ঢাকা ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পড়ালেখার খরচ জোগানোর ভ্যানটিও চুরি, দিশেহারা এসএসসি পরীক্ষার্থী তমাল লালপুরে অনলাইন জুয়া ও প্রতারণার মামলায় পলাতক আসামি গ্রেপ্তার আটোয়ারীতে স্বর্ণের চেইন বদলে নেওয়ার অভিযোগে দুই নারী গ্রেপ্তার নলডাঙ্গায় বটগাছের মগডালে আটকে পড়া কিশোরকে উদ্ধার করল ফায়ার সার্ভিস বাগাতিপাড়ায় সোয়া ২ কোটি টাকার সেচ প্রকল্প অচল, ৮ কিলোমিটার ড্রেন অকেজো পুঠিয়ায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন পঞ্চগড়ে জুয়ার আসর থেকে ৭ জন আটক, উদ্ধার ৪ হাজার ৫০০ টাকা সিংড়ায় মামার জানাজায় যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল যুবকের হৃদরোগে আক্রান্ত পঞ্চগড়ের ২৫ বছরের শহীদ আলম, চিকিৎসায় প্রয়োজন ৮-১০ লাখ টাকা রাণীশংকৈলে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন

রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩ ২০৫ বার পড়া হয়েছে

ফাঁসি হতে যাচ্ছে দুই আসামির

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলার দুই আসামি সহকারী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টা ০১ মিনিটে কার্যকর হবে। এজন্য রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রস্তুত করা হয়েছে ফাঁসির মঞ্চ। ফাঁসি কার্যকর করতে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে ৮ জন জল্লাদকে। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানায়নি। তারা বলছে জেল কোড অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর হওয়ার আগে কোন তথ্য জানানোর নিয়ম নেই।

কারাগারের একটি সূত্রমতে, কারা কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এক সপ্তাহ আগে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করে। কারাগারের পুর্ব দিকের দেওয়ালের পাশে এ মঞ্চ তৈরী করা হয়েছে। এছাড়াও যে দঁড়িতে ঝুলানো হবে তাতে আসামীদের তিনগুন ওজনের বস্তু বেঁধে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ফাঁসির দঁড়িটিও প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্রমতে, ফাঁসি কার্যকর করতে আটজনের একটি জল্লাদ টিম গঠন করে কারা কর্তৃপক্ষ। এর পর তাদের প্রশিক্ষণ ও ফাঁসি কার্যকরের একাধিক মহড়া দেওয়ানো হয়। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত আটজনের মধ্যে টিম প্রধান হেন্ডেল টেনে ফাঁসি কার্যকর করবেন। এ সময় তার সঙ্গে একজন সহযোগি থাকবেন। বাকি ছয়জনের মধ্যে চারজন দুই আসামীকে ধরে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাবেন। আর দুইজন তাদের কালো কাপড়ের জম টুপি ও গলায় দঁড়ি পরিয়ে দিবেন।

সূত্রমতে, এক মঞ্চে এক সঙ্গে একই সময় দুই আসামীর ফাঁসি কার্যকর হবে। মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বাম পাশে থাকবে জাহাঙ্গীর আলম। ১০টা ১ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট তাদের দঁড়িতে ঝুলিয়ে রাখা হবে। এর পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাদের হাত-পা ও ঘাড়ের রগ কাটা হতে পারে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। জাহাঙ্গীরের লাশ পাঠানো হবে নগরীর মতিহার থানার খোঁজাপুরে। আর মহিউদ্দিনের লাশ পাঠানো হবে ফরিদপুরের ভাঙ্গায়।
কারাগার সূত্রমতে, রাত ৯টার দিকে ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি দুই আসামীকে জানানো হবে। এর পর তাদের গোসল করিয়ে খাবারের বিষয়ে শেষ ইচ্ছা আছে কি না জানতে চাওয়া হবে। পরে কারা মসজিদের ইমাম তাদের তৌবা পড়াবেন। এর পর ১০টার আগেই তাদের ফাঁসির মঞ্চের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে। ফাঁসি কার্যকরের সময় কারাগারের ডিআইজি প্রিজন, সিনিয়র জেল সুপার ও জেলার ছাড়াও জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। কারাগারে প্রস্তুত রাখা হবে লাশ বহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়াও নিরাপত্তা জোরদার কারা হবে কারাগারের আশাপাশের।

গত ২৫ জুলাই দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাত করেছেন। জাহাঙ্গীরের পরিবারের ৩৫ সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন। আর মহিউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে তার পরিবারের তিন সদস্য। এর পর তাদের পরিবারের আর কেউ দেখা করতে পারেনি।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ। একদিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি বাসাটির পেছনের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক এস তাহের আহমেদের গলিত মরদেহ। ওইদিন রাতে তার ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অধ্যাপক তাহেরের সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলমসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে।

২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালাম। তবে বিচারে খালাস পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও জাহাঙ্গীরের বাবা আজিমুদ্দিন মুন্সি।
পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করেন। সর্বশেষ মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করে। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাস আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিলেন তারা। সে আবেদনও নাকচ করেন রাষ্ট্রপতি। গত ৫ জুলাই সেই চিঠি রাজশাহী কারাগারে পৌঁছায়। এর পর থেকে তাদের ফাঁসি কার্যকর করার প্রস্তুতি শুরু হয়।

July 27, 2023
রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!

