ঢাকা ০৩:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বড়াইগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১৫ শ্রীবরদীতে ড্রামের ভেতর নারীর মরদেহ, পরিচয় শনাক্ত করল পিবিআই বাগাতিপাড়ায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের মসজিদের দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরি রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রীর বাস নিয়ে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ মন্তব্যকারী যুবক আটক অসুস্থ ভূমিমন্ত্রী মিনুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হলো বাগাতিপাড়ায় এক ঘণ্টায় শেয়ালের কামড়ে নারীসহ ১১ জন আহত মাত্র ৫০০ টাকায় ঠাকুরগাঁও থেকে তেঁতুলিয়া ভ্রমণ, ইএসডিওর ‘ডে ট্রিপ’ চালু বাইপাস সড়ক নেই পঞ্চগড় শহরে, যানজটে চরম দুর্ভোগ লালপুরে বাড়ির পেছন থেকে গাঁজাগাছ উদ্ধার, বাড়ির মালিক আটক রাণীনগরে নারীকে উ’ত্ত্যক্তের প্রতিবাদ, মন্দির কমিটির সহ-সভাপতিসহ ছু/রিকাঘাতে আহত ২

ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪ ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

চাটমোহর নিউজ

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!

চাটমোহর (পাবনা) প্রতনিধিঃ
পাবনার চাটমোহর উপজেলার ফসলি জমি থেকে অনুমোদন ছাড়াই মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। দিনে এবং রাতে ভেকু মেশিন (এস্কেভেটর) দিয়ে জমি খনন করে সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে এলাকার কয়েকটি ইটভাটায়। ট্রাক ও ট্রলিতে মাটি পরিবহন করায় ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। ধুলোবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

সরেজমিনে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের চিনাভাতকুর মৌজার বদ্দানগর মাঠে গিয়ে দেখা যায় ফসলি জমিতে কোন অনুমোদন ছাড়াই ভেকু মেশিন (এস্কেভেটর) দিয়ে মাটি কাটার কাজ চলছে । পরে কেটে নেওয়া মাটি ট্রলিতে করে নেওয়া হয় পাশের এলাকায়। কিছুদিন আগে ওই স্থানে উপজেলা প্রশাসন মেশিনের দুইটি ব্যাটারি আটক করে কাজ বন্ধ করে দেয়।এখনো থামেনি পুকুর খননের কাজ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মনির হোসেন ও কিরণ আলী নামের দুই ব্যবসায়ী অনুমোদন ছাড়াই ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত কিরণ আলী আলী জানান, তার মাটি কাটার অনুমোদন নেই। অনুমোদন ছাড়া কিভাবে মাটি কাটছেন জানতে চাইলে বলেন এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি তিনি।

ওইসকল এলাকার বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মালিকরা স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চুক্তি করে মাটি বিক্রি করছেন। মাটি বহনকারী বিভিন্ন যানবাহনের দাপটে রাস্তাগুলোর ক্ষতি হচ্ছে। পাশিপাশি মাটি বহন করার সময় ধুলাবালিতে সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষজনকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিক্রেতারা প্রতি পাওয়ার ট্রাক্টর মাটি বিক্রি করছেন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে। মাটি বহন করার সময় এসব গাড়ির কারণে আশপাশের জমির ফসলও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের জানালে তারা কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার শুরু হয় মাটি খননের কাজ।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেদুয়ানুল হালিম ফসলি জমির মাটি খননের খবর পেলেই আমরা তা বন্ধ করে দেই। ফসলী জমিতে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

March 11, 2024
ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!

আপডেট সময় : ০৪:১২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মার্চ ২০২৪

ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!

চাটমোহর (পাবনা) প্রতনিধিঃ
পাবনার চাটমোহর উপজেলার ফসলি জমি থেকে অনুমোদন ছাড়াই মাটি কেটে নেওয়া হচ্ছে। দিনে এবং রাতে ভেকু মেশিন (এস্কেভেটর) দিয়ে জমি খনন করে সেই মাটি বিক্রি করা হচ্ছে এলাকার কয়েকটি ইটভাটায়। ট্রাক ও ট্রলিতে মাটি পরিবহন করায় ভেঙে যাচ্ছে রাস্তা। ধুলোবালিতে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ।

সরেজমিনে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের চিনাভাতকুর মৌজার বদ্দানগর মাঠে গিয়ে দেখা যায় ফসলি জমিতে কোন অনুমোদন ছাড়াই ভেকু মেশিন (এস্কেভেটর) দিয়ে মাটি কাটার কাজ চলছে । পরে কেটে নেওয়া মাটি ট্রলিতে করে নেওয়া হয় পাশের এলাকায়। কিছুদিন আগে ওই স্থানে উপজেলা প্রশাসন মেশিনের দুইটি ব্যাটারি আটক করে কাজ বন্ধ করে দেয়।এখনো থামেনি পুকুর খননের কাজ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মনির হোসেন ও কিরণ আলী নামের দুই ব্যবসায়ী অনুমোদন ছাড়াই ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত কিরণ আলী আলী জানান, তার মাটি কাটার অনুমোদন নেই। অনুমোদন ছাড়া কিভাবে মাটি কাটছেন জানতে চাইলে বলেন এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি তিনি।

ওইসকল এলাকার বাসিন্দারা জানান, ফসলি জমির মালিকরা স্থানীয় মাটি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চুক্তি করে মাটি বিক্রি করছেন। মাটি বহনকারী বিভিন্ন যানবাহনের দাপটে রাস্তাগুলোর ক্ষতি হচ্ছে। পাশিপাশি মাটি বহন করার সময় ধুলাবালিতে সড়কে চলাচলকারী সাধারণ মানুষজনকে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিক্রেতারা প্রতি পাওয়ার ট্রাক্টর মাটি বিক্রি করছেন ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে। মাটি বহন করার সময় এসব গাড়ির কারণে আশপাশের জমির ফসলও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এসব বিষয়ে স্থানীয় কৃষকরা উপজেলা প্রশাসন কর্মকর্তাদের জানালে তারা কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আবার শুরু হয় মাটি খননের কাজ।

চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেদুয়ানুল হালিম ফসলি জমির মাটি খননের খবর পেলেই আমরা তা বন্ধ করে দেই। ফসলী জমিতে পুকুর খননকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন।

March 11, 2024
ফসিল জমিতে অবৈধ পুকুর খনন, ধুলোবালিতে দূষিত পরিবেশ!
বিস্তারিত কমেন্টে...www.channelanews.com
Advertisement