছড়ানোর অভিযোগ আসামির মৃত্যুর গুজবে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, আহত ১০

বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩ ২৪২ বার পড়া হয়েছে

বাগাতিপাড়ায় ভাবি-দেবরের মৃত্যু

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া! নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান সবজি বিক্রেতা ফজলুর রশিদ (৩৯) নামের এক ব্যক্তি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা থেকে রওনা হন মৃতের বড় ভাই বজলুর রশিদ ও তার স্ত্রী নাইচ বেগম। কিন্তু সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পথিমধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মৃতের ভাবি নাইচ বেগম (৪০)। একই পরিবারে দেবর ভাবির মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেগুনিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ফজলুর রশিদ সোমবার রাত পর্যন্ত তমালতলা হাটে সবজি বিক্রি করেছেন। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ফজলুর মৃত্যু হার্ট অ্যাটকে হয়েছে বলে জানান ওই চিকিৎসক। এদিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি করার সুবাদে সেখানেই থাকেন ফজলুর বড় ভাই বজলুর রশিদ। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর মোবাইল ফোনে পেয়ে স্ত্রী নাইচ বেগমকে সাথে নিয়ে বাড়িতে আসার জন্য রওনা হন। বজলু তার স্ত্রীকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর না জানিয়ে বাড়ীতে সমস্যার কথা বলে ঢাকার বাসা থেকে বের হন। হঠাৎ এভাবে রাতে বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা শুনেই নাইচ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অসুস্থ অবস্থায় বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হন তারা। পথিমধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকর এলাকার চান্দ্রা বাইপাস এলাকায় আসার পর নাইচ বেগমের বুকে ব্যাথা শুরু হয়। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে অন্য একটি প্রাইভেট হাসপালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। নাইচ বেগমের আগে থেকেই হার্টের রোগ ছিলো, আর সেকারণেই তাকে প্রথমে ফজলুর মৃত্যুর খবর না জানিয়েই ভাড়া বাসা থেকে বের হন বজলুর রশিদ বলেও জানা যায়। পরে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে নাইচের লাশ বাগাতিপাড়ার বাড়িতে আনা হয়।

একই পরিবারের দেবর ভাবির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় পাঁকা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় স্থানীয় স্কুল মাঠে মৃত ফজুলুর রশিদ ও নাইচ বেগমের জানাজা শেষে বেহুনিয়া সামাজিক গোরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া!

আপডেট সময় : ১০:০১:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০২৩

বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া!

বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
বাগাতিপাড়ায় দেবর-ভাবির মৃত্যুতে শোকের ছায়া! নাটোরের বাগাতিপাড়ায় সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান সবজি বিক্রেতা ফজলুর রশিদ (৩৯) নামের এক ব্যক্তি। তার মৃত্যুর খবর পেয়ে ঢাকা থেকে রওনা হন মৃতের বড় ভাই বজলুর রশিদ ও তার স্ত্রী নাইচ বেগম। কিন্তু সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে পথিমধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান মৃতের ভাবি নাইচ বেগম (৪০)। একই পরিবারে দেবর ভাবির মৃত্যুতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেগুনিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে ফজলুর রশিদ সোমবার রাত পর্যন্ত তমালতলা হাটে সবজি বিক্রি করেছেন। পরে রাত ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত স্থানীয় পল্লী চিকিৎসককে খবর দিলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসক এসে তাকে মৃত ঘোষনা করেন। ফজলুর মৃত্যু হার্ট অ্যাটকে হয়েছে বলে জানান ওই চিকিৎসক। এদিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি করার সুবাদে সেখানেই থাকেন ফজলুর বড় ভাই বজলুর রশিদ। ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর খবর মোবাইল ফোনে পেয়ে স্ত্রী নাইচ বেগমকে সাথে নিয়ে বাড়িতে আসার জন্য রওনা হন। বজলু তার স্ত্রীকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর না জানিয়ে বাড়ীতে সমস্যার কথা বলে ঢাকার বাসা থেকে বের হন। হঠাৎ এভাবে রাতে বাড়ীর উদ্দেশ্যে যাওয়ার কথা শুনেই নাইচ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অসুস্থ অবস্থায় বাড়ীর উদ্দেশ্যে রওনা হন তারা। পথিমধ্যে গাজীপুরের কালিয়াকর এলাকার চান্দ্রা বাইপাস এলাকায় আসার পর নাইচ বেগমের বুকে ব্যাথা শুরু হয়। পরে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক না থাকায় তাকে অন্য একটি প্রাইভেট হাসপালে নিয়ে গেলে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে। নাইচ বেগমের আগে থেকেই হার্টের রোগ ছিলো, আর সেকারণেই তাকে প্রথমে ফজলুর মৃত্যুর খবর না জানিয়েই ভাড়া বাসা থেকে বের হন বজলুর রশিদ বলেও জানা যায়। পরে মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে নাইচের লাশ বাগাতিপাড়ার বাড়িতে আনা হয়।

একই পরিবারের দেবর ভাবির মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় পাঁকা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় স্থানীয় স্কুল মাঠে মৃত ফজুলুর রশিদ ও নাইচ বেগমের জানাজা শেষে বেহুনিয়া সামাজিক গোরস্থানে তাদের মরদেহ দাফন সম্পূর্ণ হয়েছে।