ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়াইগ্রামে ভিত্তিহীন ও মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগাতিপাড়ার অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক সামগ্রী বিক্রির বিক্রির দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মান্দায় যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চগড়ে শেয়ালের কামড়ে শিশুসহ আহত ৯, আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল: দেবীগঞ্জের পিআইও বাবুল চন্দ্র রায় বদলি, গঠিত দুটি তদন্ত কমিটি বাগাতিপাড়ায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরণ ও পরিকল্পনা সভা লালপুরে প্রশাসনিক জটিলতায় বিপাকে ইটভাটা শিল্প, ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে রাজশাহীতে বিএনপির অবস্থান কর্মসূচি বাগাতিপাড়ায় ইজিবাইকের ধাক্কায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আয়েশা’র মৃত্যু লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তা পাড়ে আতঙ্ক

রাণীশংকৈলে প্রাশাসনিক কর্মকর্তার “মা দ ক” সেবনের ছবি ভাইরাল

নাজমুল হোসেন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫ ৪৬২ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাণীশংকৈলে প্রাশাসনিক কর্মকর্তার “মা দ ক” সেবনের ছবি ভাইরাল

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) পলাশ চন্দ্র রায়ের মাদক সেবনের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পলাশ চন্দ্র রায় রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের দ্বায়িত্বে রয়েছেন। তার বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার বৃদ্ধিগাঁও রনসিয়া গ্রামে। সে ওই এলাকার দগ্ধু চন্দ্র রায় ও ক্ষিরতা রায় দম্পতির ছেলে।

গত দুই দিন ধরে মাদক সেবনের কয়েকটি ছবি বিভিন্ন ফেসবুক আইডি, ফেসবুক গ্রুপ ও ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে। ছবিগুলো শেয়ার করে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী বলেও দাবি করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিগুলোর নিচে তাঁর বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন লোকজন। মন্তব্যে অনেকেই তার গ্রেপ্তার, বরখাস্ত ও শাস্তি দাবি করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) হয়ে এমন কাজ করায় ভাইরাল হওয়া ছবির কমেন্ট বক্সে নিন্দার ঝড় তুলেছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি চেয়ারে বসে ফেনসিডিল সেবন করছেন। অপর কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি বিছানায় বসে ফেনসিডিল সেবন করছেন।

এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসন থেকে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

ইউপি সচিবের এমন ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সমালোচনা চলছে। ইমরান আলী নামে একজন ফেসবুকে লেখেন, এই সচিব অনেক দিন থেকেই ফেনসিডিল সেবন করেন। তাঁর চলাফেরাও তেমন লোকজনের সঙ্গে। সাব্বির নামে একজন লেখেন, ইউনিয়ন পরিষদে যেকোনো বিষয় নিয়ে তাঁর কাছে গেলে তিনি সব কাজেই টাকা চান। টাকা ছাড়া কোনো কাজ তাঁর কাছে হয় না। এ কারণেই টাকাটা তিনি বেশি নেন।

সামাজিক গণমাধ্যমে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবনের ছবিগুলো দেখে ধারণা করছেন, মাদক সেবনের স্থানটি ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের নিজ কার্যালয়ে এবং তিনি যেখানে ভাড়া বাসায় থাকেন সেখানকার বলে ধারণা করছেন অনেকে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নিরিবিলি জায়গায় ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নিয়মিত আড্ডা দেন তিনি। তার নেতৃত্বে ওই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় মাদকের একটি বড় ঘাঁটি হয়েছে। আরও কয়েকটি স্থানে মাদকের আড্ডা বসে তাঁর নেতৃত্বে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি সচিব পলাশ চন্দ্র রায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাণীশংকৈলে প্রাশাসনিক কর্মকর্তার “মা দ ক” সেবনের ছবি ভাইরাল

আপডেট সময় : ০২:০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ অগাস্ট ২০২৫

রাণীশংকৈলে প্রাশাসনিক কর্মকর্তার “মা দ ক” সেবনের ছবি ভাইরাল

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) পলাশ চন্দ্র রায়ের মাদক সেবনের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। পলাশ চন্দ্র রায় রাণীশংকৈল উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের দ্বায়িত্বে রয়েছেন। তার বাড়ি পীরগঞ্জ উপজেলার বৃদ্ধিগাঁও রনসিয়া গ্রামে। সে ওই এলাকার দগ্ধু চন্দ্র রায় ও ক্ষিরতা রায় দম্পতির ছেলে।

গত দুই দিন ধরে মাদক সেবনের কয়েকটি ছবি বিভিন্ন ফেসবুক আইডি, ফেসবুক গ্রুপ ও ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে। ছবিগুলো শেয়ার করে তাঁকে মাদক ব্যবসায়ী বলেও দাবি করা হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ছবিগুলোর নিচে তাঁর বিরুদ্ধে নানা মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন লোকজন। মন্তব্যে অনেকেই তার গ্রেপ্তার, বরখাস্ত ও শাস্তি দাবি করেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদের একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) হয়ে এমন কাজ করায় ভাইরাল হওয়া ছবির কমেন্ট বক্সে নিন্দার ঝড় তুলেছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

ভাইরাল হওয়া বেশ কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি চেয়ারে বসে ফেনসিডিল সেবন করছেন। অপর কয়েকটি ছবিতে দেখা যায়, তিনি বিছানায় বসে ফেনসিডিল সেবন করছেন।

এ বিষয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসন থেকে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

ইউপি সচিবের এমন ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সমালোচনা চলছে। ইমরান আলী নামে একজন ফেসবুকে লেখেন, এই সচিব অনেক দিন থেকেই ফেনসিডিল সেবন করেন। তাঁর চলাফেরাও তেমন লোকজনের সঙ্গে। সাব্বির নামে একজন লেখেন, ইউনিয়ন পরিষদে যেকোনো বিষয় নিয়ে তাঁর কাছে গেলে তিনি সব কাজেই টাকা চান। টাকা ছাড়া কোনো কাজ তাঁর কাছে হয় না। এ কারণেই টাকাটা তিনি বেশি নেন।

সামাজিক গণমাধ্যমে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি মাদক সেবনের ছবিগুলো দেখে ধারণা করছেন, মাদক সেবনের স্থানটি ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সচিবের নিজ কার্যালয়ে এবং তিনি যেখানে ভাড়া বাসায় থাকেন সেখানকার বলে ধারণা করছেন অনেকে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় নিরিবিলি জায়গায় ঘনিষ্ঠদের নিয়ে নিয়মিত আড্ডা দেন তিনি। তার নেতৃত্বে ওই ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় মাদকের একটি বড় ঘাঁটি হয়েছে। আরও কয়েকটি স্থানে মাদকের আড্ডা বসে তাঁর নেতৃত্বে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইউপি সচিব পলাশ চন্দ্র রায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাফিউল মাজলুবিন রহমান বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।