ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাবিপ্রবির অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন বাগাতিপাড়ার সন্তান “আব্দুল হামিদ” লালপুরে বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার লালপুরে পৌর কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার লালপুরে নারীদের ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল গোদাগাড়ীতে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি রক্ষার দাবি দেবীগঞ্জে স্বামীর দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর স্ত্রীরও মৃত্যু ঈশ্বরদীতে মাদকসহ তাঁতীদল নেতা আটক, ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ৫০ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার শ্রীনগরে পূজার প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধরের অভিযোগ লালপুরে মেয়ের পরিচয়ে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তা পাড়ে আতঙ্ক

লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে

collected pic

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তা পাড়ে আতঙ্ক

৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা পাউবোর; নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

লালমনিরহাটে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তিস্তা তীরবর্তী লালমনিরহাটসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো সূত্রে জানা যায়, ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেওয়ার কারণে উজান থেকে প্রবল পানির চাপ তিস্তা নদীতে প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

পাউবো জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন এ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গড্ডিমারী গ্রামের সাবেক শিক্ষক মহিরুদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পানি না দিয়ে এবং বর্ষায় গেট খুলে পানি ছেড়ে দেওয়ায় তিস্তা তীরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।”

অন্যদিকে উত্তর গড্ডিমারী গ্রামের বাসিন্দা মোন্তাজ মিয়া বলেন, তিস্তা তীরবর্তী এলাকার রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। পানি আরও বাড়লে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নাঞ্চলীয় মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানির চাপ সামাল দিতে ব্যারাজের সব ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও রাস্তাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তা পাড়ে আতঙ্ক

আপডেট সময় : ০৪:০৯:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপরে, তিস্তা পাড়ে আতঙ্ক

৪৪টি গেট খুলে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা পাউবোর; নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

লালমনিরহাটে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে তিস্তা তীরবর্তী লালমনিরহাটসহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো সূত্রে জানা যায়, ভারী বৃষ্টিপাত এবং ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সবগুলো গেট খুলে দেওয়ার কারণে উজান থেকে প্রবল পানির চাপ তিস্তা নদীতে প্রবেশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট সার্বক্ষণিক খুলে পানি প্রবাহ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

পাউবো জানিয়েছে, আগামী দুই থেকে তিন দিন এ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে ঢল অব্যাহত থাকতে পারে। এতে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।

তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গড্ডিমারী গ্রামের সাবেক শিক্ষক মহিরুদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পানি না দিয়ে এবং বর্ষায় গেট খুলে পানি ছেড়ে দেওয়ায় তিস্তা তীরের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।”

অন্যদিকে উত্তর গড্ডিমারী গ্রামের বাসিন্দা মোন্তাজ মিয়া বলেন, তিস্তা তীরবর্তী এলাকার রাস্তা-ঘাট ডুবে গেছে। পানি আরও বাড়লে ভয়াবহ বন্যার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টির কারণে তিস্তার পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নাঞ্চলীয় মানুষদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিস্তা ব্যারাজের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, পানির চাপ সামাল দিতে ব্যারাজের সব ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ ও রাস্তাগুলো পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।