শেরপুরে বর্ণিল আয়োজনে নববর্ষ বরণ, আনন্দ শোভাযাত্রায় মিলনমেলা
- আপডেট সময় : ০৮:৩১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ৭৭ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরে বর্ণিল আয়োজনে নববর্ষ বরণ, আনন্দ শোভাযাত্রায় মিলনমেলা
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শোভাযাত্রা, ডিসি উদ্যানে তিন দিনব্যাপী লোকজ মেলা
বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণে শেরপুর জুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ, প্রাণের উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজন। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বের হয় আনন্দ শোভাযাত্রা, যা মুহূর্তেই শহরজুড়ে ছড়িয়ে দেয় বৈশাখের আনন্দধারা।
শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল ঘুড়ি, ময়ূর, পাখি, বাঘের প্রতিকৃতি, বর্ণিল ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী মুখোশ। সঙ্গে ছিল গ্রামবাংলার চিরচেনা গরুর গাড়ি ও পালকি—যা নববর্ষের ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে। শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শোভাযাত্রাটি পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এরপর ডিসি উদ্যানে শুরু হয় তিন দিনব্যাপী লোকজ মেলা। মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমান। মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্য, হস্তশিল্প, লোকসংস্কৃতি এবং নানা বিনোদনমূলক আয়োজন স্থান পায়, যা দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক মামুনুর রশিদ পলাশ, পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান ভুঁঞা, পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহবুবা হক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজাসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শুধু জেলা শহরেই নয়, শেরপুরের বিভিন্ন উপজেলা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগেও দিনব্যাপী পহেলা বৈশাখের নানা আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন গ্রামে হাট-বাজার ও স্কুল মাঠে বসে লোকজ বৈশাখী মেলা, যা গ্রামীণ জীবনে নতুন প্রাণসঞ্চার করেছে।
বাংলা নববর্ষকে ঘিরে শেরপুরবাসীর এই সম্মিলিত আয়োজন বাঙালির চিরন্তন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছে।




















