নোয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ সমাবেশ
- আপডেট সময় : ০৪:২৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫ ১০২ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীতে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ সমাবেশ
নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে দলের একাংশের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কবিরহাট বাজারে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের একাংশ এই কর্মসূচি পালন করে।
এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রাথমিকভাবে মনোনীত হয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম। অপরদিকে, এ আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ।
মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই আবেদের সমর্থকরা কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মশাল মিছিল করে আসছেন।
বুধবার বিকেলে আবেদের অনুসারীরা কবিরহাট সরকারি কলেজের সামনে ও জিরো পয়েন্ট এলাকায় জড়ো হয়ে কাফনের কাপড় পরে প্রধান সড়কে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে শাপলা চত্বরে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ হয়।
এসময় তারা মনোনীত প্রার্থীকে বয়কট করে আবেদকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিএনপির ঘোষণা করা প্রার্থী ফখরুল ইসলাম “হৃদয়ে বিএনপি ধারণ করেন না” বরং জামায়াতপন্থী বলে দাবি করেন তারা। বক্তারা অভিযোগ করেন, স্থানীয়ভাবে তিনি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন এবং নেতাকর্মীদের জন্য “হুমকি” হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন—মনোনয়ন বাতিল না হলে বৃহত্তর আন্দোলন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি এবং প্রয়োজনে গণপদত্যাগ করা হবে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কবিরহাট পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার, আবু হানিফ, আরাফাতুর রহমান হাসান, দেলোয়ার হোসেন, আবুল কাশেমসহ অনেকে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, “দলের পরীক্ষিত নেতা আবেদকে বাদ দিয়ে উড়ে এসে জুড়ে বসা ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে কেউ ফখরুলকে গ্রহণ করেন না।”
এ বিষয়ে ফখরুল ইসলাম বলেন: “গণতান্ত্রিক দলে সবাই মত প্রকাশের অধিকার রাখে। কয়েক দিন আগে আমি ৫০ হাজার মানুষের সমাবেশ করেছি। কেউ তাদের মত প্রকাশ করলে তা তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার।”



















