ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাগাতিপাড়ায় ১২ দিন ধরে নিখোঁজ মানসিক প্রতিবন্ধী যুবক, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগে নাটোরে মা ও শিশু সদনে ভাঙচুর, নবজাতকের মৃত্যু গোদাগাড়ীতে সজিনা গাছের ডাল কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গৃহবধূর মৃত্যু রাজশাহীতে কি’শোরী ধ র্ষ ণ মামলায় ধর্মযাজক বেকসুর খালাস সাপাহারে অবৈধ ‘আম তোলা’ চক্রের ৫ সদস্য গ্রেফতার গোদাগাড়ীতে এনসিপির ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ ও সমাবেশ পঞ্চগড়ে একই দিনে সাপের কামড়ে আহত দুই; একজনকে দেওয়া হয়েছে এন্টিভেনাম, অন্যজন পর্যবেক্ষণে মান্দায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি ২০০ পরিবার; প্রশাসনের উদ্যোগে শুকনো খাবার বিতরণ মেধাবীদের যথাযথ মূল্যায়নে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব: ভূমিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে গরু নিয়ে নদী পার হতে গিয়ে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু

পুঠিয়ায় ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে আশার আলো, মাঠ দিবসে উচ্ছ্বসিত কৃষকেরা

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬ ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পুঠিয়ায় ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে আশার আলো, মাঠ দিবসে উচ্ছ্বসিত কৃষকেরা

কম খরচে বেশি ফলনের সম্ভাবনা; আগামী মৌসুমে ব্রি ধান-১০৮ চাষ বাড়ানোর আগ্রহ কৃষকদের

রাজশাহীর পুঠিয়ায় উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ধোপাপাড়া চকপলাশী এলাকার একটি কৃষি মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস। কৃষকদের দাবি, কম খরচে বেশি ফলন মিললে আগামী মৌসুমে এই জাতের ধান চাষ আরও বাড়বে।

পার্টনার প্রকল্প ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, গবেষক ও শতাধিক কৃষক। মাঠেই ধান কেটে ফলন পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেই দৃশ্য ঘিরে কৃষকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ হোসাইন। তিনি বলেন, “ব্রি ধান-১০৮ রোগবালাই তুলনামূলক কম হয় এবং ফলনও অনেক ভালো। সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতি বিঘায় ৩৩ থেকে ৩৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুমনা হক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী দাস। তাঁরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিকাজে আরও আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান।

স্থানীয় কৃষকদের একাংশের বক্তব্য, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এই ধান চাষে লাভের সম্ভাবনা বেশি। কৃষক আমিনুল ইসলাম ডালিম বলেন, “এবার ফলন দেখে আমরা আশাবাদী। আগামীতে আরও বেশি জমিতে এই ধান চাষ করতে চাই।”

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের আশা, ব্রি ধান-১০৮ আগামী দিনে অঞ্চলের কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পুঠিয়ায় ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে আশার আলো, মাঠ দিবসে উচ্ছ্বসিত কৃষকেরা

আপডেট সময় : ১১:০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

পুঠিয়ায় ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে আশার আলো, মাঠ দিবসে উচ্ছ্বসিত কৃষকেরা

কম খরচে বেশি ফলনের সম্ভাবনা; আগামী মৌসুমে ব্রি ধান-১০৮ চাষ বাড়ানোর আগ্রহ কৃষকদের

রাজশাহীর পুঠিয়ায় উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান-১০৮ নিয়ে নতুন করে আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার ধোপাপাড়া চকপলাশী এলাকার একটি কৃষি মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস। কৃষকদের দাবি, কম খরচে বেশি ফলন মিললে আগামী মৌসুমে এই জাতের ধান চাষ আরও বাড়বে।

পার্টনার প্রকল্প ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর অর্থায়নে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-এর উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, গবেষক ও শতাধিক কৃষক। মাঠেই ধান কেটে ফলন পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেই দৃশ্য ঘিরে কৃষকদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ হোসাইন। তিনি বলেন, “ব্রি ধান-১০৮ রোগবালাই তুলনামূলক কম হয় এবং ফলনও অনেক ভালো। সঠিক পরিচর্যা করলে প্রতি বিঘায় ৩৩ থেকে ৩৫ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব।”

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুমনা হক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা স্মৃতি রানী দাস। তাঁরা কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিকাজে আরও আগ্রহী হওয়ার আহ্বান জানান।

স্থানীয় কৃষকদের একাংশের বক্তব্য, উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এই ধান চাষে লাভের সম্ভাবনা বেশি। কৃষক আমিনুল ইসলাম ডালিম বলেন, “এবার ফলন দেখে আমরা আশাবাদী। আগামীতে আরও বেশি জমিতে এই ধান চাষ করতে চাই।”

কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের আশা, ব্রি ধান-১০৮ আগামী দিনে অঞ্চলের কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠবে এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।