ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় ১২ দিন ধরে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগে নাটোরে মা ও শিশু সদনে ভাঙচুর, নবজাতকের মৃত্যু গোদাগাড়ীতে সজিনা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজশাহীতে কি’শোরী ধ র্ষ ণ মামলায় ধর্মযাজক বেকসুর খালাস সাপাহারে অবৈধ ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ ও সমাবেশ পঞ্চগড়ে একই দিনে সাপের কামড়ে আহত দুই; একজনকে দেওয়া হয়েছে এন্টিভেনাম, অন্যজন পর্যবেক্ষণে মান্দায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার; প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়নে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: ভূমিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে গরু নিয়ে নদী পার হতে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ২৭০ কোটি টাকার সম্পদের দাবি, উৎস নিয়ে প্রশ্ন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬ ৩৭১ বার পড়া হয়েছে

Collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ২৭০ কোটি টাকার সম্পদের দাবি, উৎস নিয়ে প্রশ্ন

৭৫ বিঘা জমি ও গুলশানে বাড়ির তথ্য উল্লেখ; স্বচ্ছ তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের বিতর্কিত অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ও বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান নিজেকে প্রায় ২৭০ কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক বলে দাবি করেছেন। তার এ বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, রবিবার এক ঘটনাক্রমে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ে বসে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তার মালিকানায় মোট ৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। এর মধ্যে নিজের নামে ২৫ বিঘা, স্ত্রীর নামে ২৫ বিঘা এবং ছেলের নামে ২৫ বিঘা জমি রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী প্রতি কাঠা জমির মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। সে হিসেবে ২০ কাঠায় এক বিঘা ধরা হলে ৭৫ বিঘা জমিতে মোট ১ হাজার ৫০০ কাঠা জমি হয়। এ হিসাবে জমির বাজারমূল্য প্রায় ২৭০ কোটি টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়। এছাড়া ঢাকার গুলশান এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একজন সরকারি কর্মকর্তার এত বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, সরকারি চাকরির সীমিত আয়ে এত সম্পদ অর্জন কীভাবে সম্ভব—তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি এখনো পঞ্চগড়ে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে তিনি বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করছেন।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, যদি শুধু জমির মূল্যই প্রায় ২৭০ কোটি টাকা হয়ে থাকে, তবে ব্যাংকে থাকা অর্থ, এফডিআর, স্বর্ণালংকার, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এছাড়া ঢাকার গুলশান এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, যার মূল্য এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ২৭০ কোটি টাকার সম্পদের দাবি, উৎস নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৪:১২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

পঞ্চগড়ে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার ২৭০ কোটি টাকার সম্পদের দাবি, উৎস নিয়ে প্রশ্ন

৭৫ বিঘা জমি ও গুলশানে বাড়ির তথ্য উল্লেখ; স্বচ্ছ তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের বিতর্কিত অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা উপ-পরিচালক ও বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান নিজেকে প্রায় ২৭০ কোটি টাকার অধিক সম্পদের মালিক বলে দাবি করেছেন। তার এ বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, রবিবার এক ঘটনাক্রমে পঞ্চগড় জেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ে বসে সংবাদকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, তার মালিকানায় মোট ৭৫ বিঘা জমি রয়েছে। এর মধ্যে নিজের নামে ২৫ বিঘা, স্ত্রীর নামে ২৫ বিঘা এবং ছেলের নামে ২৫ বিঘা জমি রয়েছে।

তিনি দাবি করেন, স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী প্রতি কাঠা জমির মূল্য প্রায় ১৮ লাখ টাকা। সে হিসেবে ২০ কাঠায় এক বিঘা ধরা হলে ৭৫ বিঘা জমিতে মোট ১ হাজার ৫০০ কাঠা জমি হয়। এ হিসাবে জমির বাজারমূল্য প্রায় ২৭০ কোটি টাকার কাছাকাছি দাঁড়ায়। এছাড়া ঢাকার গুলশান এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একজন সরকারি কর্মকর্তার এত বিপুল সম্পদের উৎস নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহলের দাবি, সরকারি চাকরির সীমিত আয়ে এত সম্পদ অর্জন কীভাবে সম্ভব—তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

এদিকে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলেও অজ্ঞাত কারণে তিনি এখনো পঞ্চগড়ে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানা গেছে।

বর্তমানে তিনি বোদা উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি দেবীগঞ্জ উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করছেন।

স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের মতে, যদি শুধু জমির মূল্যই প্রায় ২৭০ কোটি টাকা হয়ে থাকে, তবে ব্যাংকে থাকা অর্থ, এফডিআর, স্বর্ণালংকার, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পদ মিলিয়ে তার মোট সম্পদের পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এছাড়া ঢাকার গুলশান এলাকায় তার একাধিক বাড়ি রয়েছে বলেও অভিযোগ রয়েছে, যার মূল্য এই হিসাবের মধ্যে ধরা হয়নি।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।