ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বোদায় হানিট্রাপের অভিযোগে দুই যুবদল নেতা গ্রেপ্তার বোদায় ধানক্ষেত থেকে ৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ১ বোদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’, কমবে বালাইনাশকের ব্যবহার দেবীগঞ্জে প্যাকেটজাত দুধ পান করে ১৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ বেনাপোল ইমিগ্রেশনে যাত্রী হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ, তদন্তের দাবি বগুড়ার ইলেকট্রিক মার্কেটে বিএসটিআইয়ের অভিযান, ৮ প্রতিষ্ঠানকে ৭ দিনের সময় গোদাগাড়ীতে হঠাৎ তীব্র পদ্মার ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ ৫৫ বছরেও পাকা হয়নি ঝিনাইগাতীর ২ কিলোমিটার সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’, কমবে বালাইনাশকের ব্যবহার

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ১০:২২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

Naldanga krishi news

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’, কমবে বালাইনাশকের ব্যবহার

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশকের ব্যবহার কমাতে নাটোরের নলডাঙ্গায় ‘আলোক ফাঁদ’ প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বালাই ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশ ও উপকারী পোকামাকড় সুরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভট্টপাড়া গ্রামে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে একটি জমিতে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সবুজ আলী বলেন, গতানুগতিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, অন্যদিকে ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি অনেক উপকারী পোকাও মারা যায়। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা জমিতে আলো জ্বালিয়ে তার নিচে সাবান বা কেরোসিন মিশ্রিত পানির পাত্র রেখে আলোক ফাঁদ তৈরি করছেন। আলোর আকর্ষণে ফাঁদে আটকা পড়া পোকামাকড় পর্যবেক্ষণ করে জমিতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করা হচ্ছে।

পোকার উপস্থিতি ও আক্রমণের মাত্রা বিবেচনা করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বালাইনাশক প্রয়োগের প্রবণতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আলোক ফাঁদ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের বলেন, অনেক সময় পোকার আক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই জমিতে অতিরিক্ত বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। এতে কৃষকের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড়ও ধ্বংস হয়। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করা হলে ফসল নিরাপদ রাখার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও কমানো সম্ভব।

কৃষি কর্মকর্তারা আরও বলেন, আলোক ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে পোকার আক্রমণ সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায়। ফলে সময়মতো বালাই ব্যবস্থাপনা নেওয়ার পাশাপাশি কৃষকের বালাইনাশক ব্যবহারে অপচয়ও কমানো সম্ভব হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’, কমবে বালাইনাশকের ব্যবহার

আপডেট সময় : ১০:২২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

নলডাঙ্গায় ক্ষতিকর পোকা শনাক্তে ‘আলোক ফাঁদ’, কমবে বালাইনাশকের ব্যবহার

নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত ও অপ্রয়োজনীয় বালাইনাশকের ব্যবহার কমাতে নাটোরের নলডাঙ্গায় ‘আলোক ফাঁদ’ প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এ পদ্ধতির মাধ্যমে ফসলের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বালাই ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এতে উৎপাদন খরচ কমার পাশাপাশি পরিবেশ ও উপকারী পোকামাকড় সুরক্ষিত থাকবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভট্টপাড়া গ্রামে কৃষি বিভাগের উদ্যোগে একটি জমিতে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সবুজ আলী বলেন, গতানুগতিক পদ্ধতিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে একদিকে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, অন্যদিকে ক্ষতিকর পোকার পাশাপাশি অনেক উপকারী পোকাও মারা যায়। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠপর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা জমিতে আলো জ্বালিয়ে তার নিচে সাবান বা কেরোসিন মিশ্রিত পানির পাত্র রেখে আলোক ফাঁদ তৈরি করছেন। আলোর আকর্ষণে ফাঁদে আটকা পড়া পোকামাকড় পর্যবেক্ষণ করে জমিতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করা হচ্ছে।

পোকার উপস্থিতি ও আক্রমণের মাত্রা বিবেচনা করে কৃষকদের প্রয়োজনীয় বালাই ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। এতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বালাইনাশক প্রয়োগের প্রবণতা কমবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আলোক ফাঁদ কার্যক্রম পরিদর্শনকালে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের বলেন, অনেক সময় পোকার আক্রমণ সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই জমিতে অতিরিক্ত বালাইনাশক প্রয়োগ করা হয়। এতে কৃষকের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি উপকারী পোকামাকড়ও ধ্বংস হয়। আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করা হলে ফসল নিরাপদ রাখার পাশাপাশি উৎপাদন খরচও কমানো সম্ভব।

কৃষি কর্মকর্তারা আরও বলেন, আলোক ফাঁদ ব্যবহারের মাধ্যমে পোকার আক্রমণ সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায়। ফলে সময়মতো বালাই ব্যবস্থাপনা নেওয়ার পাশাপাশি কৃষকের বালাইনাশক ব্যবহারে অপচয়ও কমানো সম্ভব হচ্ছে।