ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সংকটে জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে- সংসদের হুইপ দুলু গত ১৭ বছরে দুর্বিত্তায়নের রাজনীতি রাষ্ট্রের অবসান, সন্ত্রাসী অপরাধী চক্র নির্মূল হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জে ১ মাস পূর্বের লুডু খেলাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তুমুল সংঘ’র্ষ, আহত ২০ রাজশাহীতে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালিত বাগাতিপাড়ায় ট্রেনের ধা/ক্কা/য় মা’নসিক ভা’রসাম্যহীন ব্যক্তির মৃ-ত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদ পুনর্মিলনী করেছে এসএসসি ২০০৩-০৪ ব্যাচ লালপুরে ডোবায় পড়ে দিনমজুরের মৃত্যু লালপুরে অটোরিকশা থেকে ছিটকে পড়ে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু বাগাতিপাড়ায় ঈদের ছুটিতে গ্রামে এসে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা দিলেন একই পরিবারের তিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আক্কেলপুরে জমিজমা বিরোধে যুবককে ছু/রি/কা/ঘা/তে হ’ত্যা

রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২ ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

রাজবন বিহারে বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান। রাঙ্গামাটির বন্দুকভাঙ্গার সারা বিশ্বে শান্তি ও মঙ্গল প্রার্থনায় সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়নে বসবাসরত এলাকাবাসী ও বন্দুকভাঙ্গা মহাসংঘদান সার্বজনীন পরিচালনা কমিটি উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি।

ধর্মীয় কর্মসূচির মধ্য বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিস্কার দান, হাজার বাতি দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, উৎসর্গ ও পিন্ডদানসহ নানাবিধ দান করা হয়। পূণ্যার্থীদের ভক্তি ও শ্রদ্ধায় বনভান্তের প্রতিবিম্বে ফুলের তোড়া নিবেদন মাধ্যমে স্মরণ করা হয়েছে বৌদ্ধদের মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তেকে। পরে ভিক্ষুসংঘকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন পূণ্যার্থীরা। সারা বিশ্বে শান্তি ও মঙ্গল প্রার্থনায় বিশেষ প্রার্থনা পাঠ ও ৫মিনিট নিরবতা শ্রবণ (ভাবনা) করা হয়।

এসময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চাকমা রাজ পরিবারের সদস্য চাঁদ রায়। আরো বক্তব্য রাখেন, ৫ নম্বর বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বন্দুক ভাঙ্গা মহা সংঘদান সার্বজনীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অমর চাকমা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বন্দুক ভাঙা সার্বজনীন মহাসংঘদান কমিটির সাধারণ সম্পাদক উদয়ন চাকমা। পঞ্চশীল পাঠ করেন সিদ্ধার্থ চাকমা। অন্যান্যদের মধ্যে ৫ নম্বর বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অশ^নী কুমার চাকমা ও সাবেক চেয়ারম্যান বরুন কান্তি চাকমাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান অমর চাকমা বলেছেন, ‘প্রতিবছর বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে বসবাসরত সকল পেশা শ্রেণির মানুষ রাজবন বিহারে সমবেত হয় এ উদ্যোগ নেওয়ার ফলে। যার কারণে প্রতিবছর চেষ্টা করা হয় এ অনুষ্ঠানটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে। শুধু পুণ্যানুষ্ঠান নয়। এ অনুষ্ঠানটি বন্দুকভাঙ্গা এলাকাবাসীদের এক ধরনের মিলন মেলাও বটে।’

বনভান্তের অমৃতময় বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে ধর্ম দেশনা দেন রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে বিহার অধ্যক্ষ ও ভিক্ষু সংঘের প্রধান ভদন্ত শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু ভদন্ত সমুন মহাস্থবির ও জ্ঞানপ্রিয় মহাস্থবিরসহ অন্যান্য প্রমূখ ভিক্ষু। এসময় রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু সৌরজগৎ মহাস্থবির ও বোধিপুর বনবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ জিনবোধি মহাস্থবির ধর্ম দেশনায় ভিক্ষুরা বলেছেন, ‘মানুষের মনকে পবিত্র রাখতে একটি মানুষের পঞ্চশীল পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিহারে গিয়ে বিহার পরিস্কার ও বিহারের কাজ করতে হবে। তখন নিজেকে পুণ্যবান বলে মনে হবে। শধু তাই নয়, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি পরিবারের সন্তানদের সৎ শিক্ষা ও সৎ পরামর্শ দিতে হবে। কেননা পরিবার থেকেই শিশুরা সবকিছু শিখে বড় হয়।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান

