ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

পঞ্চগড়ে চার দশক পর বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জোড়দার

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫ ১৩১৭ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড়ে চার দশক পর বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জোড়দার

পঞ্চগড়ে চার দশক পর স্কুলের জমি উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের রতনী বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়টি। সীমান্ত ঘেঁষা প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তার সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার পাশেই লাগোয়া বিজিবি ক্যাম্প ও রয়েছে বাজার। ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠটি সকলের কাছে অতিগুরুত্ব বহন করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

বর্তমান কর্মরত এক ঝাঁক নবীন প্রবীন শিক্ষক-কর্মচারি দ্বারা পরিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা জোড়দার রয়েছে। শিক্ষাথর্েিদর জন্য রয়েছে সুবিশাল খেলাধূলার মাঠ। রয়েছে , সবার জন্য স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা। চারপাশে গড়ে ওঠেছে বাউন্ডারী ওয়াল।
বর্তমান প্রতিষ্ঠানটি এডহক কমিটি দ্বারা পরিচালিত। চব্বিশের গনঅভ্থূানের পর দলীয় মুক্ত হয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা সুনিপুণ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, এলাকার বিত্তবান ও সচেতন মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠা পায় শিংরোড রতনীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৯৮ জন। গতবার পরীক্ষায় এসএসসিতে ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ জন পাশ করে। যা অত্র এলাকার টুনিরহাট কেন্দ্রে প্রথম স্থান লাভ করে।

বিগত বছরগুলোয় শুধু দলীয় বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হওয়ায় নানা সমালোচিত হয় কমিটির লোকজন। বিদ্যালয়টির জমি উদ্ধার না হওয়ায় এক নীরব অচলাবস্থা দেখা দেয়। বিদ্যালয়টি পরিচালিত হলেও বিদ্যমান জমি উদ্ধার না হওয়ায় বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা সম্ভবহয়নি।১৯৮৬ সালে এক একর ৯২ ডি. জমিতে নির্মাণ হয় বিদ্যালয়টি।

বর্তমান বিদ্যালয়টির এডহক কমিটির আহবায়ক সোহেল রানা জানান বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকারিন সময় থেকেই জমির বিবাদ ছিল।যেহেতু এটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। ৮-১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন কলেজ নাই ‘তাই আগামীতে অংশীজনদের সহযোগিতায় কলেজিয়েট করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার মান্নোয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। এলাকার মানুষ আমার উপড় আস্থা রেখেছেন তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানাই। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক পঞ্চগড় এর সহযোগীতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষারমান সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন হওয়ায় এলাাবাসী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ ধন্যবাদ জানান তিনি।

এডহক কমিটির আহবায়ক সোহেল রানা জানান, স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও বিরোধপূর্ন জমির সমাধান না হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে আবেদন দেওয়ার পরে সরকারী সার্ভেয়ার দ্বারা জমির সীমানা নির্ধারন হওয়ার পর বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করা হয় এবং যা চলমান।

এছাড়া শিক্ষা প্রকৌশলের আওতায় চারতলা নতুন ভবন নিমার্ণকল্পে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পঞ্চগড়ে চার দশক পর বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জোড়দার

আপডেট সময় : ০৩:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

পঞ্চগড়ে চার দশক পর বিদ্যালয়ের জমি উদ্ধার, উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জোড়দার

পঞ্চগড়ে চার দশক পর স্কুলের জমি উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের রতনী বাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়টি। সীমান্ত ঘেঁষা প্রতিষ্ঠানটি নিরাপত্তার সৌন্দর্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তার পাশেই লাগোয়া বিজিবি ক্যাম্প ও রয়েছে বাজার। ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত বিদ্যাপীঠটি সকলের কাছে অতিগুরুত্ব বহন করে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

বর্তমান কর্মরত এক ঝাঁক নবীন প্রবীন শিক্ষক-কর্মচারি দ্বারা পরিপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা জোড়দার রয়েছে। শিক্ষাথর্েিদর জন্য রয়েছে সুবিশাল খেলাধূলার মাঠ। রয়েছে , সবার জন্য স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থা। চারপাশে গড়ে ওঠেছে বাউন্ডারী ওয়াল।
বর্তমান প্রতিষ্ঠানটি এডহক কমিটি দ্বারা পরিচালিত। চব্বিশের গনঅভ্থূানের পর দলীয় মুক্ত হয়ে শিক্ষা ব্যবস্থা সুনিপুণ ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি সূত্রে জানা যায়, এলাকার বিত্তবান ও সচেতন মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠা পায় শিংরোড রতনীবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩৯৮ জন। গতবার পরীক্ষায় এসএসসিতে ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৭ জন পাশ করে। যা অত্র এলাকার টুনিরহাট কেন্দ্রে প্রথম স্থান লাভ করে।

বিগত বছরগুলোয় শুধু দলীয় বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হওয়ায় নানা সমালোচিত হয় কমিটির লোকজন। বিদ্যালয়টির জমি উদ্ধার না হওয়ায় এক নীরব অচলাবস্থা দেখা দেয়। বিদ্যালয়টি পরিচালিত হলেও বিদ্যমান জমি উদ্ধার না হওয়ায় বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করা সম্ভবহয়নি।১৯৮৬ সালে এক একর ৯২ ডি. জমিতে নির্মাণ হয় বিদ্যালয়টি।

বর্তমান বিদ্যালয়টির এডহক কমিটির আহবায়ক সোহেল রানা জানান বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকারিন সময় থেকেই জমির বিবাদ ছিল।যেহেতু এটি প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত। ৮-১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন কলেজ নাই ‘তাই আগামীতে অংশীজনদের সহযোগিতায় কলেজিয়েট করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার মান্নোয়নে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। এলাকার মানুষ আমার উপড় আস্থা রেখেছেন তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানাই। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক পঞ্চগড় এর সহযোগীতায় বিদ্যালয়ের শিক্ষারমান সহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন হওয়ায় এলাাবাসী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সহ ধন্যবাদ জানান তিনি।

এডহক কমিটির আহবায়ক সোহেল রানা জানান, স্কুল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। কাগজপত্র ঠিক থাকলেও বিরোধপূর্ন জমির সমাধান না হওয়ায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবরে আবেদন দেওয়ার পরে সরকারী সার্ভেয়ার দ্বারা জমির সীমানা নির্ধারন হওয়ার পর বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ করা হয় এবং যা চলমান।

এছাড়া শিক্ষা প্রকৌশলের আওতায় চারতলা নতুন ভবন নিমার্ণকল্পে দরপত্র আহবান করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে দ্রুত নির্মাণ কাজ শুরু হবে।