গুরুদাসপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার হাড়ানো চেক দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা সুদ-কারবারীর!
- আপডেট সময় : ০১:১৬:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

গুরুদাসপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার হাড়ানো চেক দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা সুদ-কারবারীর!
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
গুরুদাসপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার হাড়ানো চেক দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা সুদ-কারবারীর! নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের মৃত জমির মোল্লার ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুর জব্বারের হারানো স্বাক্ষরিত চেকের পাতায় মোটা অংক লিখে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করছে একই গ্রামের মৃত আলম শাহর ছেলে, সুদ কারবারি মোঃ মঈনুল শাহ।
এলাকা ও জিডি সুত্র জানা যায়, গত ১ জুন অসুস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ জব্বার আলী চেকের পাতা বাসায় থেকে স্বাক্ষর করে। লোন থাকার জন্য অংক লিখতে পারেননি। ব্যাংকে ব্যালেনস শুনে অংক বসিয়ে তার সন্মানী ভাতার টাকা উত্তোলনের জন্য বাসা থেকে ভ্যানযোগে রওয়ানা হন গুরুদাসপুর সোনালী ব্যাংকের উদ্দেশ্যে।
কিন্তু ব্যাংকে পৌঁছলে খুঁজাখুঁজি করে পান না সেই চেকের পাতা। বাড়িতে ফিরেও খুঁজাখুঁজি করে চেকের পাতাটি না পেয়ে গুরুদাসপুর থানায় গত ১১ জুন জিডি করেন। এবং নতুন চেকের বই নিয়ে সন্মানী ভাতার টাকা উত্তোলন করেন।
হারানো চেকের পাতা নং–6971897.হিসাব নং-4906002099948 এই চেকের পাতা সুদ কারবারি মঈনুল শাহ পেয়ে গত ১২ জুন নিজের মত অংক (৭ লাখ টাকা) বসিয়ে উত্তোলনের চেষ্টা করেন। একাউন্টে টাকা না থাকায় চেকটি ডিজোনার হয়ে টাকা উত্তোলনে করতে পারে না মঈনুল।এছাড়াও ঐ এলাকার অনেকের সাথে সুদের কারবারি করে বিপুল পরিমাণ অর্থের মালিক হয়েছে মঈনুল। অনেককে নিঃস্ব করাসহ এলাকা ছাড়াও করেছে।এলাকা সুত্রে জানাগিয়েছে, মঈনুলের সাথে ক্ষমতাশালী লোক থাকায় এসকল অন্যায় করে পাড় পেয়ে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর জব্বার বলেন, মঈনুল বড় মাপের সুদ কারবারি, আমার হাড়ানো চেক নিয়ে আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করছে। আমি দুইবার হার্ট অ্যাটাক করে একেবারেই অসুস্থ মানুষ।পুলিশ প্রশাসনের কাছে ন্যায্য বিচারের দাবী জানান তিনি।
নগদ ৭ লাখ টাকা নিয়ে আমাকে চেকটি দিয়েছিলো। তবে তার কাছে কোন সাক্ষী বা লিখিত নাই বলে জানায় অভিযুক্ত মঈনুল শাহ।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোখলেস মাষ্টার বলেন, মঈনুল একজন সুদ কারবারি। প্রথমে আমাকে মঈনুল সাক্ষী মেনছিলো আমি নাকি লেনদেনের সময় ছিলাম। কিন্তু আমি কিছুই জানি না। মঈনুল একেকবার একেক কথা বলছে। প্রশাসনের কাছে তিনি দাবী জানান, সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।
গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল মতিন বলেন, এব্যপারে একটি জিডি হয়েছে, তদন্ত চলছে।

















