ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী মেডিকেলে এক শিশুর হামের পরই ধরা পড়ল ডেঙ্গু, আইসিইউতে ভর্তি সিংড়ায় ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তিন মামাতো ফুপাতো ভাই নিহত বাগাতিপাড়ায় চোর ধরতে গিয়ে চোরের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত “শফি” খেলাধুলার মাধ্যমে গড়ে উঠবে সুস্থ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও দক্ষ নতুন প্রজন্ম- প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বিয়ানীবাজারে যুবকের হাত বাঁ//ধা ঝু-ল-ন্ত লা/শ উদ্ধার, হ//ত্যার অভিযোগ পরিবারের ঠাকুরগাঁওয়ে মা’দকাস’ক্ত স্বামীর নি”র্যা”ত”নে অন্তঃস’ত্ত্বা গৃহবধূর মৃ//ত্যু/র অভিযোগ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত

রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২ ১৯৮ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে

এম এম মামুন, নিউজ ডেস্ক:
রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে।
চলতি মৌসুমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রাজশাহীর বাঘার ২২০ জন আম চাষির কাছ থেকে ৩০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করা হবে।

ইতোমধ্যে আমচাষিরা বিভিন্ন দেশে পাঠানোর জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে চুক্তিও করেছেন। বিভিন্ন দেশে আম রপ্তানি করার জন্য উপযোগী করে চাষ করেছেন চাষিরা। কয়েকদিনের মধ্যে আম নামাতে শুরু করবেন চাষিরা। এইবার প্রায় তিন কোটি টাকার আম রপ্তানির আশা করছে কৃষি বিভাগ।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চুক্তিবদ্ধ চাষিরা লক্ষণভোগ বা লখনা, হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত এবং ল্যাংড়া আম বিদেশে রপ্তানির উপযোগী করে উৎপাদন করেন। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মে থেকে লক্ষণভোগ বা লখনা ও হিমসাগর ২৮ মে থেকে নামানো শুরু হয়েছে। ৬ জুন থেকে নামবে ল্যাংড়া। কয়েকদিন পর এসব আম বিদেশে পাঠানো শুরু হবে। রাজশাহী থেকে এ বছর ৩০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হলে তিন কোটি টাকা পাবেন চাষিরা।

বাঘা উপজেলার আমচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েকবছর ধরেই তিনি রপ্তানিকারকের মাধ্যমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে আম পাঠাচ্ছেন। এবারও ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে রপ্তানি উপযোগী করে আমচাষ করেছেন। ১ জুন থেকে তিনি আম নামাবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা রপ্তানি উপযোগী বেশি আম উৎপাদন করতে পারি, কিন্তু রফতানি হয় কম। তবে এবার অন্য বছরের চেয়ে আমাদের আমের চাহিদা বেশি। সেই হিসেবে মনে করছি রপ্তানি বাড়বে।’

তবে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি এমন একজন চাষি ইতোমধ্যে ৫০০ কেজি গোপালভোগ আম সুইডেনে পাঠানোর জন্য গাছ থেকে নামিয়ে রপ্তানীকারকের কাছে পাঠিয়েছেন। রাজশাহী নগরীর জিন্নানগর এলাকায় আনোয়ারুল ইসলাম নামের এই ব্যক্তির আমবাগান। তিনি রাজশাহী এগ্রো ফুড সোসাইটির সভাপতি। প্রতিবছরই তিনি তার বাগানের ফ্রুট ব্যাগিং করা আম বিদেশে পাঠিয়ে থাকেন।

বাঘা ছাড়া অন্য কোন স্থানের চাষিদের চুক্তিবদ্ধ না করানোর কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ শুধু বাঘা উপজেলার চাষিদের কন্টাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় আনে। কিন্তু আম তো রাজশাহীর সবখানেই হয়। পবা থেকেও আম যায়। বাঘার চাষিদের পুরনো একটা তালিকা কৃষি বিভাগের কাছে আছে এবং শুধু তারাই কন্টাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় আসে। আমাদের যেহেতু কিছু বলা হয় না, তাই নিজেদের মত করে আম পাঠাই।’
আনোয়ারুল জানান, এনজেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এন হোসেন সজলের মাধ্যমে তিনি সুইডেনে আম পাঠাচ্ছেন। শুক্রবার আম নামানোর পরই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান এনজেল গ্রুপ উড়োজাহাজে করে আম নিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ‘আমার ব্যাগিং করা আম খুবই ফ্রেশ। আমের কাছে কীটনাশক তো দূরের কথা; একটা পিঁপড়াও যেতে পারে না। তাই হট কেকের মত আমার আম শেষ হয়ে যাচ্ছে।’