আপডেট সময় : ০২:৪৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩

রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ! রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের আহমেদ হত্যা মামলার দুই আসামি সহকারী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং জাহাঙ্গীর আলমের মৃত্যুদণ্ড মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত ১০টা ০১ মিনিটে কার্যকর হবে। এজন্য রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রস্তুত করা হয়েছে ফাঁসির মঞ্চ। ফাঁসি কার্যকর করতে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে ৮ জন জল্লাদকে। রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার সূত্রে এসব তথ্য জানা গেলেও আনুষ্ঠানিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে কোনো তথ্য জানায়নি। তারা বলছে জেল কোড অনুযায়ী ফাঁসি কার্যকর হওয়ার আগে কোন তথ্য জানানোর নিয়ম নেই।

কারাগারের একটি সূত্রমতে, কারা কর্তৃপক্ষ ও গণপূর্ত অধিদপ্তর এক সপ্তাহ আগে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করে। কারাগারের পুর্ব দিকের দেওয়ালের পাশে এ মঞ্চ তৈরী করা হয়েছে। এছাড়াও যে দঁড়িতে ঝুলানো হবে তাতে আসামীদের তিনগুন ওজনের বস্তু বেঁধে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ফাঁসির দঁড়িটিও প্রস্তুত করা হয়েছে। সূত্রমতে, ফাঁসি কার্যকর করতে আটজনের একটি জল্লাদ টিম গঠন করে কারা কর্তৃপক্ষ। এর পর তাদের প্রশিক্ষণ ও ফাঁসি কার্যকরের একাধিক মহড়া দেওয়ানো হয়। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত আটজনের মধ্যে টিম প্রধান হেন্ডেল টেনে ফাঁসি কার্যকর করবেন। এ সময় তার সঙ্গে একজন সহযোগি থাকবেন। বাকি ছয়জনের মধ্যে চারজন দুই আসামীকে ধরে ফাঁসির মঞ্চে নিয়ে যাবেন। আর দুইজন তাদের কালো কাপড়ের জম টুপি ও গলায় দঁড়ি পরিয়ে দিবেন।

সূত্রমতে, এক মঞ্চে এক সঙ্গে একই সময় দুই আসামীর ফাঁসি কার্যকর হবে। মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বাম পাশে থাকবে জাহাঙ্গীর আলম। ১০টা ১ মিনিট থেকে ৩০ মিনিট তাদের দঁড়িতে ঝুলিয়ে রাখা হবে। এর পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাদের হাত-পা ও ঘাড়ের রগ কাটা হতে পারে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে পাঠানো হবে। জাহাঙ্গীরের লাশ পাঠানো হবে নগরীর মতিহার থানার খোঁজাপুরে। আর মহিউদ্দিনের লাশ পাঠানো হবে ফরিদপুরের ভাঙ্গায়।
কারাগার সূত্রমতে, রাত ৯টার দিকে ফাঁসি কার্যকরের বিষয়টি দুই আসামীকে জানানো হবে। এর পর তাদের গোসল করিয়ে খাবারের বিষয়ে শেষ ইচ্ছা আছে কি না জানতে চাওয়া হবে। পরে কারা মসজিদের ইমাম তাদের তৌবা পড়াবেন। এর পর ১০টার আগেই তাদের ফাঁসির মঞ্চের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে। ফাঁসি কার্যকরের সময় কারাগারের ডিআইজি প্রিজন, সিনিয়র জেল সুপার ও জেলার ছাড়াও জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন, মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। কারাগারে প্রস্তুত রাখা হবে লাশ বহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স। এছাড়াও নিরাপত্তা জোরদার কারা হবে কারাগারের আশাপাশের।

গত ২৫ জুলাই দুই আসামির পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাত করেছেন। জাহাঙ্গীরের পরিবারের ৩৫ সদস্য তার সঙ্গে দেখা করেন। আর মহিউদ্দিনের সঙ্গে দেখা করে তার পরিবারের তিন সদস্য। এর পর তাদের পরিবারের আর কেউ দেখা করতে পারেনি।
২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এস তাহের আহমেদ। একদিন পর ৩ ফেব্রুয়ারি বাসাটির পেছনের ম্যানহোল থেকে উদ্ধার করা হয় অধ্যাপক এস তাহের আহমেদের গলিত মরদেহ। ওইদিন রাতে তার ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহীর মতিহার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অধ্যাপক তাহেরের সহকর্মী সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও স্থানীয় জাহাঙ্গীর আলমসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করে।

২০০৭ সালের ১৭ মার্চ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। ২০০৮ সালের ২২ মে রাজশাহীর দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক চারজনকে ফাঁসির আদেশ ও দুজনকে খালাস দেন। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, অধ্যাপক ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার জাহাঙ্গীর আলম, তার ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালাম। তবে বিচারে খালাস পান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তৎকালীন সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও জাহাঙ্গীরের বাবা আজিমুদ্দিন মুন্সি।
পরবর্তীতে সাজাপ্রাপ্তরা উচ্চ আদালতে আপিল করেন। আপিল বিভাগ মিয়া মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর আলমের রায় বহাল রাখলেও নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর ভাই আব্দুস সালামের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন করেন। সর্বশেষ মহিউদ্দিন ও জাহাঙ্গীর রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করে। কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে প্রায় ছয় মাস আগে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিলেন তারা। সে আবেদনও নাকচ করেন রাষ্ট্রপতি। গত ৫ জুলাই সেই চিঠি রাজশাহী কারাগারে পৌঁছায়। এর পর থেকে তাদের ফাঁসি কার্যকর করার প্রস্তুতি শুরু হয়।

July 27, 2023
রাজশাহীতে দুই আসামির ফাঁসির পর কোথায় যাবে মরদেহ!
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com