আপডেট সময় : ০৩:১১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ অগাস্ট ২০২২

রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান

মহুয়া জান্নাত মনি, রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃ
রাজবন বিহারে বন্দুকভাঙ্গার সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান ও বিশের শান্তির প্রার্থনায় মহাপুণ্যানুষ্ঠান। রাঙ্গামাটির বন্দুকভাঙ্গার সারা বিশ্বে শান্তি ও মঙ্গল প্রার্থনায় সার্বজনীন ২২তম মহাসংঘদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ আগস্ট) সকালে রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়নে বসবাসরত এলাকাবাসী ও বন্দুকভাঙ্গা মহাসংঘদান সার্বজনীন পরিচালনা কমিটি উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মসূচি।

ধর্মীয় কর্মসূচির মধ্য বুদ্ধমূর্তিদান, সংঘদান, অষ্টপরিস্কার দান, হাজার বাতি দান, পঞ্চশীল প্রার্থনা, উৎসর্গ ও পিন্ডদানসহ নানাবিধ দান করা হয়। পূণ্যার্থীদের ভক্তি ও শ্রদ্ধায় বনভান্তের প্রতিবিম্বে ফুলের তোড়া নিবেদন মাধ্যমে স্মরণ করা হয়েছে বৌদ্ধদের মহাসাধক সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তেকে। পরে ভিক্ষুসংঘকে ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন পূণ্যার্থীরা। সারা বিশ্বে শান্তি ও মঙ্গল প্রার্থনায় বিশেষ প্রার্থনা পাঠ ও ৫মিনিট নিরবতা শ্রবণ (ভাবনা) করা হয়।

এসময় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, চাকমা রাজ পরিবারের সদস্য চাঁদ রায়। আরো বক্তব্য রাখেন, ৫ নম্বর বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বন্দুক ভাঙ্গা মহা সংঘদান সার্বজনীন পরিচালনা কমিটির সভাপতি অমর চাকমা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বন্দুক ভাঙা সার্বজনীন মহাসংঘদান কমিটির সাধারণ সম্পাদক উদয়ন চাকমা। পঞ্চশীল পাঠ করেন সিদ্ধার্থ চাকমা। অন্যান্যদের মধ্যে ৫ নম্বর বন্দুক ভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অশ^নী কুমার চাকমা ও সাবেক চেয়ারম্যান বরুন কান্তি চাকমাসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান অমর চাকমা বলেছেন, ‘প্রতিবছর বন্দুকভাঙ্গা ইউনিয়নে বসবাসরত সকল পেশা শ্রেণির মানুষ রাজবন বিহারে সমবেত হয় এ উদ্যোগ নেওয়ার ফলে। যার কারণে প্রতিবছর চেষ্টা করা হয় এ অনুষ্ঠানটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে। শুধু পুণ্যানুষ্ঠান নয়। এ অনুষ্ঠানটি বন্দুকভাঙ্গা এলাকাবাসীদের এক ধরনের মিলন মেলাও বটে।’

বনভান্তের অমৃতময় বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে ধর্ম দেশনা দেন রাঙ্গামাটি রাজবন বিহারে বিহার অধ্যক্ষ ও ভিক্ষু সংঘের প্রধান ভদন্ত শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির, রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু ভদন্ত সমুন মহাস্থবির ও জ্ঞানপ্রিয় মহাস্থবিরসহ অন্যান্য প্রমূখ ভিক্ষু। এসময় রাজবন বিহারের সিনিয়র ভিক্ষু সৌরজগৎ মহাস্থবির ও বোধিপুর বনবিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত শ্রীমৎ জিনবোধি মহাস্থবির ধর্ম দেশনায় ভিক্ষুরা বলেছেন, ‘মানুষের মনকে পবিত্র রাখতে একটি মানুষের পঞ্চশীল পালন করতে হবে। পাশাপাশি বিহারে গিয়ে বিহার পরিস্কার ও বিহারের কাজ করতে হবে। তখন নিজেকে পুণ্যবান বলে মনে হবে। শধু তাই নয়, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি পরিবারের সন্তানদের সৎ শিক্ষা ও সৎ পরামর্শ দিতে হবে। কেননা পরিবার থেকেই শিশুরা সবকিছু শিখে বড় হয়।’