আনোয়ারুল ইসলাম গত শুক্রবার থেকেই রপ্তানির উদ্দেশ্যে আম পেড়ে ঢাকায় পাঠানো শুরু করলেও সে খবর নেই কৃষি বিভাগের কাছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাঘা উপজেলার প্রায় ২২০ জন চাষি ৩০০ মেট্রিক টন আম দেবেন বলে হটেক্স ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রপ্তানীকারকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এদের হিসাবটাই শুধু আছে। তবে চাষি ও রপ্তানীকারকদের উদ্যোগেই উড়োজাহাজে আম পাঠানো হয় ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এই ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোন সহযোগিতা নেই।

বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ‘চুক্তিবদ্ধ চাষিদের আমরা প্রশিক্ষণ দেই। তাদের বাগানের সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা শেখানো হয়। ব্যাগিং পদ্ধতিতে ফ্রেশ আম উৎপাদনের বিষয়টিও তাদের শেখানো হয়। এই কাজটি শুধু বাঘা উপজেলায় হয়।’

রপ্তানী করতে হলে রপ্তানীকারকদের আম ঢাকায় সেন্ট্রাল প্যাকেজিং হাউজে নিতে হয়। সেখানে আমের মান যাচাই করে গুণগত প্যাকেটিং হয় যাতে আম বেশি সময় ভাল থাকে। তারপরই তা রপ্তানীর জন্য ছাড়পত্র পায়।

রাজশাহীতে এ বছর ১৮ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগান আছে। এসব বাগানে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৭৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হতে পারে। আর এই আম নিয়ে রাজশাহীর অর্থনীতিতে যোগ হতে পারে ৯০০ কোটি টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) উত্তম কুমার কবিরাজ বলেন, ‘গতবছর চাষিরা রপ্তানী করা আমে কেজিপ্রতি দাম পেয়েছিলেন ৯০ টাকা। এবার ফলন একটু কম বলে দাম বেশি। এখনই বাজারে ভাল আম ৬০ টাকা কেজি। সুতরাং, সব চাষির আম যদি রপ্তানি না-ও হয়, সেক্ষেত্রেও তারা ভাল দাম পাবেন। কারণ, ব্যাগিং করা ফ্রেশ আমের দাম এমনিতেই বেশি হয়। তবে এবার কোভিডের সংক্রমণ না থাকায় বেশি পরিমাণে আম রফতানি করা যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে

আপডেট সময় : ১০:৫৩:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুন ২০২২

রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে

এম এম মামুন, নিউজ ডেস্ক:
রাজশাহীর ৩০০ মেট্রিক টন আম যাবে বিদেশে।
চলতি মৌসুমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রাজশাহীর বাঘার ২২০ জন আম চাষির কাছ থেকে ৩০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি করা হবে।

ইতোমধ্যে আমচাষিরা বিভিন্ন দেশে পাঠানোর জন্য কৃষি বিভাগের মাধ্যমে চুক্তিও করেছেন। বিভিন্ন দেশে আম রপ্তানি করার জন্য উপযোগী করে চাষ করেছেন চাষিরা। কয়েকদিনের মধ্যে আম নামাতে শুরু করবেন চাষিরা। এইবার প্রায় তিন কোটি টাকার আম রপ্তানির আশা করছে কৃষি বিভাগ।
কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, চুক্তিবদ্ধ চাষিরা লক্ষণভোগ বা লখনা, হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত এবং ল্যাংড়া আম বিদেশে রপ্তানির উপযোগী করে উৎপাদন করেন। জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৫ মে থেকে লক্ষণভোগ বা লখনা ও হিমসাগর ২৮ মে থেকে নামানো শুরু হয়েছে। ৬ জুন থেকে নামবে ল্যাংড়া। কয়েকদিন পর এসব আম বিদেশে পাঠানো শুরু হবে। রাজশাহী থেকে এ বছর ৩০০ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হলে তিন কোটি টাকা পাবেন চাষিরা।

বাঘা উপজেলার আমচাষি শফিকুল ইসলাম জানান, গত কয়েকবছর ধরেই তিনি রপ্তানিকারকের মাধ্যমে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে আম পাঠাচ্ছেন। এবারও ফ্রুট ব্যাগিং পদ্ধতিতে রপ্তানি উপযোগী করে আমচাষ করেছেন। ১ জুন থেকে তিনি আম নামাবেন। তিনি বলেন, ‘আমরা রপ্তানি উপযোগী বেশি আম উৎপাদন করতে পারি, কিন্তু রফতানি হয় কম। তবে এবার অন্য বছরের চেয়ে আমাদের আমের চাহিদা বেশি। সেই হিসেবে মনে করছি রপ্তানি বাড়বে।’

