রাণীশংকৈলে চাকরি না দেওয়ায় গাছ লাগিয়ে মাদরাসা মাঠ দখল!
- আপডেট সময় : ০১:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৩০ বার পড়া হয়েছে

রাণীশংকৈলে চাকরি না দেওয়ায় গাছ লাগিয়ে মাদরাসা মাঠ দখল!
নাজমুল হোসেন, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
রাণীশংকৈলে চাকরি না দেওয়ায় গাছ লাগিয়ে মাদরাসা মাঠ দখল! ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি না দেওয়ায় মাদ্রাসাকে দেওয়া ১৬ শতাংশ জমি দখল নিয়েছেন নুরজামাল নামের এক জামিদাতা। ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার উপজেলার হোসেনগাঁও দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এতে মাঠের জায়গা কমে গেছে এবং শিক্ষার্থীরা সেই মাঠে খেলাধুলাও করতে পারবে না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৬ শতক জমি দেওয়ার বিনিময়ে হোসেনগাঁও এলাকার বাসিন্দা খাইরুল ইসলাম ওই মাদ্রাসায় পিয়ন পদে বিনা বেতনে চাকরি করতেন। ২০১৩ সালে মারা যাওয়ার পরে তাঁর ছেলে নুরজামালকে মৌখিকভাবে পদায়ন করেন মাদ্রাসার তৎকালীন সুপার আজিজর উদ্দীন। তবে গত ৬ জুলাই মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হয়। এরপর মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ নতুন করে পিয়ন পদে একজনকে নিয়োগ দেন। নিয়োগবঞ্চিত হয়েই নুরজামাল মাদ্রাসার মূল মাঠের পাশ থেকে নিজের জমি আমিন দিয়ে মেপে দখলে নেন সাথে সাথে চার পাশে গাছ লাগিয়েছেন নুরজামাল।এবং এবিষয়ে ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড দিয়েছে চাকরি বঞ্চিত ব্যক্তি।
বুধবার সরেজমিনে দেখা গেছে, নুরজামাল একজন আমিন দিয়ে মাদ্রাসার মাঠের মূল অংশ থেকে মাপযোগ করে ১৬ শতাংশ নির্ধারণ করে সীমানা পিলার বসিয়ে দিয়েছেন। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির মাঠের জায়গা কমে গেছে এবং শিক্ষার্থীরাও মাঠে খেলাধুলা করতে পারবে না।
এ প্রসঙ্গে নুরজামাল বলেন, ‘দীর্ঘদিন আমি ও আমার বাবা বিনা পারিশ্রমিকে চাকরি করেছি। মাদ্রাসাটি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর আমাকে বাদ দিয়ে আরেকজনকে নিয়োগ দিচ্ছেন।’
নুরজামাল আরও বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কথা ছিল জমির বিনিময়ে চাকরি দেওয়া হবে। নিয়োগ চূড়ান্ত হলেই জমি দলিল করে দেওয়ার কথা ছিল। যেহেতু আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয় নাই, তাই জমি দখলে নিয়েছি।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, সদ্য যোগ দেওয়া মাদ্রাসা সুপার নিজামউদ্দীন এ বিষয়ে কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
এ নিয়ে জানতে মোবাইল ফোনে মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটির বর্তমান সভাপতি আজিজর উদ্দীনকে একাধিক বার কল করা হয়। কিন্তু ফোন না ধরায় তাঁর কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।
এ নিয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা তৈয়ব আলী বলেন, ঘটনাটি স্পর্শকাতর। খেলার মাঠ না থাকলে তো সমস্যা। তাই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে।



















