পঞ্চগড়ে সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী নিলুফার কারাগারে
- আপডেট সময় : ০৮:৪০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ে সাবেক এমপির স্ত্রী কাজী মৌসুমী ও যুব মহিলা লীগ নেত্রী নিলুফার কারাগারে
সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় জামিন আবেদন নামঞ্জুর; আদালতের নির্দেশে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানো
পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নাঈমুজ্জামান মুক্তারের স্ত্রী, কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের সদস্য এবং সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর কাজী মৌসুমীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও পঞ্চগড় যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিনকেও কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং ভারপ্রাপ্ত জেলা জজ মাহাবুব আলী মুয়াদের আদালত এ আদেশ দেন। এ সময় দুই আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছর আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সদর উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীপাড়ায় নিজ বাসভবনে কেক কাটার আয়োজন করেন কাজী মৌসুমী। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগে গত ২১ জুলাই পঞ্চগড় সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মানিক মিয়া বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর অধীনে ৪৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরে কাজী মৌসুমী উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন লাভ করেন। জামিনের মেয়াদ শেষে তিনি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে পঞ্চগড়ের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল উপস্থিত ছিলেন। আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এ. হাসান প্রধানসহ একাধিক আইনজীবী।
শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মির্জা সারওয়ার হোসেন বলেন, উচ্চ আদালতের দেওয়া জামিনের শর্ত অনুযায়ী কাজী মৌসুমী তদন্ত কর্মকর্তার ডাকে উপস্থিত হয়েছেন। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা মঞ্জুর করেননি।
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পিপি অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল বলেন, মামলায় জামিনের বিরোধিতা করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমকে গোপনে উৎসাহিত করা, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দুই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।



