তবে কৃষি বিভাগের মাধ্যমে রপ্তানিকারকের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হননি এমন একজন চাষি ইতোমধ্যে ৫০০ কেজি গোপালভোগ আম সুইডেনে পাঠানোর জন্য গাছ থেকে নামিয়ে রপ্তানীকারকের কাছে পাঠিয়েছেন। রাজশাহী নগরীর জিন্নানগর এলাকায় আনোয়ারুল ইসলাম নামের এই ব্যক্তির আমবাগান। তিনি রাজশাহী এগ্রো ফুড সোসাইটির সভাপতি। প্রতিবছরই তিনি তার বাগানের ফ্রুট ব্যাগিং করা আম বিদেশে পাঠিয়ে থাকেন।

বাঘা ছাড়া অন্য কোন স্থানের চাষিদের চুক্তিবদ্ধ না করানোর কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘কৃষি বিভাগ শুধু বাঘা উপজেলার চাষিদের কন্টাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় আনে। কিন্তু আম তো রাজশাহীর সবখানেই হয়। পবা থেকেও আম যায়। বাঘার চাষিদের পুরনো একটা তালিকা কৃষি বিভাগের কাছে আছে এবং শুধু তারাই কন্টাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় আসে। আমাদের যেহেতু কিছু বলা হয় না, তাই নিজেদের মত করে আম পাঠাই।’
আনোয়ারুল জানান, এনজেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ এন হোসেন সজলের মাধ্যমে তিনি সুইডেনে আম পাঠাচ্ছেন। শুক্রবার আম নামানোর পরই ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান এনজেল গ্রুপ উড়োজাহাজে করে আম নিয়ে যাবে।
তিনি বলেন, ‘আমার ব্যাগিং করা আম খুবই ফ্রেশ। আমের কাছে কীটনাশক তো দূরের কথা; একটা পিঁপড়াও যেতে পারে না। তাই হট কেকের মত আমার আম শেষ হয়ে যাচ্ছে।’

আনোয়ারুল ইসলাম গত শুক্রবার থেকেই রপ্তানির উদ্দেশ্যে আম পেড়ে ঢাকায় পাঠানো শুরু করলেও সে খবর নেই কৃষি বিভাগের কাছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, বাঘা উপজেলার প্রায় ২২০ জন চাষি ৩০০ মেট্রিক টন আম দেবেন বলে হটেক্স ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে রপ্তানীকারকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এদের হিসাবটাই শুধু আছে। তবে চাষি ও রপ্তানীকারকদের উদ্যোগেই উড়োজাহাজে আম পাঠানো হয় ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এই ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কোন সহযোগিতা নেই।

বাঘা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ‘চুক্তিবদ্ধ চাষিদের আমরা প্রশিক্ষণ দেই। তাদের বাগানের সার ও সেচ ব্যবস্থাপনা শেখানো হয়। ব্যাগিং পদ্ধতিতে ফ্রেশ আম উৎপাদনের বিষয়টিও তাদের শেখানো হয়। এই কাজটি শুধু বাঘা উপজেলায় হয়।’

রপ্তানী করতে হলে রপ্তানীকারকদের আম ঢাকায় সেন্ট্রাল প্যাকেজিং হাউজে নিতে হয়। সেখানে আমের মান যাচাই করে গুণগত প্যাকেটিং হয় যাতে আম বেশি সময় ভাল থাকে। তারপরই তা রপ্তানীর জন্য ছাড়পত্র পায়।

রাজশাহীতে এ বছর ১৮ হাজার ৫১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগান আছে। এসব বাগানে ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৭৬ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হতে পারে। আর এই আম নিয়ে রাজশাহীর অর্থনীতিতে যোগ হতে পারে ৯০০ কোটি টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক (উদ্যান) উত্তম কুমার কবিরাজ বলেন, ‘গতবছর চাষিরা রপ্তানী করা আমে কেজিপ্রতি দাম পেয়েছিলেন ৯০ টাকা। এবার ফলন একটু কম বলে দাম বেশি। এখনই বাজারে ভাল আম ৬০ টাকা কেজি। সুতরাং, সব চাষির আম যদি রপ্তানি না-ও হয়, সেক্ষেত্রেও তারা ভাল দাম পাবেন। কারণ, ব্যাগিং করা ফ্রেশ আমের দাম এমনিতেই বেশি হয়। তবে এবার কোভিডের সংক্রমণ না থাকায় বেশি পরিমাণে আম রফতানি করা যাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।’