শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই সাবেক সেনা সদস্য কাইয়ুম গংদের হামলা
- আপডেট সময় : ০৮:১৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬ ২৯০ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পুলিশের উপস্থিতিতেই সাবেক সেনা সদস্য কাইয়ুম গংদের হামলা
জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে ইউপি সদস্যসহ অন্তত ৫ জন আহত, এলাকায় তীব্র ক্ষোভ
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে পুলিশের উপস্থিতিতেই সাবেক সেনা সদস্য কাইয়ুম গংদের অতর্কিত হামলায় ইউপি সদস্যসহ অন্তত পাঁচজন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আহতদের মধ্যে নারীও রয়েছেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) উপজেলার পাইকুড়া বাজার সংলগ্ন পশ্চিম পাশে রুস্তম আলীর মালিকানাধীন জমিতে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী রুস্তম আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, পাইকুড়া এলাকার ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রুস্তম আলীর সঙ্গে সাবেক সেনা সদস্য কাইয়ুম ও তার লোকজনের বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠক এবং প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও প্রতিপক্ষ বারবার আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে আসছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
সোমবার জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ঠিক সেই সময় পুলিশের সামনেই কাইয়ুম গংরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সন্ত্রাসী কায়দায় রুস্তম আলী ও তার লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
হামলায় রুস্তম আলীর ছোট ভাই ও স্থানীয় ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশের উপস্থিতিতেই প্রকাশ্যে হামলার ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। তারা বলেন, “পুলিশের সামনে যদি এভাবে হামলা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপদ?”
ভুক্তভোগী রুস্তম আলী বলেন, “আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। জমি নিয়ে বিরোধ থাকলে আদালত বা প্রশাসনের মাধ্যমে সমাধান চেয়েছি। কিন্তু কাইয়ুম গংরা বারবার পেশিশক্তি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। আজ পুলিশের সামনেই হামলা হয়েছে—তাহলে আমরা কোথায় নিরাপদ?” তিনি হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত কাইয়ুমের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “ওই জমিটি আমার পৈত্রিক সম্পত্তি। রুস্তম আলী জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে।”
ঘটনার বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।




















