ঢাকা ০৭:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গজারিয়ায় হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে ১ কেজি ৩০০ গ্রাম গাঁজাসহ ৩ জন আটক হরিপুরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে এসওডি বিষয়ক সভা শেরপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত ঝিনাইগাতীর এস এম নূর-মোহাম্মদ রামেকে রোগী ভাগিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ৭ দালালের কারাদণ্ড রাজশাহীতে আমবাগান থেকে ১৬ ককটেল ও পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার রাজশাহী মেডিকেলে ৫ দিনে ডেঙ্গুতে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন ভর্তি ১৩০ শিবগঞ্জে ছিনিয়ে নেওয়া ১১ মাসের শিশু ৩৬ ঘণ্টায় উদ্ধার, দম্পতি গ্রেপ্তার গোদাগাড়ীতে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ ঝিনাইগাতী সীমান্তে ১৭ লাখ টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ গোমস্তাপুরের রামদাস বিল সাজাতে ১ হাজার ৫০০ তালগাছ

রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২ ২৬২ বার পড়া হয়েছে
চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:
রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ। বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার শব্দের মানমাত্রা পরীক্ষা করে দেখে এ কথা জানানো হয়েছে। বারিন্দ এনভায়রনমেন্টের সহযোগিতায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সভাপতি প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান জানান, সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন এলাকাকে পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।

এগুলো হলো-নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা, মিশ্র এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা এবং শিল্প এলাকা। রাজশাহী শহরের শিল্প এলাকা ছাড়া অন্য চার জায়গাতেই শব্দদূষণ হচ্ছে।
তিনি জানান, নীরব এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৫০ ও ৪০ ডেসিবেল। কিন্তু রাজশাহীর ঘোষিত নীরব এলাকায় দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া গেছে ৮৪ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭০ ও ৬০ ডেসিবেল। তবে রাজশাহীর বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৮৮ থেকে ৯০ ডেসিবেলের মধ্যে। এভাবে সব ক্যাটাগরিতেই শব্দের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে।

শুধু শিল্প এলাকায় শব্দের স্বাভাবিক মাত্রা পাওয়া গেছে। শিল্প এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭৫ ও ৭০ ডেসিবেল। রাজশাহীর শিল্প এলাকায়
শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৭৪ ডেসিবেল। প্রাপ্ত মানগুলো থেকে দেখা যায়, শিল্প এলাকা ছাড়া অন্যসব জায়গায় শব্দের নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রম করেছে। যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর।
শব্দের মানমাত্রা নির্ণয়ের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) অধ্যাপক ইকবাল মতিন। পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান। তাকে সহযোগিতা করেন পিএইচডি গবেষক অলি আহমেদ, শেখ ফয়সাল আহমেদ, মোঃ ওবায়দুল্লাহ, শামসুর রাহমান, তারেক আজিজ প্রমুখ।

শব্দের মানমাত্রার বিষয়ে প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান বলেন, পরিবেশবান্ধব শহরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যত্রতত্র হর্ন না বাজানোর জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। নির্মাণ কাজে শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখাও অত্যন্ত জরুরি। কারণ, শব্দদূষণে শিশুরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। শব্দ দূষণের প্রভাব শুধু মানুষের উপর না, প্রতিটি পশু-পাখির ওপরেও পড়ে। এ বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ

আপডেট সময় : ১০:৫৪:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ এপ্রিল ২০২২

রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো:
রাজশাহীর শিল্পএলাকা ছাড়া সবখানেই শব্দদূষণ। বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার শব্দের মানমাত্রা পরীক্ষা করে দেখে এ কথা জানানো হয়েছে। বারিন্দ এনভায়রনমেন্টের সহযোগিতায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
বরেন্দ্র পরিবেশ উন্নয়ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সভাপতি প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান জানান, সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রার ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন এলাকাকে পাঁচটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে।

এগুলো হলো-নীরব এলাকা, আবাসিক এলাকা, মিশ্র এলাকা, বাণিজ্যিক এলাকা এবং শিল্প এলাকা। রাজশাহী শহরের শিল্প এলাকা ছাড়া অন্য চার জায়গাতেই শব্দদূষণ হচ্ছে।
তিনি জানান, নীরব এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৫০ ও ৪০ ডেসিবেল। কিন্তু রাজশাহীর ঘোষিত নীরব এলাকায় দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া গেছে ৮৪ ডেসিবেল। বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭০ ও ৬০ ডেসিবেল। তবে রাজশাহীর বাণিজ্যিক এলাকায় দিনে শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৮৮ থেকে ৯০ ডেসিবেলের মধ্যে। এভাবে সব ক্যাটাগরিতেই শব্দের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে।

শুধু শিল্প এলাকায় শব্দের স্বাভাবিক মাত্রা পাওয়া গেছে। শিল্প এলাকায় দিনে ও রাতে সর্বোচ্চ শব্দের ঘনমাত্রা থাকতে হবে ৭৫ ও ৭০ ডেসিবেল। রাজশাহীর শিল্প এলাকায়
শব্দের ঘনমাত্রা পাওয়া যায় ৭৪ ডেসিবেল। প্রাপ্ত মানগুলো থেকে দেখা যায়, শিল্প এলাকা ছাড়া অন্যসব জায়গায় শব্দের নির্ধারিত মানমাত্রা অতিক্রম করেছে। যা মানুষের জন্য ক্ষতিকর।
শব্দের মানমাত্রা নির্ণয়ের সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) অধ্যাপক ইকবাল মতিন। পরীক্ষায় নেতৃত্ব দেন প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান। তাকে সহযোগিতা করেন পিএইচডি গবেষক অলি আহমেদ, শেখ ফয়সাল আহমেদ, মোঃ ওবায়দুল্লাহ, শামসুর রাহমান, তারেক আজিজ প্রমুখ।

শব্দের মানমাত্রার বিষয়ে প্রকৌশলী জাকির হোসেন খান বলেন, পরিবেশবান্ধব শহরে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। যত্রতত্র হর্ন না বাজানোর জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। নির্মাণ কাজে শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখাও অত্যন্ত জরুরি। কারণ, শব্দদূষণে শিশুরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়। শব্দ দূষণের প্রভাব শুধু মানুষের উপর না, প্রতিটি পশু-পাখির ওপরেও পড়ে। এ বিষয়ে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।