লালপুরে আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধী মা ও শিশু কন্যার মৃত্যু, অগ্নিদগ্ধ দুই!
- আপডেট সময় : ০৯:১১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

লালপুরে আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধী মা ও শিশু কন্যার মৃত্যু, অগ্নিদগ্ধ দুই!
এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
লালপুরে আগুনে পুড়ে প্রতিবন্ধী মা ও শিশু কন্যার মৃত্যু, অগ্নিদগ্ধ দুই! নাটোরের লালপুরে বসত বাড়িতে লাগা আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে ৪০ বছর বয়সী মানসিক ভারসাম্যহীন মা শাহানাজ বেগম ও তার ৮ বছরের শিশুকন্যা মাইশার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় আহত হয়েছেন নিহত শাহানাজ বেগমের মা ৭০ বছর বয়সী ইয়াতন ও ৭৫ বছর বয়সী বাবা রমজান আলী। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার রাতে রান্না করার সময় পাশে থাকা পাট কাঠিতে আগুন লেগে গেলে মুহুর্তের মধ্যে দরিদ্র রমজান আলীর সারা ঘরে ছড়িয়ে পরে। এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসে এবং স্থানীয় ফাসায় সার্ভিসে খবর দেয়। তবে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসার সগেই আগুন নিভেয়ে ফেলে এলাকাবাসী। স্থানীয়রা আরও জানায়, অগ্নিকাণ্ডের সময় শোবার ঘরে আটকা পড়ে মানসিক ভারসাম্যহীন শাহানাজ বেগম। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয় শাহনাজের শিশুকন্যা মাইশা, মা ইয়াতন ও বাবা রমজান আলী। এ সময় অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই শাহানাজ বেগমের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহত ইয়াতুন, মাইশা ও রমজান আলীকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের ৩ জনের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ইয়াতুন ও মাইশাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে শাহনাজের মেয়ে মাইশার মৃত্যু হয়।
এঘটনায় লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার সুরুজ্জামান শামীম জানান, ইয়াতুন ও মাইশার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
উপজেলা ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা সজিব আহমেদ জানান, আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই এলাকাবাসি আগুন নিয়ন্ত্রণ করলেও অগ্নিদগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শাহানাজ বেগম।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ উজ্জ্বল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুকনো পাঠ কাঠির বেড়া ও খড়ের ঘর হওয়ায় দ্রুত আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং শাহানাজ বেগম মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার কারনে নিজেকে হেফাজত করতে পারেনি।










