ঢাকা ০১:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শাবিপ্রবির অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ডিন বাগাতিপাড়ার সন্তান “আব্দুল হামিদ” লালপুরে বাসা থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার লালপুরে পৌর কার্যালয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার লালপুরে নারীদের ভিডিও ধারণ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ সংবাদ প্রকাশের সাত দিন পরও অপরিষ্কার পার্বতীপুর স্টেশনের পানি সংগ্রহস্থল গোদাগাড়ীতে সরকারি খাল ভরাটের অভিযোগ, জলাবদ্ধতায় ফসলি জমি রক্ষার দাবি দেবীগঞ্জে স্বামীর দাফনের কয়েক ঘণ্টা পর স্ত্রীরও মৃত্যু ঈশ্বরদীতে মাদকসহ তাঁতীদল নেতা আটক, ভাড়াটিয়ার কাছ থেকে ৫০ ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার শ্রীনগরে পূজার প্রস্তুতি ও আইনশৃঙ্খলা সভায় জামায়াত নেতাকে মারধরের অভিযোগ লালপুরে মেয়ের পরিচয়ে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, বিয়ের নামে প্রতারণার অভিযোগ

কোটি টাকার পাথর নিয়ে চেক দিয়ে প্রতারণা, পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মামলা

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, বিশেষ প্রতিনিধি (পঞ্চগড়):
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোটি টাকার পাথর নিয়ে চেক দিয়ে প্রতারণা, পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মামলা

ভুয়া ও ব্লক করা ব্যাংক চেক দিয়ে ৯৫ লাখ টাকার পাথর হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

কোটি টাকার পাথর নিয়ে টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণার অভিযোগে পঞ্চগড় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন পাথর ব্যবসায়ী ও তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মসলিম উদ্দীন।

মামলার অভিযুক্ত নীলফামারী জেলার নীলফামারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকার শাহ আনোয়ার হোসেন। তিনি নিজেকে একজন ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার সূত্র ও বাদী মসলিম উদ্দীনের অভিযোগে জানা যায়, পাথর ব্যবসার সূত্রে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রায় পাঁচ বছর ধরে উভয়ের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন মসলিম উদ্দীনের কাছ থেকে ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের পাথর বাকিতে ক্রয় করেন।

পাথরের মূল্য নগদে পরিশোধ না করে আনোয়ার হোসেন পূবালী ব্যাংক নীলফামারী শাখার একটি স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করেন। চেক নম্বর—অও০০-ঔ-অ-৩০২৮৩০৪। চেক হস্তান্তরের সময় তিনি জানান, বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক শাখা থেকে চেকটি নগদায়ন করা যাবে।

পরবর্তীতে মসলিম উদ্দীন ভজনপুর সোনালী ব্যাংক শাখায় চেকটি জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেনের ওই ব্যাংক হিসাবটি ভূয়া এবং আগেই ব্লক করা ছিল। ওই অ্যাকাউন্টে কোনো ধরনের লেনদেন বা অর্থ জমা নেই।

বাদীর অভিযোগ, অর্থ পরিশোধের কোনো ইচ্ছা না রেখেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে চেকটি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি অভিযুক্তকে জানানো হলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা পরিশোধ করেননি।

অবশেষে নিরুপায় হয়ে ন্যায়বিচার পেতে মসলিম উদ্দীন তেঁতুলিয়া আমলী আদালত-৪, পঞ্চগড়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ২৪৩/২০২৩। প্রতারণার শিকার হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কোটি টাকার পাথর নিয়ে চেক দিয়ে প্রতারণা, পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মামলা

আপডেট সময় : ০২:১৩:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

কোটি টাকার পাথর নিয়ে চেক দিয়ে প্রতারণা, পঞ্চগড়ে ইউপি চেয়ারম্যানের মামলা

ভুয়া ও ব্লক করা ব্যাংক চেক দিয়ে ৯৫ লাখ টাকার পাথর হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ

কোটি টাকার পাথর নিয়ে টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণার অভিযোগে পঞ্চগড় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন পাথর ব্যবসায়ী ও তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মসলিম উদ্দীন।

মামলার অভিযুক্ত নীলফামারী জেলার নীলফামারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুপাড়া এলাকার শাহ আনোয়ার হোসেন। তিনি নিজেকে একজন ঠিকাদার হিসেবে পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলার সূত্র ও বাদী মসলিম উদ্দীনের অভিযোগে জানা যায়, পাথর ব্যবসার সূত্রে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। প্রায় পাঁচ বছর ধরে উভয়ের মধ্যে ব্যবসায়িক লেনদেন চলছিল। এরই ধারাবাহিকতায় একপর্যায়ে আনোয়ার হোসেন মসলিম উদ্দীনের কাছ থেকে ৯৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের পাথর বাকিতে ক্রয় করেন।

পাথরের মূল্য নগদে পরিশোধ না করে আনোয়ার হোসেন পূবালী ব্যাংক নীলফামারী শাখার একটি স্বাক্ষরিত চেক প্রদান করেন। চেক নম্বর—অও০০-ঔ-অ-৩০২৮৩০৪। চেক হস্তান্তরের সময় তিনি জানান, বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক শাখা থেকে চেকটি নগদায়ন করা যাবে।

পরবর্তীতে মসলিম উদ্দীন ভজনপুর সোনালী ব্যাংক শাখায় চেকটি জমা দিলে যাচাই-বাছাইয়ে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেনের ওই ব্যাংক হিসাবটি ভূয়া এবং আগেই ব্লক করা ছিল। ওই অ্যাকাউন্টে কোনো ধরনের লেনদেন বা অর্থ জমা নেই।

বাদীর অভিযোগ, অর্থ পরিশোধের কোনো ইচ্ছা না রেখেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে চেকটি দেওয়া হয়েছিল। বিষয়টি অভিযুক্তকে জানানো হলে তিনি নানা টালবাহানা শুরু করেন এবং দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা পরিশোধ করেননি।

অবশেষে নিরুপায় হয়ে ন্যায়বিচার পেতে মসলিম উদ্দীন তেঁতুলিয়া আমলী আদালত-৪, পঞ্চগড়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ২৪৩/২০২৩। প্রতারণার শিকার হয়ে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বলে জানান।