উত্তরাঞ্চলের চায়ের মান বাড়াতে নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে: চা বোর্ড চেয়ারম্যান
- আপডেট সময় : ১১:০৯:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে
উত্তরাঞ্চলের চায়ের গুণগত মান বাড়াতে নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চা বোর্ড চেয়ারম্যান।

উত্তরাঞ্চলের চায়ের মান বাড়াতে নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করতে হবে- চা বোর্ড চেয়ারম্যান
মো. কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি, পঞ্চগড়ঃ
উত্তরাঞ্চলের চা শিল্পের বিকাশ ও উৎপাদিত চায়ের গুণগত মান বাড়াতে নিজেদের দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ।
তিনি বলেছেন, চায়ের মানোন্নয়নে প্রথমেই নিজেদের ভুল ও সীমাবদ্ধতা শনাক্ত করতে হবে। পাশাপাশি চায়ের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো ধরে রেখে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হ্যান্ডলিংয়ের প্রতিটি পর্যায়ে গুণগত মান নিশ্চিত করা জরুরি।
রোববার (১১ অক্টোবর) বিকেলে পঞ্চগড়ে বাংলাদেশ চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে গুণগত মানসম্পন্ন চা উৎপাদনবিষয়ক প্রশিক্ষণ ও চা আস্বাদনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চায়ের মানোন্নয়নে দুর্বলতা শনাক্তের আহ্বান
চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বলেন, নিজেদের উৎপাদিত চায়ের মান সম্পর্কে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার পাশাপাশি কোথায় ঘাটতি রয়েছে, তা উপলব্ধি করতে হবে। নিজের দুর্বলতা চিহ্নিত করার সক্ষমতাই মানোন্নয়নের প্রথম শর্ত।
তিনি আরও বলেন, চায়ের গুণগত মান ধরে রাখতে উৎপাদনের ইতিবাচক দিকগুলো সংরক্ষণের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণ ও হ্যান্ডলিংয়ের কোন পর্যায়ে ত্রুটি হচ্ছে, তা শনাক্ত করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে উৎপাদিত চায়ের মান আরও উন্নত করা সম্ভব।
প্রশিক্ষণ ও চা আস্বাদনী অধিবেশনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা
প্রশিক্ষণ ও চা আস্বাদনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের সদস্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, শ্রীমঙ্গলভিত্তিক প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, পরিচালক ইসমাইল হোসেন, বাংলাদেশ বটলিফ চা কারখানার সভাপতি নিয়াজ আলী চিশতী, স্মল টি ওনার্স অ্যান্ড ট্রি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি শাহজাহান খান এবং চা চাষী সমিতির উপদেষ্টা আনিসুর রহমান নূতনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অধিবেশনে উত্তরাঞ্চলের চায়ের গুণগত মান উন্নয়ন, উৎপাদিত চায়ের ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে মান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


















