নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত
- আপডেট সময় : ০৩:৩৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ৬৮ বার পড়া হয়েছে

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত
নাটোর প্রতিনিধিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের পরিচয় শনাক্ত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
শনাক্ত হওয়া নিহত ১২ জন হলেন, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ফরাদপু গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে সোহেল রানা, বাগমারা উপজেলার কনোপাড়া গ্রামের বাবর আলীর ছেলে আনোয়ার হক, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব সুবিধখালী এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে তাসফিয়া ও আজাহার হাওলাদারের ছেলে শহিদুল ইসলাম, শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের জহিরউদ্দীন মাতবরের ছেলে জুয়েল মাতবর, ডুবি সাহিবর গ্রামের ইউনুস শিকদারের ছেলে সোহাগ, জাহান উদ্দীন মোল্লার ছেলে সাহ লাল ও আরব আলীর ছেলে আব্দুস সামাদ, একই উপজেলার কাথুরিয়া গ্রামের রাজ্জাক ব্যাপারির ছেলে শাহিন, ঝিনাইদহ সদরের বড় মান্দারবাড়িয়া গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে আবু কালাম, নওঁগার সাপাহারের ঘোনটোলা এলাকার সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে রাসেল এবং ফরিদপুর সদর উপজেলার বাখোন্দিয়া গ্রামের ওমর কুমার জমাদারের ছেলে হিমেশ জমাদার।
এদিকে, মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোর-পাবনা মহাসড়কের বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস বড়াইগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে পাবনাগামী একটি বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসের যাত্রীদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজন মারা যান।
আহত ও নিহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। আহতদের মধ্যে আটজনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম দুর্ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।





















