ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শুরু, রাণীশংকৈলে ৫৫ মণ্ডপে আয়োজন পঞ্চগড়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে কালবেলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন পঞ্চগড়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত- প্রতিমন্ত্রী গোমস্তাপুরে ১৮ বস্তা টিএসপি সার জব্দ, একজনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা গোমস্তাপুরে দুর্গামন্দির পরিদর্শন করলেন ইউএনও জিল্লুর রহমান হোসেনপুরে ৫ মাস পর নিখোঁজ যুবকের কঙ্কাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৩ গোমস্তাপুরে বিস্কুট কারখানায় আগুন, ৩০-৩৫ লাখ টাকার ক্ষতির দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান থেকে ৯২টি ককটেল ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার পুঠিয়ায় এক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ দুই মাদ্রাসাছাত্র, থানায় জিডি রাণীশংকৈলে ধানক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

পরিবেশ সংরক্ষণ করতে কি গাছ লাগানো যায় তা গবেষণা করতে হবে- পঞ্চগড় ডিসি

মোঃ কামরুল ইসলাম কামু, পঞ্চগড়ঃ
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

collected

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পরিবেশ সংরক্ষণ করতে কি গাছ লাগানো যায় তা গবেষণা করতে হবে- পঞ্চগড় ডিসি

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেছেন যে কোন দেশের জন্য বনজ সম্পদ এখন বড় প্রয়োজন। পরিবেশের জন্য ৮৫ গাছ পালা থাকতে হয়। আমরা গবেষণা না করেই আকাশমনি ও ইউকিলিপটার্স লাগিয়েছি। একারণে আমাদের পরিবেশ ও সম্পদের ক্ষতি করেছি। বুধবার (২১ মে) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি পরিচিতি শীর্ষক দিনব্যাপি এক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই কথা বলেছেন।

কর্মশালাটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা দিনাজপুর মো. আনোয়ার হোসেন,। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কর্মকর্তা বন রসায়ন বিভাগ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন।

তিনি বলেন আমরা গবেষণা না করেই এসব প্রচুর আকাশমনি ও ইউকিলিপটার্স লাগিয়েছি। কতো ব্যয় হয়েছে এখন এগুলো গাছ ব্র্যান্ড করা হয়েছে। যে দেশের মাটি উর্বর নয় সহজে গাছপালা হয়না তারা গবেষণা করছে তাদের দেশে কি গাছ লাগানো যায় তারা রাতদিন পরিশ্রম করে গবেষণা করছেন। আমাদের দেশের মাটি এতোটাই উর্বর যে কোন বীজ গাছ ফেলে রাখলেই গাছ হয়। গবেষণার বিষয়টির গুরুত্ব আমরা বুঝতে পারিনা। দেশে এসকল গাছের পরিমান দশ লাখ। এসকল গাছ পানি খেয়ে ফেলে।

জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন এই বন গবেষণা ইনস্টিটিউটি টেকসই প্রযুক্তি দ্বারা বর্তমান প্রজন্মের দিক ফুলফিল করবে এবং বন সম্পদ ভবিষ্যত দেশ ও সমাজের জন্য কাজে লাগবে। তাই আমরা সবাই যেমন কৃষক, চাকরীজীবী সহ সবাই লাগানোর ক্ষেত্রে সজাগ থাকবো যেনো পরিবেশকে সংরক্ষণ করতে পারি।পরে তিনি কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন।

এসময় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন পেশাজীবী সাংবাদিক, কৃষক সহ সূধীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র রিসার্চ কর্মকর্তা (তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ) বন গবেষণা ইনস্টিটিউট মো. জহিরুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পরিবেশ সংরক্ষণ করতে কি গাছ লাগানো যায় তা গবেষণা করতে হবে- পঞ্চগড় ডিসি

আপডেট সময় : ০১:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পরিবেশ সংরক্ষণ করতে কি গাছ লাগানো যায় তা গবেষণা করতে হবে- পঞ্চগড় ডিসি

পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেছেন যে কোন দেশের জন্য বনজ সম্পদ এখন বড় প্রয়োজন। পরিবেশের জন্য ৮৫ গাছ পালা থাকতে হয়। আমরা গবেষণা না করেই আকাশমনি ও ইউকিলিপটার্স লাগিয়েছি। একারণে আমাদের পরিবেশ ও সম্পদের ক্ষতি করেছি। বুধবার (২১ মে) সকালে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ও বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত প্রযুক্তি পরিচিতি শীর্ষক দিনব্যাপি এক কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এই কথা বলেছেন।

কর্মশালাটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা দিনাজপুর মো. আনোয়ার হোসেন,। এতে সভাপতিত্ব করেন বিভাগীয় কর্মকর্তা বন রসায়ন বিভাগ বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ড. মোহাম্মদ জাকির হোসাইন।

তিনি বলেন আমরা গবেষণা না করেই এসব প্রচুর আকাশমনি ও ইউকিলিপটার্স লাগিয়েছি। কতো ব্যয় হয়েছে এখন এগুলো গাছ ব্র্যান্ড করা হয়েছে। যে দেশের মাটি উর্বর নয় সহজে গাছপালা হয়না তারা গবেষণা করছে তাদের দেশে কি গাছ লাগানো যায় তারা রাতদিন পরিশ্রম করে গবেষণা করছেন। আমাদের দেশের মাটি এতোটাই উর্বর যে কোন বীজ গাছ ফেলে রাখলেই গাছ হয়। গবেষণার বিষয়টির গুরুত্ব আমরা বুঝতে পারিনা। দেশে এসকল গাছের পরিমান দশ লাখ। এসকল গাছ পানি খেয়ে ফেলে।

জেলা প্রশাসক মো. সাবেত আলী বলেন এই বন গবেষণা ইনস্টিটিউটি টেকসই প্রযুক্তি দ্বারা বর্তমান প্রজন্মের দিক ফুলফিল করবে এবং বন সম্পদ ভবিষ্যত দেশ ও সমাজের জন্য কাজে লাগবে। তাই আমরা সবাই যেমন কৃষক, চাকরীজীবী সহ সবাই লাগানোর ক্ষেত্রে সজাগ থাকবো যেনো পরিবেশকে সংরক্ষণ করতে পারি।পরে তিনি কর্মশালার শুভ উদ্বোধন করেন।

এসময় জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন পেশাজীবী সাংবাদিক, কৃষক সহ সূধীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিনিয়র রিসার্চ কর্মকর্তা (তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ) বন গবেষণা ইনস্টিটিউট মো. জহিরুল ইসলাম।