নাটোরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড ও ১জনের আমৃত্যু কারাদন্ড!
- আপডেট সময় : ০৯:৩৯:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৩ ২৫১ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড ও ১জনের আমৃত্যু কারাদন্ড!
বিশেষ প্রতিনিধি নাটোরঃ
নাটোরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় ১জনের মৃত্যুদন্ড ও ১জনের আমৃত্যু কারাদন্ড! নাটোরের লালপুরে স্কুল ছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের মামলায় সুমন আলী নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড এবং রফিকুল ইসলাম নামে অপর একজনকে আমৃত্যু কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। দন্ডপ্রাপ্ত দু’জনকেই ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা ভিকটিম পাবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়। রোববার (১২ আগস্ট) নাটোর জেলা ও দায়রা জজ এর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান জানান, স্কুলে যাওয়া আসার পথে বিভিন্ন ভাবে প্রেম নিবেদন, কু-প্রস্তাব সহ উত্যক্ত করতো সুমন আলী নামে স্থানীয় এক বখাটে যুবক। বিষয়টি স্কুল ছাত্রী তার বাড়ীতে জানানোর পর সুমন ক্ষিপ্ত হয়ে তার সহযোগীদের নিয়ে ২০১৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়ীতে হামলা করে তার মাকে একটি ঘরে আটকে রেখে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাসে করে নিয়ে চলে যায়। তাদের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তার মায়ের ঘরের দরজা খুলে দেয় এবং স্কুল ছাত্রীর বাবাকে সংবাদ দেয়। পরে স্কুল ছাত্রীর বাবা ও স্থানীয়রা অভিযুক্ত সুমনের বাড়ীতে গিয়ে মেয়েকে ফেরত চাইলে বিভিন্ন টালবাহনা করেন। পরে এ ঘটনায় স্কুল ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে সুমন আলীসহ ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৩ জনকে অভিযুক্ত করে লালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার ও সুমনকে গ্রেফতার করে। পরে পুলিশ তদন্ত করে সুমন আলী ও রফিকুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহন প্রমান শেষে দীর্ঘ সাড়ে ৬ বছর পর আদালতের বিচারক এই রায় প্রদান করেন।






















