নাটোর পুলিশের উদ্ধার করা ল্যাপটপ জার্মান পর্যটকের হাতে তুলে দিলেন আইজিপি
- আপডেট সময় : ০৬:৩০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে

নাটোর পুলিশের উদ্ধার করা ল্যাপটপ জার্মান পর্যটকের হাতে তুলে দিলেন আইজিপি
নিউজ ডেস্কঃ
নাটোর জেলা পুলিশের উদ্ধার করা জার্মান পর্যটক কিরিল ল্যান্ডার উইবারের (১৮) হারানো ল্যাপটপ তার হাতে তুলে দিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকির।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পর্যটক কিরিল ল্যান্ডার উইবারের হাতে আইজিপি আলী হোসেন ফকির আনুষ্ঠানিকভাবে ল্যাপটপটি হস্তান্তর করেন। এ সময় ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সাধারণ ডায়েরির (জিডি) তদন্তকারী কর্মকর্তাকে আর্থিক প্রণোদনাও দেন আইজিপি।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর নাটোর রেলওয়ে স্টেশন থেকে জার্মান পর্যটক কিরিলের ল্যাপটপ ও ক্যামেরা হারিয়ে যায়। তিনি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন শেষে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে নাটোর স্টেশনে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় স্টেশনের ওয়েটিং রুমে ল্যাপটপ ও ক্যামেরা রেখে পাশের একটি এটিএম বুথে টাকা তুলতে যান। ফিরে এসে সেগুলো খুঁজে না পেয়ে নাটোর থানায় পুলিশের সহযোগিতা চান। তার লিখিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ অক্টোবর নাটোর থানায় জিডি নম্বর ৫১২ লিপিবদ্ধ করা হয়।
ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে নাটোর সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখাসহ (ডিবি) জেলা পুলিশের একাধিক দল অনুসন্ধান শুরু করে। ধারাবাহিক অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার (১১ অক্টোবর) রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে নাটোর শহরের কাপুড়িয়াপট্টি এলাকার নূর ক্লোথিং স্টোর থেকে ল্যাপটপটি উদ্ধার করে থানা পুলিশ।
পরে আইজিপি আলী হোসেন ফকির এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আশিক সাঈদের উদ্যোগ ও সমন্বয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ল্যাপটপটি পর্যটক কিরিলের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নাটোর সদর থানার ওসি ও জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেন, পুলিশের এ উদ্যোগ বিদেশি পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাদের অভিযোগের প্রতিকার এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারে বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় বহন করে। এ ধরনের কার্যক্রম দেশি-বিদেশি নাগরিকদের কাছে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।



















