ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নাটোর পুলিশের উদ্ধার করা ল্যাপটপ জার্মান পর্যটকের হাতে তুলে দিলেন আইজিপি বাগাতিপাড়ায় দুর্যোগ প্রশমন দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, মহড়া ও আলোচনা সভা নাটোরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ নিয়ে প্রেস কনফারেন্স রাণীনগরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নিয়ে প্রেস ব্রিফিং মান্দায় ১৩৭ গ্রাম পুলিশের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ তেঁতুলিয়ায় ১০ কেজি ওজনের বার্মিজ অজগর উদ্ধার রাণীশংকৈলে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদ্‌যাপন লালপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগে ট্রাক্টরসহ আটক ৩ রাজশাহীতে পৃথক ঘটনায় নারী ও ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার, হ/ত্যার সন্দেহ রাণীনগরে জমি লিখে না দেওয়ায় বাবা-চাচাকে ছু/রিকাঘাতের অভিযোগ

কন্যা দিবসে মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা প্রতিমন্ত্রী পুতুলের

এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৩৭ বার পড়া হয়েছে

কন্যাশিশু দিবসে মেয়েকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল।

চ্যানেল এ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কন্যা দিবসে মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা প্রতিমন্ত্রী পুতুলের

এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। মেয়েকে ঘিরে নিজের স্মৃতি, মাতৃত্বের অনুভূতি এবং কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নানা ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শুরুতেই তিনি লেখেন, আমাদের কন্যারা মহাকালের বুক জুড়ে তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাক প্রতিদিন-প্রতি মুহূর্তে।

পোস্টে প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন পর মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে ভ্রমণ করছেন তিনি। ম্যানিলায় একটি সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে মালয়েশিয়া হয়ে ঢাকায় ফিরছেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে তাকে কিছুটা সতর্কভাবে চলাফেরা করতে হয়। তাই বিমানবন্দরে চেক-ইন, বোর্ডিং থেকে শুরু করে লাগেজ বহনের কাজও তার মেয়ে নিজের দায়িত্বে করে নিতে চেয়েছে।

মেয়েকে নিয়ে অতীতের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, প্রায় এক দশক আগে শীতের এক দুপুরে অসুস্থ মেয়েকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়ানোর কথা। বাবাকে হারানোর পর জীবনের কঠিন সময়ে মেয়েটিই তাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কন্যাশিশু দিবসের বিভিন্ন আয়োজনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কন্যাশিশুর স্বকীয়তা, আত্মবিশ্বাস ও নিজস্বতা নিয়ে বেড়ে ওঠার প্রত্যয় বিভিন্ন সভা-সেমিনারে উচ্চারিত হবে। তবে একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার ঘটনাগুলো মনে পড়ে উদ্বেগ তৈরি হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, কন্যাশিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ নিশ্চিত করতে না পারা সমাজের বড় ব্যর্থতা। একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

মেয়ের সঙ্গে কথোপকথনের একটি মুহূর্তও তুলে ধরেছেন ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি লিখেছেন, রাতে মেয়ের পাশে বসে তাকে নিয়ে লিখছেন জানালে মেয়ে প্রশ্ন করে- এক দিনের জন্যই লিখবে? মেয়ের এই প্রশ্ন তাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, একটি দিবস নয়, আমাদের কন্যারা মহাকালের বুক জুড়ে তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাক প্রতিদিন-প্রতি মুহূর্তে।

প্রতি বছর ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়। দিবসটির উদ্দেশ্য কন্যাশিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, লিঙ্গবৈষম্য দূর করা এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহিত করা।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘End Child Marriage and Invest in Girls’ Rights’ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলায় যার অর্থ- ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন।’

প্রতিমন্ত্রীর আবেগঘন এ লেখাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং অনেকে তার বক্তব্যের প্রশংসা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কন্যা দিবসে মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা প্রতিমন্ত্রী পুতুলের

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

কন্যা দিবসে মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন বার্তা প্রতিমন্ত্রী পুতুলের

এস ইসলাম, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মেয়ের ছবি পোস্ট করে আবেগঘন একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। মেয়েকে ঘিরে নিজের স্মৃতি, মাতৃত্বের অনুভূতি এবং কন্যাশিশুদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে নানা ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শুরুতেই তিনি লেখেন, আমাদের কন্যারা মহাকালের বুক জুড়ে তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাক প্রতিদিন-প্রতি মুহূর্তে।

পোস্টে প্রতিমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন পর মেয়েকে নিয়ে একসঙ্গে ভ্রমণ করছেন তিনি। ম্যানিলায় একটি সম্মেলন শেষে দেশে ফেরার পথে মালয়েশিয়া হয়ে ঢাকায় ফিরছেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে তাকে কিছুটা সতর্কভাবে চলাফেরা করতে হয়। তাই বিমানবন্দরে চেক-ইন, বোর্ডিং থেকে শুরু করে লাগেজ বহনের কাজও তার মেয়ে নিজের দায়িত্বে করে নিতে চেয়েছে।

মেয়েকে নিয়ে অতীতের স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, প্রায় এক দশক আগে শীতের এক দুপুরে অসুস্থ মেয়েকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়ানোর কথা। বাবাকে হারানোর পর জীবনের কঠিন সময়ে মেয়েটিই তাকে মানসিক শক্তি জুগিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কন্যাশিশু দিবসের বিভিন্ন আয়োজনের প্রসঙ্গ তুলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কন্যাশিশুর স্বকীয়তা, আত্মবিশ্বাস ও নিজস্বতা নিয়ে বেড়ে ওঠার প্রত্যয় বিভিন্ন সভা-সেমিনারে উচ্চারিত হবে। তবে একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার ঘটনাগুলো মনে পড়ে উদ্বেগ তৈরি হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, কন্যাশিশুদের জন্য নিরাপদ দেশ নিশ্চিত করতে না পারা সমাজের বড় ব্যর্থতা। একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

মেয়ের সঙ্গে কথোপকথনের একটি মুহূর্তও তুলে ধরেছেন ফারজানা শারমিন পুতুল। তিনি লিখেছেন, রাতে মেয়ের পাশে বসে তাকে নিয়ে লিখছেন জানালে মেয়ে প্রশ্ন করে- এক দিনের জন্যই লিখবে? মেয়ের এই প্রশ্ন তাকে গভীরভাবে ভাবিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী লেখেন, একটি দিবস নয়, আমাদের কন্যারা মহাকালের বুক জুড়ে তাদের অস্তিত্ব জানান দিয়ে যাক প্রতিদিন-প্রতি মুহূর্তে।

প্রতি বছর ১১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত হয়। দিবসটির উদ্দেশ্য কন্যাশিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, লিঙ্গবৈষম্য দূর করা এবং তাদের আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহিত করা।

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসের প্রতিপাদ্য হিসেবে ‘End Child Marriage and Invest in Girls’ Rights’ নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলায় যার অর্থ- ‘বাল্যবিয়ে বন্ধ করুন এবং মেয়েদের অধিকার সুরক্ষায় বিনিয়োগ করুন।’

প্রতিমন্ত্রীর আবেগঘন এ লেখাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং অনেকে তার বক্তব্যের প্রশংসা করেন।